Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘ইন্টারনেট’

৪৯.

প্রযুক্তির মার্ভেল দেখাচ্ছে সবাই। আর দেখাবেই না কেন? মানুষ তো তুলে দিয়েছে তার সবকিছু ইন্টারনেটে। ক্লাউডে। সোশ্যাল মিডিয়াতে। তার সব মতামত। তার পছন্দের অপছন্দের খবর। কোন ঘরানার মানুষ সে। কোন রেস্টুরেন্টে যাওয়া পড়ে বেশি। সেটার সুবিধা নিচ্ছে বুদ্ধিমান কোম্পানিগুলো। কেন নয়? আমি যদি দরকার মতো প্রোডাক্ট খুঁজতে পারি ইন্টারনেটে, সে নয় কেন? সেও খুঁজছে প্রোডাক্ট। আমার আপনার মতো।

কখনো ভেবেছেন গুগল ম্যাপ কিভাবে জানে এতো ট্রাফিক ইনফরমেশন?

অথবা,

ও কিভাবে জানে আপনার দেরি হচ্ছে তিন মিনিট? কিভাবে বের করছে ফাস্টেস্ট রুট? গুগল ম্যাপে। অথবা উবারে?

আমরা পারছি না কেন ওই জিনিস? ট্রাফিক জ্যাম কমাতে? নিজেদের? নিজেদের বাস সার্ভিসে? বাসা থেকে বের হবার আগে দেখে নিতে – কোন বাসটা আসছে মিরপুর দশ নম্বরে? পাঁচ মিনিটের মধ্যে।

৫০.

ডাটার ক্ষমতা অনেক। বিশেষ করে ওপেন ডাটা। ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন সরকারী সাইটে। বিভিন্ন অ্যানুয়াল রিপোর্টে। এই ডাটা নিয়ে বুদ্ধিমান সরকারগুলো পাল্টাচ্ছে নিজেদের সব ‘রদ্দি’ নীতিমালা। সবার কথা, যেই নীতিমালার আউটকাম নেই বললেই চলে, সেটাকে পাল্টে ফেলা ভালো। তো, জানবেন কিভাবে কোন নীতিমালা কাজ করছে ওই দেশে? আর কোনটা না? বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস। পাঁচ দশ বছরের ডাটা ফেলেই দেখুন না – কি করে সেটা? মাথা ঘুরতে থাকবে সারাদিন।

৫১.

মজার কথা হচ্ছে দেশগুলোর সরকারী ডাটার ৯৭ শতাংশই ওপেন ডাটা। মানে, ব্যবহার করতে পারে সবাই। আর সেটা করা হয়েছে জনগনের সুবিধার কথা চিন্তা করেই। সরকারগুলো তাদের সব পাবলিক ডাটা নিয়ে তৈরি করছে আলাদা অ্যানালাইটিক্স। গুগল করুন “গভর্নমেন্ট ওপেন পাবলিক ডাটা”। প্রতিটা নীতিমালার আউটকাম দেখা যায় আগে থেকেই। বাস্তবায়ন করার আগেই। পুরোনো ডাটা থেকে। মডেলিং করে। দেশগুলো রক্ষা পায় টাকা নষ্ট হবার হাত থেকে।

৫২.

ধরুন, ‘ক’ দেশের সরকার চিন্তা করলেন টিফিন দেয়া হবে স্কুলে। বাচ্চাদের ছোটবেলার পুষ্টির কথা চিন্তা করে। স্কুলে উপস্থিতি বাড়াতে। সরকার সামান্য ইনভেস্টও করলেন ব্যাপারটাতে। এখন, ৫০ বছর পর দেখতে চাইলেন ওই সামান্য নীতিমালার প্রভাব কতটুকু পড়েছে দেশের পুরো জনগোষ্ঠী ওপর। এখন আমরা জানি ওই ‘টিফিন’ দেশগুলো কোথায় আছে সবকিছুতে।

৫৩.

বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে স্মার্ট বাচ্চাগুলোকে ‘ট্র্যাক’ করতে পারি স্কুল থেকেই। পরীক্ষার সব ডাটা কিন্তু ওপেন। ওদেরকে ‘ট্রেইন’ করতে পারি ছোট থেকেই। লিডারশীপ রোলে। সন্তর্পনে। কে কোন বিষয়ে ভালো খারাপ করছে সেটাও থাকবে নজরদারিতে। যারা ওই ছোটবেলা থেকে তৈরি করতে পারবে ‘ভ্যালু’, সমাজের জন্য – তাদের পেছনে ইনভেস্ট করবে সরকার।

Advertisements

Read Full Post »

The hungrier one becomes, the clearer one’s mind works— also the more sensitive one becomes to the odors of food.

George S. Clason, The Richest Man in Babylon

ইন্টারনেট নিয়ে আমার কৌতুহল ওই অফলাইন ইন্টারনেট থেকে। নব্বইয়ের সেই “ওয়াইল্ডক্যাট” বুলেটিন বোর্ড সার্ভিস টানে এখনো। অফলাইন পুশ-পুল এফটিপি, এনএনটিপি পোর্ট দিয়ে নিউজ সার্ভিস – দৃক, প্রদেষ্টা, কাইফনেট সব অনেক অনেক আগের জিনিস। একটা কমোডোর ১২৮ নিয়ে খোঁচাখুচির ফল যা হয় আরকি! একটা জিনিস খেয়াল করতাম, ইউইউসিপি (ইউনিক্স টু ইউনিক্স) প্রটোকল দিয়েও সবাই কানেক্ট করতো কাছাকাছি প্রোভাইডারদেরকে। এরপর এলো আসল ইন্টারনেট, আমাদের সব ডাটা যেতো গোটা পৃথিবী জুড়ে। মানে – যুক্তরাষ্ট্র হয়ে!

সেটাও অনেক অনেক দিন। এরপর ঘুরতো সিঙ্গাপুর হয়ে। এখন?

স্যানোগ-৪ ই হবে হয়তোবা, ২০০৫ এর কথা। সুমন ভাইয়ের কাছ থেকে পেয়েছিলাম কিছু ডকুমেন্ট। যেটা বেশি টেনেছিলো – ‘আই-এক্স’, ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ নামের একটা গল্প। তখন কী জানতাম বিটিআরসিতে পোস্টিং হবে ওর দুবছর পর? “আই-আই-জি”, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে লাইসেন্সে অনেকটা মারামারি করে করে ঢুকিয়েছিলাম ‘এক্সচেঞ্জ’ ব্যাপারটা। সুমন ভাইয়ের সাহায্য নিয়ে।

সেটা কাগজে ঢুকলেও বাস্তবে আনতে কষ্ট হচ্ছিলো অনেক। মানে, আই-আই-জি’রা সবাই ডাটা পিয়ারিং করবে দেশের ভেতর। একটা ব্যাপার ঠিক। এটা কিছুটা ব্যবসায়িক স্বার্থেই চলে। জোরাজুরির কিছু নেই। লাইসেন্সিং দরকার নেই। ‘বিডিআইএক্স’ হলো। আইএসপিদের কল্যাণে। মোবাইল অপারেটররা কানেক্ট করছিলো না। নন-লাইসেন্সিং এনটিটিতে কানেক্ট করে কী না কী হয়? এক সময় সেটারও লাইসেন্স এলো।

এখন দেশের ভেতরেই থাকছে প্রচুর ডাটা। বড় বড় ডাউনলোড সার্ভারগুলো ‘ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ’ হয়ে যাচ্ছে একেকটা আইএসপিতে। লাভ অনেক। আইএসপিদের বিদেশী ‘আইপি ট্রানজিট’ কিনতে হচ্ছে কম। আসল কথা হচ্ছে দেশে হোস্টিং বেশি হলে একসময় অন্যদেশ ‘আইপি ট্রানজিট’ কিনবে আমাদের থেকে। ওটা অনেক পরে হলেও একসময় করতে হবে। ব্যালান্স করতে হবে না ট্রাফিক? ধরুন, বিদেশ থেকে কিনলেন ৩০ জিবিপিএস। ওরা যদি সমপরিমাণ নেয় আমাদের থেকে – তাহলে সেটা হবে “সেটলমেন্ট ফ্রী”। কেউ কাউকে পয়সা দেবে না। মানেও হয় না।

অনেক অনেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটা গ্রামে থাকার সময় ব্যবহার করতাম ‘ডিএসএল’ সার্ভিস। বেসিক ফোনের সাথে এসেছিলো ওটা। একবার ফোনে সমস্যা হলো, কিন্তু ‘ডিএসএল’ ডাউন হয়নি কখনোই! এখন তো ফোনের ওই কপারলাইন দিয়ে গিগাবিট ইথারনেটও চলছে অনেক জায়গায়। সেটা আরেকদিন!

বিটিসিএলএর ডিএসএল সার্ভিস নিলাম কয়েকদিন আগে। ওর আগে পাড়ার আইএসপি ছিলো বাসায়। পাড়ার আইএসপি’র সার্ভিস ছিলো রকেটের মতো। ‘গুগল ক্যাশে’ ইঞ্জিন থেকে শুরু করে ডাউনলোড সার্ভার, কী নেই তাদের! অনেকের বাসা পর্যন্ত ফাইবার টেনেছে তারা। বিদ্যুত্‍ চমকালেও যাবে না রাউটার। নতুন ‘ডিএসএল’ নেবার পরও ডাউনলোড ম্যানেজারে পুরানো আইএসপি’র একটা লিংক রয়ে গিয়েছিলো কোনো একটা কারণে। পিসি চালু করতেই লিংকটা মুছতে গিয়ে দেখলাম ঢাকা থেকে ঢাকার ওই দুই কিলোমিটার দূরত্বের ট্রাফিক ঘুরে আসছে ওই বিদেশ থেকে। মানে, এখনো যেতে হবে অনেকদূর!

আমার বাসা থেকে দুই আইএসপি’র ট্রাফিকের রাউটিং। এর থেকেও অনেক অনেক কমপ্লেক্স রাউটিং আছে অনেক জায়গায়। আমার কথা একটাই। দেশের ট্রাফিক বিদেশী ডলারের কেনা “আইপি ট্রানজিট” দিয়ে গেলে দাম বাড়বে বৈকি।  ইন্টারনেটের।

[এটা একটা উদাহরণ, কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়, আমরাও শিখছি প্রতিদিন]

1 5 ms 3 ms 2 ms Routing.Home.Inside [192.168.x.x]
2 1615 ms 1675 ms 2003 ms 123.49.x.x
3 1920 ms 1534 ms 1852 ms 123.49.13.x
4 931 ms 995 ms 892 ms 44.44.44.2 [এটা যাচ্ছে স্যান-দিয়াগো, অ্যামেচার রেডিও]
5 1399 ms 1458 ms 1571 ms 123.49.13.82
6 1400 ms 701 ms 729 ms 123.49.1.14 [বিটিসিএলের মধ্যেই অনেকগুলো হপ]
7 1062 ms 1115 ms 1189 ms 121-1-130-114.mango.com.bd [114.130.1.121]
8 1562 ms 1555 ms 1466 ms aes-static-133.195.22.125.airtel.in [125.22.195.133]
9 1456 ms 1536 ms 1591 ms 182.79.222.249 [ভারতে যেয়ে ঘুরে আসছে ট্রাফিক]
10 1878 ms * 1009 ms aes-static-118.1.22.125.airtel.in [125.22.1.118]
11 1479 ms 1605 ms 1444 ms 103-9-112-1.aamratechnologies.com [103.9.112.54]
12 1007 ms 1611 ms 1727 ms 103-9-112-1.aamratechnologies.com [103.9.113.130]
13 1619 ms 1596 ms 1810 ms 103.x.x.x
14 1774 ms 1058 ms 1222 ms x.x.82.x
15 1373 ms 1423 ms 1410 ms site1.myoldisp.com [x.x.28.x]

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

There is one Internet. It must be fast, it must be robust, and it must be open. The prospect of a gatekeeper choosing winners and losers on the Internet is unacceptable.

– Tom Wheeler, Chairman – FCC

save5০৭.

ইন্টারনেটে সবকিছু আছে বলেই এখানে সহিষ্ণুতাটা লাগেও বেশি। নব্বইয়ের দিকে ‘ইউজনেট’ ব্যবহার করতে হতো আমাদের। যেকোন সমস্যার জন্য। বিশেষ করে ‘ইউনিক্স’ অপারেটিং সিষ্টেমটা নিয়ে কাজ করার সময়। আমরা জানি ‘সহিষ্ণুতা’র দাম কেমন। আর সেকারণে হাতে কলমে কাজ শিখিয়েছে ওই অপরিচিত ‘বন্ধুসুলভ’ মানুষগুলো। পৃথিবী চষে বেড়ানোর সময় দেখা হয়েছে তাদের অনেকের সাথে। তারা জানেন ইন্টারনেট তৈরি হয়েছে ওই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে। যারা ইন্টারনেট বোঝেন না তারাই সারাদিন আমাকে (বিটিআরসিতে থাকাকালীন) বলতেন এটা বন্ধ করেন, ওইটা বন্ধ করেন। অথবা, ‘ইউটিউব’ বন্ধ করতে এতো সময় নিচ্ছেন কেন? সত্যি বলতে, আমাদের নীতিনির্ধারণীতে বসে থাকা মানুষগুলোও বন্ধ করতে চাননা সবকিছু। জনপ্রতিনিধিরা থাকেন বিপদে। ‘অসম্ভব’ চাপ তৈরি করেন ‘ইন্টারনেট’ না বোঝা আশেপাশের মানুষজন। এই আমরাই। ‘সূর্যের চেয়ে বালি গরম’এর মতো ব্যাপারটা। ফেসবুকে আমাদের কমেন্ট দেখলে মনে হয় ‘শিষ্ঠাচার’ ১০১ কোর্স দরকার অনেকের। কেন জানি সমালোচনা নিতে পারিনা আমরা। তবে, আশাবাদী আমি। ‘সত্যিকারের শিক্ষা’র সাথে সাথে পাল্টাবে এই ট্রেন্ড।

০৮.

ধরুন, সুন্দরবনে ঘুরতে গিয়েছেন আপনি। একা পেয়ে ‘বাঘমামা’ আঁচড় দিয়ে বসলো আপনাকে। ঢাকায় ফেরত্‍ এসে গরম হয়ে বললেন, আচড় দিলো কেন সে? প্রথম কথা হচ্ছে, আপনার ‘স্বাধীনতা’ নিয়ে ঢুকে গিয়েছিলেন গহীন বনে। বাঘমামা তার ‘স্বাধীনতা’ ব্যবহার করে আঁচড় দিয়ে দিয়েছে – এই যা! আগুন তো সবকিছু পুড়িয়ে দিতে পারলেও সেটাকে তো আর ‘ব্যান’ করেননি আপনার সুবিধার জন্য। হাজারো হ্যাকিংয়ের ঘটনা চলছে বিশ্ব জুড়ে, কই কেউ তো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নেই বসে। সেটাতো – চোরের ওপর রাগ করে মাটিতে বসে ভাত খাওয়ার মতো। ইন্টারনেটে কে কি বললো, সেটাকে আটকাতে যাওয়া কেন? রাস্তায় তো পাগলও অনেক কিছু বলে, সেটাকে ছাড় দিলে ইন্টারনেটকে নয় কেন? রেগুলেটর হিসেবে অনেক ব্যাপার নিয়ে ‘আলাপ’ করে মধ্যপন্থী অবস্থান নিয়েছিলাম আমার ওই সাত সাতটা বছরে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

“Net neutrality” has been built into the fabric of the Internet since its creation — but it is also a principle that we cannot take for granted. We cannot allow Internet service providers (ISPs) to restrict the best access or to pick winners and losers in the online marketplace for services and ideas. That is why today, I am asking the Federal Communications Commission (FCC) to answer the call of almost 4 million public comments, and implement the strongest possible rules to protect net neutrality.

Statement by the President Barack Obama on Net Neutrality

save1০৫.

ইন্টারনেট কিন্তু তৈরি হয়নি এজন্য। এতোদিন আপনি অপারেটর ‘ক’ তে থাকলেই কল করতে পারতেন ‘হেলথকেয়ার’ কলসেন্টারে। অপারেটর ‘খ’য়ের গ্রাহকদের কি দোষ? ‘কৃষি জিজ্ঞাসা’তে কল করতে পাল্টাতে হবে সিম আবার। ওই সিমের পয়সাটা দেবে কে শুনি? এই তো দেখে আসছি টেলকো’দের ‘ওয়ালড গার্ডেন’ মানে তৈরি করা ‘ইচ্ছে কুপে’। ইন্টারনেট এসে উড়িয়ে দিয়েছে সব কিছু। ফেসবুকে যেতে আলাদা করে সংযোগ নিতে হয় না আপনাদের। ইন্টারনেট নামের মহাসড়কে সংযোগ থাকলেই হলো। এই ইন্টারনেটই তৈরি হয়েছে হাজারো মতের ওপর দিয়ে। সহিষ্ণুতা এর বড় চাবিকাঠি। সব ধরনের মত নিয়ে তৈরি হয়েছে এই বিশাল সীমানাহীন দেশ। সব মত যে ভালো লাগবে সবার – সেটাও নয়। আপনার ভালো না লাগলে সেখানে না গেলেই হলো। আপনাকে তো বন্দুকের মুখে নিয়ে পড়তে বলেনি তার ব্লগ পোস্ট। এটা এমন যে আমার ধর্ম পালন করছি আমার পরিমণ্ডলে। অন্যকে না খোচালেই তো হলো। আপনার খোঁচা লাগলে উত্তর তৈরি করুন যুতসই। নয় গালাগালি।

০৬.

প্রথম প্রথম সার্চ ইঞ্জিন বের হলে হুমড়ি খেয়ে পড়লো মানুষ। নব্বইয়ের শুরুর ঘটনা। ‘সেক্স’ শব্দটা ছিলো এক নম্বরে। কই সার্চ ইঞ্জিন ‘ব্যান’ করেনি জিনিসটাকে। নিষিদ্ধ করলেই বরং বাড়ে ব্যাপারটা। সৃষ্টিকর্তা আমাদের তার অনেক গুণের মধ্যে বিচার বুদ্ধিটা দিয়েছেন আগে। সৃষ্টিকর্তার প্রতিনিধি বলে হয়তোবা। কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ সেটাকে বেছে নিতে পাঠানো হয়েছে আমাদের এই নশ্বর পৃথিবীতে। নিজের দেখভাল নিজের। আর সেকারণে আমরা প্রাপ্তবয়স্ক। বাচ্চাদের দেখভাল করার দ্বায়িত্ব আমাদের। তাই কম্পিউটারটা এনে রাখা ওপেন স্পেসে। আর সবকিছুর খারাপ ভালো দিক আছে বলেই হাজারো ‘নিষিদ্ধ’ জিনিস পাওয়া যায় এখানে সেখানে। পৃথিবী তো আর স্বর্গ নয়, এটা পরীক্ষার যায়গা। ভালো কাজের পুরস্কার আছে সব ধর্মে। যারা সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করেন না সেটাও একটা ধর্ম। সেটাও একটা ‘অ্যাট্রিবিউট’। পদার্থের ধর্মের মতো।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

Freedom of connection with any application to any party is the fundamental social basis of the internet. And now, is the basis of the society built on the internet.

– Tim Berners-Lee

save0০১.

ইন্টারনেট নিয়ে সখ্যতা আমাদের অনেক অনেক দিনের। আমাদের মানে আমাদের মতো বুড়োদের। ইন্টারনেট বড় হয়েছে আমাদের চোখের সামনেই। বিরানব্বই থেকে অফলাইন ইন্টারনেট নিয়ে খোঁচাখুচি। ব্রাউজও করতে পারতাম এই অফলাইন ইন্টারনেটে। ভাবা যায়? ভাবখানা কিছুটা আজকের পুশ-পুল এসএমএসের মতো। যাই হোক – জানা যেতো অনেক কিছু। সত্যি কথা বলতে – ‘লোকাল ইন্টারনেট’ মানে মোডেম দিয়ে এক বাসা থেকে আরেক বাসায় ফাইল পাঠানো শুরু হয়েছে বহু আগেই। তিরাশি সালের কথা। হাতে পড়লো একটা ‘কমোডোর’ কম্পিউটার। মোডেমসহ। পাল্টে গেল আমাদের দুনিয়া। এক সময় চালু হলো বুলেটিন বোর্ড সার্ভিস। এই ঢাকায়! মনে আছে ‘ওয়াইল্ড ক্যাট’এর প্রম্পটের কথা? কথাটা আপনাদের কাছে ‘হিব্রু’ মনে হলে বুঝতে হবে আসলেই বুড়ো হয়েছি আমরা।

০২.

আজকের ইন্টারনেট পাল্টে দিচ্ছে পৃথিবীকে। কোথায় কি হলো সেটা সরকার জানার আগেই জানে মানুষ। মানে জনগণ। জনগণ তার মুখ খুলতে পারে এই ইন্টারনেটের কারণে। ‘আরব বসন্তে’র দেখেছেন কি, ওটাতো আইসবার্গের ছোট্ট ‘নিষ্পাপ’ মাথা। আজকের গনতন্ত্রের বিশাল অংশ চলছে এই ইন্টারনেটকে ঘিরে। আল গোরের ‘ইন্টারনেট আর ভবিষ্যত গনতন্ত্র’ নিয়ে বক্তৃতা কিছুটা গল্প দিলেও তার সবকিছু শুরু কিন্তু একটা সহজ ‘টার্মেনোলোজি’ নিয়ে। ‘নেট নিউট্রালিটি’। পুরো ইন্টারনেট ‘সরব’ এই গল্পটা নিয়ে। হ্যা, প্রায় একযুগ ধরে। আমরা যারা ভোক্তা, তাদের ভয় একটাই। কোনদিন না বন্ধ হয়ে যায় সব। আমার প্রিয় সাইট হয়তোবা হারিয়ে যাবে এই টেলকোদের ধাক্কাধাক্কিতে। সাইট থাকবে, কিন্তু সেটাকে আর বইবেনা (মানে আর ‘ক্যারি’ করবে না) আমাদের ‘টেলকো’রা। কারণ বনিবনা হয়নি পয়সার ভাগ বাটোয়ারাতে। অপারেটর ‘ক’ এর ওপর দিয়ে ওই অ্যাপ্লিকেশন বা সাইট আসতে হলে পয়সা দিতে হবে ঘাটে ঘাটে। সব দোষ জর্জ অরওয়েলের। কেন লিখতে গেলেন বইটা? মানে ১৯৮৪ নামের বইটা।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

There are no secrets better kept than the secrets that everybody guesses.

— George Bernard Shaw

০৭.

পড়ে আছি আফ্রিকাতে। আগেও ছিলাম এখানে। আরেকটা দেশে। বউ বাচ্চা ছেড়ে। পৃথিবীব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ছাপ পড়েছে এখানেও। অফিসের কাজ শেষে ‘স্কাইপিং’ করি বাসায়। বিনামূল্যে। বাচ্চারা মায়ের ফোন নিয়ে ওপরতলা নিচতলা করতে থাকে প্রতিনিয়ত। পুরো বাসার ‘ট্যুর’ হয়ে যায় ওদের অজান্তে। কোন রুমের আসবাবপত্র কোন রুমে যাচ্ছে কোন কিছুই এড়াচ্ছে না আমার চোখ। আর্শিয়ার ‘ফ্রোজেন’ আর নাবিলের ‘বিগ হিরো ৬’য়ের পোস্টার কোথায় লাগবে সেটার শালিসিতেও বসতে হলো এখানে বসে। দরকার লাগলে ঢুকে যাই নিজের বাসার নেটওয়ার্কে। চালু করি বাসার কম্পিউটার বা ওয়াইফাই রাউটারটা। টেনে আনি দরকারী ফাইল। বাসার গাড়িটাকে নিয়ে এসেছি হাতের নাগালে। ‘ভার্চুয়াল ফেন্সে’র বাইরে গেলেই মাথা গরম হয়ে যায় ফোনের। সঙ্গে আমারো। এই আফ্রিকায় বসে। ফ্রীজটা বাকি। হয়ে যাবে সেটাও।

০৮.

ফিরে তাকাই পেছনের দিনগুলোতে। অথচ, দশ পনেরো বছর আগে পকেট ফাঁকা করে ফেলতাম কথা বলতে। এই আফ্রিকা থেকে দেশে। তাও শুধু দরকারী কথা। তখন বউ অবশ্য বলতো মিষ্টি মিষ্টি কথা। পাল্টেছে সময়। এখনো বলে। কম। ভাগ্য ভালো, আমার শহরে আছে থ্রীজি সার্ভিস। হাজার টাকায় পাওয়া যায় দুর্দান্ত গতির ইন্টারনেট। হিসেব করে দেখলাম – ইন্টারনেট হচ্ছে আমাদের লাইফলাইনের মতো। ‘ইন্টারন্যাশনাল কল’ করার সাহস করি না আমি। মনের ভুলেও। আমার ধারনা, বাকিদের একই অবস্থা। ধন্যবাদ ‘সিম্ফনী’ আর ‘ওয়ালটন’কে। তাদের সুবাদে – সবার হাতে স্মার্টফোন। ভুল বললাম। একেকটা মিনি কম্পিউটার। আবারো ভুল বললাম। একেকটা শক্তিশালী কম্পিউটার। আমার নিজের ফোনটাই ল্যাপটপ থেকে তিনগুণ শক্তিশালী। স্ক্যান করছে আমার ভাউচার, পোস্ট-ইট পেপার, হাতে লেখা নোট, দরকারী কাগজ, দোকানের বিলের মতো আরো কতো কি! মেডিক্যাল রেকর্ড? ব্যাংক স্টেটমেন্ট? ব্যক্তিগত ছবি তোলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। হাজারো কথা বলছি স্কাইপে। বন্ধুদের সাথে। যারা ছড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন টাইমজোনে। ইমেইলের পাশাপাশি ‘ইন্সট্যান্ট ম্যাসেঞ্জারে’ রয়েছে হাজারো কথা। সবকিছুই যাচ্ছে পছন্দের ‘ক্লাউড’ সার্ভিসে। ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড থেকে শুরু করে অনেককিছুর পাসওয়ার্ড ইদানিং থাকে ‘ক্লাউডে’।

০৯.

আপনি কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আপনার ইমেইল অন্য কেউ পড়ছে কি না? আপনার ফোন দিয়ে ‘থ্রেট’ কল গিয়েছে কখনো? ‘ভয়েস সিন্থেসিস’ করে দেখা গেলো গলা আপনার! আপনার কম্পিউটারের দরকারী ফাইলটা আরেকজন পড়ে চুপটি করে রেখে দিয়েছে কি না? আপনার উইনডোজের ‘ক্রিটিক্যাল’ সিষ্টেম ফাইল পাল্টে যায়নি যে তার গ্যারান্টি কি? বছর খানেক ধরে আপনার কম্পিউটারে যা কিছু টাইপ করেছেন সেটার ‘কী-লগার’ ফাইল যাচ্ছে কোথায় – জানেন আপনি? আপনার ল্যাপটপের ‘মাইক্রোফোন’ আর ‘ওয়েবক্যাম’ আপনার অজান্তে চালু থাকে কি না? আপনার ফোনের ক্যামেরা দুটো আর মাইক্রোফোন? ইন্টারনেট হচ্ছে ওধরনের একটা ‘গ্লোবাল দেশ’ যেখানে ‘কেউ’ চাইলে নজরদারী করতে পারে আপনার প্রতিটা মুহূর্ত। যাচ্ছেন কোথায়, কি বলছেন, কি করছেন। সব।

হতাশ?

১০.

‘এভরি ক্লাউড হ্যাজ আ সিলভার লাইনিং’! আছে সুখবর। এই ‘ক্রিপ্টোগ্রাফী’ যেভাবে অন্যের পড়ার অযোগ্য করে দিতে পারে আপনার ফাইলকে, সেভাবে ‘নিশ্চিত’ করতে পারে আপনার ‘অনলাইন’ পরিচয়। মানে ‘থ্রেট’ ইমেইলটা করেননি আপনি। ভয়েস সিন্থেসিসে ‘সিগনেচার’ মিলেনি আপনার। কম্পিউটারের হাজারো ফাইলের (সিষ্টেম ফাইলসহ) যেকোন একটা পাল্টালে আগে জানবেন আপনি। আপনার প্রতিটা ডকুমেন্টকে রাখবে যথেষ্ট নিরাপত্তার সাথে। হাতের শক্তিশালী কম্পিউটার মানে স্মার্টফোনটা হাতছাড়া হওয়া মাত্র ‘মুছে’ যাবে সমস্ত ডাটা। অবশ্যই, আপনি চাইলে। ‘এনক্রিপ্ট’ করা থাকলে খুলতেও পারবে না – কি আছে ফোনে। খুশি তো? আপনি না জানলেও ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার খাতিরে অপারেটিং সিষ্টেম কোম্পানীগুলো নিজে থেকে উইনডোজ, অ্যান্ড্রয়েড, ‘আইওএস’এর সাথে ‘ক্রিপ্টোগ্রাফী’ ব্যবহার করছে আগে থেকেই। তবে সেটার অনেকাংশ নির্ভর করে ব্যবহারকারীদের ওপর। আপনি কম্বিনেশন লক কিনলেন ঠিকই, তবে সেটা রাখলেন ‘ফ্যাক্টরি ডিফল্ট’ ০০০০। হবে কি কাজ? তালা দিয়ে দিয়েছে কোম্পানী, আপনি না লাগালে ওদের দোষ দিয়ে লাভ হবে কি? আর তারা তো দেবে বেসিক টূল, সেটা তো করবে না সব কাজ।

১১.

আমরা মানে ‘মর্টাল’রা ‘এনক্রিপশন’ আর ‘ক্রিপ্টোগ্রাফী’ শব্দগুলোকে যে যেভাবে পারি – ব্যবহার করি। হাজার হোক, ফ্রী কানট্রি! কার ঘাড়ে দুটো মাথা আছে আপনার সাথে তর্ক করার? দুটোর ব্যাপারটা আলাদা হলেও এটাকে সঙ্গায়িত করা যেতে পারে ব্যকরণ দিয়ে। আবার জুলিয়াস সিজার যেটা ব্যবহার করতেন সেটাকে আমরা বলতাম জুলিয়াস ‘সাইফার’। তাহলে শব্দ এসে দাড়ালো তিনটাতে। ‘ক্রিপ্টোগ্রাফী’ হচ্ছে ওই বিজ্ঞান যেটা আলোচনা করে ‘গোপন’ যোগাযোগ নিয়ে। এটা বিশেষ্য পদ। মানে নাম পদ। আমরা যদি ‘রুট’ওয়ার্ডে যাই, এটা হবে দুটো শব্দ। ‘ক্রিপ্টো’ আর ‘গ্রাফী’। ‘ক্রিপ্টো’ হচ্ছে গুপ্তকথা অথবা লুকানো কথা। আর ‘গ্রাফী’টা হচ্ছে ওই যোগাযোগটাকে লুকানোর একটা পদ্ধতি। মানে যেভাবে ওই গুপ্তকথাকে লুকিয়ে আরেকজনের কাছে পাঠানো হয় সেই বিজ্ঞানটাই আমাদের গল্প। আর ‘ক্রিপ্ট’ করাকে বলা হচ্ছে ‘এনক্রিপশন’। ‘এন’ মানে হচ্ছে ‘টু মেক’। তৈরি করা। তথ্যকে অন্যের জন্য ‘হিব্রু’ বানিয়ে ফেলা। নতুন গল্প দিচ্ছি না তো আবার? এন্ড অফ দ্য ওয়ার্ল্ড?

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

The hungrier one becomes, the clearer one’s mind works— also the more sensitive one becomes to the odors of food.

― George S. Clason, The Richest Man in Babylon

৬৫৮.

এদিকে চমত্কার একটা কাজ করেছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। তাদের যোগাযোগ আর আইসিটি মন্ত্রণালয় তৈরি করেছে একটা ‘অ্যাডভাইজরী গ্রুপ’। সরকারী লোক নয় শুধু, সবাইকে নিয়ে এসেছে এক কাতারে। টেলিযোগাযোগ কোম্পানী থেকে শুরু করে ইনডাস্ট্রি অ্যাসোশিয়েশন, ইনভেস্টর, সম্পর্কিত দপ্তর থেকে সরকারী প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা – শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয় – বাদ পড়েনি কিছুই। সবাইকে দিতে হয়েছে ‘কম্পিটেণ্ট’ সদস্য। ভারতের জাতীয় ব্রডব্যান্ড প্ল্যান অনুযায়ী একত্রীভূত ‘জাতীয় ফাইবার নেটওয়ার্ক’ দিয়ে প্রতিটা গ্রাম আর শহরকে কিভাবে যুক্ত করা যায় সেটাই এই অ্যাডভাইজরী গ্রুপের ভাবনা। লাস্ট মাইলে স্পেকট্রামকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটাও দেখছে তারা। মোদ্দা কথা, যুক্ত করতে হবে সবাইকে। মানুষের পয়সা থাকুক আর না থাকুক। ইন্টারনেট তো লাগবেই। আজ নয়তো কাল। ইন্টারনেটকে সস্তা না করলে হবে কিভাবে? আর এই কাজ করতে ভারতের এই সম্মিলিত ‘অ্যাডভাইজরী গ্রুপ’কে ‘ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে ব্যবহারকে ‘উদাহরণ’ হিসেবে টানা হয়েছে ব্রডব্যান্ড টূলকিটে। সত্যি বলতে, বেশ ভালোভাবেই। এতে অনেক সরকারী বেসরকারী এজেন্সিগুলোর ‘ক্রস-কাটিং’ ব্যাপারগুলো মেটানো গেছে সবার সাথে কথা বলে। নেটওয়ার্ক রোলআউট করতে লাগে অনেক টাকা, তবে সেটাকে সবাই মিলে করলে খরচ কমে আসে। গ্যাস পাইপ বসবে, একই সাথে চলে যাচ্ছে পানি, ফাইবার, তেল, বিদ্যুত্‍। সমন্বয় করার দ্বায়িত্ব ফোকাল পয়েন্টের। আর সেই সুবিধাটা নিয়েছে দেশটা।

৬৫৯.

ব্রডব্যান্ড প্রোমোশন এজেন্সি লাগবে কিনা – সেটা অনেকটাই নির্ভর করে দেশটার ‘লোকাল কন্ডিশনে’র ওপর। মানে ওই দেশের বর্তমান আইন ব্যবস্থা, সরকারী ‘প্রতিষ্ঠানগুলো’র কাজের ক্ষমতায়ন কতোখানি, ব্রডব্যান্ডে নেতৃত্ব দেবার মতো মানুষের ‘ক্যাপসিটি তৈরি’, আর সরকার এই এজেন্সিটাকে চালানোর জন্য পয়সা দিতে পারবে কিনা সেগুলো আসবে আস্তে আস্তে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য ব্যাপারটা ‘উচ্চাকাংখী’ মনে হলেও ব্রডব্যান্ড একটা দেশকে কোথায় নিতে পারে সেটা অনুধাবন করলে এই এজেন্সি জরুরী। এই এজেন্সি বসাতে জন্য যে প্রচুর পয়সা লাগবে তাও নয়। তথ্য, টেলিযোগাযোগ, আইটি আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে একীভূত করলে যে পয়সাটা বাঁচবে তাতেই হয়ে যাবে এজেন্সিটা। প্রযুক্তি মানে ‘জেনারেল পারপাজ টেকনোলজি’র মতো জিনিসকে মানুষের জীবনে ঢুকিয়ে দিতে পারলে দেশে চলে আসবে ‘সুশাসন’ আর ‘স্বচ্ছতা’। সাধারণ মানুষের চাওয়া এগুলোই। ব্যাস, দেশকে আর তাকাতে হবে না পেছনে। তবে, ‘ব্রডব্যান্ড টূলকিট’ বলছে আরো একটা গল্প। সরকারে সেই ‘জ্ঞান’টা না থাকলে নেতৃত্ব দেবে কে? ব্রডব্যান্ডকে ঠেলে সামনে নেবার জন্য প্রয়োজন ‘প্রজ্ঞা’সহ নেতৃত্ব। সেটাকে দিতে হবে সরকারকেই।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

Older Posts »

%d bloggers like this: