Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘ওয়াকম্যান’

Everybody has their own level of doing their music. … Mine just happened to resonate over the years, in one way and another, with a significant enough number of people so that I could do it professionally.

—Linda Ronstadt

দ্য ভেরি বেস্ট অফ লিণ্ডা রন্সট্যাড, অ্যালবাম কাভারটাও তুখোড়!

দ্য ভেরি বেস্ট অফ লিণ্ডা রন্সট্যাড, অ্যালবাম কাভারটাও তুখোড়! ভুল বলেছি?

৮৮॰

শুরু হয় গান শোনা – ‘অ্যাবা’ দিয়ে। আহ, কি আনন্দের দিন ছিলো সেগুলো! বড় প্লেয়ার ছিলো না বাসায়। গান বাজনার প্রচলন ছিলো না বলে যন্ত্রটা কেনেন নি বাবা মা। পরে আমাকে একটা ওয়াকম্যান কেনার টাকা দিলেন মা। অনেক দৌড়াদৌড়ি করে কেন হলো একটা ওয়াকম্যান। সস্তার মধ্যেই। ফরওয়ার্ড করা যেতো খালি। রিওয়াইন্ড মানে ওল্টাও ক্যাসেট, ‘প্রেস ফরওয়ার্ড’। ওল্টাও আবার। ‘প্রেস প্লে’! গান ঠিকমতো না পড়লে – ‘রিপিট ফুল সিকোয়েন্স’। কিনলাম সেটাই – পাওয়ার অ্যাডাপ্টার সহ। এতো ব্যাটারি কিনবে কে শুনি? আর ওয়াকম্যানের ‘হেড’ পরিষ্কার? সেটার জন্যও যোগাড় করলাম কিছু স্পিরিট। অল সেট। ক্যাসেট কিনলামও দুটো। ‘সুপার ট্রুপার’ আর ‘ডিপারচার’। বুঝতেই পারছেন প্রথমটা ‘অ্যাবা’র। পরেরটা জার্নি’র। আস্তে আস্তে চলে গেলাম হার্ড রকের দিকে। কিছুটা বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে।

৮৯.

আজকের লেখা ‘ডুয়েট’ নিয়ে। ডুয়েটগুলোকে সবসময় মনে হতো ‘মেলো’ ‘মেলো’। মানে পছন্দ ছিলো না আমার। ছেলেদের তো এই ধারার গান পছন্দ হবার কথা না। কেমন যেন ঠান্ডা ঠান্ডা। বয়সের সাথে পাল্টাতে থাকলো থাকলো গানের পছন্দের লিস্ট। আজ আর উল্টাবো না লিস্টটা। কাউন্টডাউন নয়। কবে আবার এই ‘ডুয়েট’ নিয়ে লিখবো তার আছে নাকি ঠিক! মনে আছে ‘লিণ্ডা রন্সট্যাডে’র কথা? সব মিলিয়ে তার অ্যালবাম আছে খুব বেশি না, মাত্র ১২০টা। বিক্রি হয়েছে ১০ কোটির বেশি কপি। বিক্রির দিক দিয়ে পৃথিবীর উপরের দিকের একজন শিল্পী। অপেরা, মুভি সব কিছুতেই আছে সে। তার বায়োগ্রাফীও ছিলো নিউ ইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলার লিস্টে। গানটা নিয়েছি ওর ‘দ্য ভেরি বেস্ট অফ লিণ্ডা রন্সট্যাড’ থেকে। শেষের আগেরটাই এটা। আমার পছন্দের ‘কম্পাইলেশন’ হলেও ‘দ্য বেস্ট অফ’ সাধারণত: কিনি না আমি। গানের ‘সিনার্জি’ নষ্ট হয় ওতে। ভুল বলেছি?

৯০.

বলতে হবে অ্যারন নেভিলের কথা? মানে, যার গলা শুনে মুর্ছা যায় মানুষ। মাল্টি প্ল্যাটিনাম সার্টিফায়েড আরেক গায়ক। যার সাথেই ডুয়েট গায়, সেই হয়ে যায় হিট। আমি জানি – আপনার পছন্দ ‘ডোন্ট নো মাচ’ ডুয়েটটা। আচ্ছা, পৃথিবীর সবাই এক দিকে গেলে আমাকেও যেতে হবে নাকি? তবে, এই গানটা শুনলে মনে পড়ে স্বাতী’র কথা। আমাকে ছাড়াই দিব্যি চালিয়ে নিচ্ছে সংসার, চাকরি। বাচ্চাগুলোর একাধারে ‘বাবা মা’ সে। আর, আমি থাকি বাইরে বাইরে। মনে হচ্ছে – আর নয় বেশিদিন এই বাইরে বাইরে থাকা। করে ফেলতে হবে কিছু। তো, রেডি? এক নম্বরে – মানে ডুয়েটে, ‘অল মাই লাইফ’। ওই দুজনের। গান, তাল আর লয় ভালো না লাগলে ফেরত্‍ কথা আমার! সত্যি! হাই-ডেফিনেশন কোয়ালিটির জন্য বেছে নিয়েছি ভিডিওটা। শুনলেই হবে গানটা। ভিডিও নয়। শুভরাত্রি!

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

%d bloggers like this: