Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘কান্ট্রি’

গান শোনেন যারা, মানে বর্তমান জমানার, তাদের কাছে প্রস্তর যুগের মানুষ আমি। মিথ্যা বলিনি। আসলেই তাই। আশির দশকের গান ‘শোনেআলা’কে বলবেই বা কি এখনকার মিলেনিয়ালসরা? ‘আউটডেটেড’ হয়ে গিয়েছি বহু আগে। সত্যি বলছি। মেশিন লার্নিংয়ে রেকোমেন্ডার সিস্টেম আমার মেজাজের অ্যালবাম বাছাই করে ভালো। নতুন গায়ক গায়িকারাও মাঝে মধ্যে অবাক করে এই ‘আউটডেটেড’ আমাকে।

Then I’ll run to him, big hug, jump in
And I cry for her out the window
Some mamas and daddies are loving in a straight line
Take forever to hearten and take a long sweet ride
But some mamas and daddies
Let their heartstrings tear and tangle
And some of us get stuck in a love triangle

বাবা মার সম্পর্ক নিয়ে তটস্থ থাকে বাচ্চারা। বোঝেও আগে তারা। সবার আগে। এটাও ঠিক – খারাপ জিনিসটার প্রভাব সবার আগে পড়ে সন্তানদের ওপর। বড়রা বোঝেন না অথবা বুঝতে চান না ওই সময়টাতে। দুপাশের ওই টানাপোড়েনের গান দিয়ে বিদেয় হই আমি। গানটার কথার সাথে ভিডিওটা আমাকে কাঁদিয়েছে কিছুটা সময়। ধন্যবাদ রেয়লিনকে। একটা চমৎকার পার্সপেক্টিভ দেবার জন্য।

#audio_rhassan

Read Full Post »

God gave me you for the ups and downs
God gave me you for the days of doubt
And for when I think I lost my way
There are no words here left to say, it’s true
God gave me you

– Blake Shelton

ব্লেক শেলটনকে ভালো লাগার শুরুটা অনেক আগে থেকেই। প্রথম অ্যালবামটা অতটা না টানলেও পরেরগুলো মন ভালো করে দিচ্ছিলো আস্তে আস্তে। গলা সুন্দর। ভরাট। যুক্তরাষ্ট্রের সাদার্ন সাইডে থাকার বড় সুবিধা ছিলো একটাই। শত শত কান্ট্রি স্টেশন। রেডিও এয়ারপ্লে মানেই ‘কান্ট্রি ওয়েস্টার্ন’ আর ‘ক্রস-ওভার’। ক্লাসিক কান্ট্রি নয়। সময়ের সাথে মনও গেছে পাল্টে। ক্লাসিক টানে না আর।

‘ক্রস-ওভার’ হচ্ছে পপ আর কান্ট্রি’র মিশ্রণ। অন্যদের কেমন লাগে সেটা অতটা না জানলেও নিজের ভালো লাগে বলে সই। ব্লেকের সাথে পুরোনো রোমান্স ফিরে এলো ওর ২০১১এর অ্যালবামটা শুনতে গিয়ে। নামটাও অদ্ভুত। তবে সুন্দর। রেড রিভার ব্লূ। মজার কথা হচ্ছে আমার ছেলের পছন্দ কেমন করে জানি মিলে গেছে একটা গানে। আমার সাথে।

সুন্দর গান একটা। না শুনলে বোঝাতে পারবো না কী মিস করছেন আপনারা। ‘গড গেভ মি ইউ’ গানটার পেছনের গল্পটা আরো সুন্দর। যতদূর মনে পড়ে, এটা লিখেছিলেন ডেভ বার্নস বলে আরেকজন ‘ক্রিশ্চিয়ান’ ঘরানার গায়ক। ঠিক তাই। ডেভ বার্নস। গানটা লিখেছিলেন তার স্ত্রী’র কথা মনে করে। নতুন গায়ক হিসেবে জীবনের উঁচু নিচু রাস্তায় চলতে গিয়ে স্ত্রী’র পুরো সময়ের সাপোর্ট তাকে ভাবাচ্ছিল অনেকদিন ধরেই। শেষে একদিন লণ্ডনের রাস্তায় চলতে চলতে মনে এলো এর লাইনগুলো। সত্যিই তাই। গানের প্রতিটা পরতে পরতে ফুটে উঠেছে কৃতজ্ঞতা।

তবে, আর্টিস্টদের স্ত্রী’রা দজ্জাল হয় বেশি। সেটার আবার বেশীরভাগ হয় ওই মানুষটার কারণে। ভক্তদের ছোঁক ছোঁক করার কারণে হয়তোবা। ট্রেন্ড দেখলে বোঝা যায় ব্যাপারটা। ফিরে আসি হাঁটার প্রসঙ্গে। যতো লেখক আছেন, তাদের মাথায় সব আইডিয়া ঢোকে হাঁটতে হাঁটতে। কেউ হাঁটে রাস্তায়। কেউবা পার্কে। সব কিন্তু বাইরেই। বিশ্বাস হচ্ছে না? বড় বড় লেখকদের তাদের লেখা নিয়ে জানতে চাইলে হাঁটার কথাই বলেন।

বার্নসের গানটা প্রভাবিত করে শেলটনকে। গানটার কারণেই মিরাণ্ডা ল্যামবার্টকে প্রস্তাব দেন এই গায়ক। গার্লফ্রেণ্ড ল্যামবার্টকে চিনবেন সবাই। কান্ট্রি’র আরেক উজ্জল ‘নক্ষত্র’ গায়িকা। পিস্তল অ্যানিজ’এর তিনজনের একজন। তাদের বিয়ের আগের রাতের ফুটেজটা জুড়ে দেয়া আছে সেলটনের এই মিউজিক ভিডিওতে। মিরান্ডাকে এই বিয়েটাকে নিয়ে অনেক আশাবাদী হবার কথা শোনা গিয়েছিলো অনেকগুলো ‘গসিপ’ ম্যাগাজিনে। শেষ পর্যন্ত থাকতে পারেনি তারা। একসাথে।

Read Full Post »

Sometimes I feel my heart is breaking
But I stay strong and I hold on cause I know
I will see you again,
This is not where it ends
I will carry you with me … @Carrie Underwood

২২৮.

জর্জিয়া থেকে ফিরলাম নিউ ইয়র্কে। আমেরিকার ভেতরের টিকেটটা ওভাবেই করে দিয়েছিলো স্টেট ডিপার্টমেন্ট। গিয়ে উঠলাম লঙ আইল্যান্ডে, ক্যাডেট কলেজের বন্ধুর বাসায়।

দোস্ত, সাদার্ন অ্যাকসেন্ট তো ধরে ফেলেছে তোকে।

বলিস কি? টরকাতে চাইলাম। বুঝলি কিভাবে?

একটু আগে ফোনে কথা বলার সময় শুনলাম।

মনে পড়লো, কথা বলছিলাম টেনেসির এক বন্ধুর সাথে।

হতে পারে। কম থাকা হয়নি ওখানে। জর্জিয়া আর সাউথ ক্যারোলাইনার মানুষগুলো বেশ বন্ধুবত্‍সল। কথা বলতে পছন্দ করে আমাদের মতো। ইয়াংকিদের মতো নয়, অন্ততঃ। টান পড়াটা স্বাভাবিক।

২২৯.

ছোট বেলা থেকে বড় হয়েছি কান্ট্রি আর ক্রসওভার শুনেই। ওয়ার্ল্ড হারভেস্ট রেডিওর কল্যানে। সৃষ্টিকর্তা মনে হয় আমার কথা শুনলেন। আর সেকারণে ফেললেনও সাদার্ন অংশে। ওখানকার মিলিটারি বেজ থেকে যিনি আমাকে ওই ছোট্ট এয়ারপোর্ট থেকে নিতে এসেছিলেন – তাকে না চেনার উপায় নেই। ছোট এয়ারপোর্ট মানে সপ্তাহে নামে কয়েকটা সেশনা বা ড্যাশ প্লেন। আমার প্লেনে ছিলাম মোটে তিনজন। সাভান্নার ওপর দিয়ে উড়ে আসার সময় দেখলাম আসল সাভান্না। ছোটবেলায় পড়েছিলাম, সেটাই দেখতে দেখতে আসলাম। গাছ আর গাছ – বিশাল বন আর শেষ হয় না। বনেই ফেলবে নাকি শেষ পর্যন্ত? আতংকে রইলাম।

২৩০.

গাড়িতে আসতে আসতে কয়েকটা চমৎকার কান্ট্রি শুনে ফেললাম। স্টেশনটার নাম হচ্ছে ডাব্লিউ-বি-বি-কিউ। বোঝাই যাচ্ছে স্টেশনের কল সাইন ওটা। দিন গড়াতে শুরু করলো। কান্ট্রির দেশে এসে মেমফিস আর ন্যাশভিলে না ঘুরলে কেমন হয়? কনসার্ট দেখেও ফেললাম অনেকগুলো। আমার জনরা* হচ্ছে কান্ট্রি ওয়েস্টার্ন। তবে সেটা পাল্টে যাচ্ছে ক্রসওভারে। ক্রসওভার হচ্ছে কান্ট্রির সাথে অন্য কোনো জনরার মিশ্রন। সেটা পপ বা রক হলে অসুবিধা কি? উদাহরন দিলে পরিস্কার হবে সবার। ডলি পার্টন আর কেনি রজার্স নিজেদেরকে ওই ‘মেলো’ কান্ট্রির মধ্যে আটকে রাখেননি। ঈগলস, উইলি নেলসন, অ্যান ম্যারি, ক্রিস্টাল গেইল সবাই কান্ট্রির সাথে মিলিয়েছেন পপকে। খ্যাতি পেয়েছেন আমেরিকার বাইরে।

২৩১.

এ জমানার আপনার পরিচিত কান্ট্রি গায়ক/গায়িকার প্রায় সবাই পড়েছেন এই ক্রসওভারে। গার্থ ব্রুক, শানিয়া টোয়াইন, ফেইথহিল, ডিক্সি চিক্স, লিয়ান রাইমস – আর কার নাম বলবো? লি অ্যান ওম্যাক? আমেরিকান আইডল থেকে উত্থান পাওয়া সব গায়ক পরে কান্ট্রি অথবা ক্রসওভারে গিয়েছেন। গলার কারুকাজ দেখাতে হলে ব্লুজ আর কান্ট্রির বিকল্প নেই। এখন আসি ‘ক্যারি আন্ডারউড’কে নিয়ে। ‘ক্যারি’ নামটার উপর দুর্বলতা আমার ওই ইউরোপের গানটার পর থেকে। ঝামেলাটা আরো বাড়লো স্টিফেন কিংয়ের সাথে। তার বইয়ের নামও ওই ক্যারি দিয়ে। মুভিও হচ্ছে নাকি বইটাকে ঘিরে। অজ পাড়াগাঁ থেকে উঠে এসেছেন এই ক্যারি আমেরিকান আইডল হয়ে। বাবা কাজ করতেন স-মিলে। মা পড়াতেন একটা এলিমেন্টারি স্কুলে। সব ধরনের ‘ওড’ জব করে এসেছেন এই ক্যারি। ছোটবেলা থেকে গান করে এলেও জীবনযুদ্ধে না পেরে ওটা ছেড়ে দিয়েছিলেন মেয়েটা। তারপরের ঘটনা সবার জানা।

২৩২.

ক্যারির অনেকগুলো অ্যালবামই আমার কেনা। ইউএস মিলিটারি বেজে থাকার ফলে সাধারণ মার্কিনীদের মনোভাব জানতে পেরেছি কিছুটা। সেনাবাহিনীর ব্যাপারটা তারা নিয়ে আসে অনেক জায়গায় – তাদের ঐকতা অর্থাৎ ‘ইউনিটি’ বোঝানোর জন্য। সেনাবাহিনী মানে লাস্ট রিসোর্ট, যারা তাদেরকে সাহায্য করবে – সকল দুর্যোগে, রাজনীতি ছাড়া অন্য সব বড় বড় সমস্যায়। হাজার হাজার মুভি হয়েছে এই সেনাবাহিনীর উপর ভরসার গল্প দিয়ে। কান্ট্রি আর্টিস্টদের মধ্যে প্রচুর মিউজিক ভিডিও তৈরী করার প্রবণতা রয়েছে এই সেনাবাহিনী নিয়ে। মোস্টলি, দেশ যখন দুর্যোগে পড়ে। আর সেকারণে আজকের এই লেখা।

২৩৩.

ক্যারি আন্ডারউডের নতুন অ্যালবামের ‘সি ইউ এগেইন’ গানটা মৃত্যুর মতো শক্তিশালী একটা থিমের উপর তৈরী করা। মৃত্যুর পর স্বর্গে গিয়ে তার ভালবাসার মানুষগুলোর সাথে আবার দেখা হবার কথা এসেছে এই গানটাতে। ‘মৃত্যুই শেষ নয়’, ক্যারির কথা গানটা নিয়ে – ‘আমি স্বর্গে বিশ্বাস করি মনে প্রাণে। সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন আর তার কাছে যেতেই হবে একদিন। পৃথিবীতে আমাদের প্রিয়জনদের হারানোটা খুবই কষ্টের। তবে, আমরা শুধু বিশ্বাসই করি না – জানি যে তাদের সাথে দেখা হবে আবার। এর থেকে খুশির আর আনন্দময় কি হতে পারে বলুনতো? বিস্ময়কর বটে। এব্যাপারটা নিয়েই গানটা।’

২৩৪.

মিউজিক ভিডিওটা আরেক কাঠি ওপরে। যুদ্ধফেরৎ ছেলে, বাবা আর পরিবারের সাথে ‘রি-ইউনাইটেড’ হবার সত্যিকারের ফুটেজ নিয়ে তৈরী করা এই ভিডিওটা আমার বাধ্য করেছে হাজারবার দেখতে। ওকলাহোমার ট্রাজেডি আর টর্নেডো পরমুহুর্তের অংশগুলো স্পর্শ করবে আপনাকে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা, সমাধিপ্রস্তর, শেষকৃত্যের প্রোগ্রাম বা আলিঙ্গনের মধ্যে অনেক গল্পই এসেছে এই ভিডিওটাতে। মৃত্যু, বার্ধক্য, জীবন আর ভালবাসা সংক্রান্ত ফুটেজগুলো চলছে কনস্ট্যান্ট লুপে – আমার পিসিতে। ভিডিওটা হাই ডেফিনেশন হওয়াতে এটা ডাউনলোড করে নিতে পারেন বার বার দেখার জন্য। ক্যারির শক্তিশালী কন্ঠ আর ব্যাকআপ সিঙ্গারদের হামিং মুগ্ধ করবে আপনাকেও।

০০:৩৫

মন ভেঙ্গে গিয়েছে এই ছোট্ট মেয়েটার কথা চিন্তা করে। যুদ্ধফেরৎ বাবার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানটার কথা মনে রাখবে এই ছোট্ট মেয়েটা। সারাজীবন। খুবই কষ্টকর – তবে দেখা হবে আবার।

০১:০২

যুদ্ধফেরৎ ন্যাভাল সৈনিক আর তার প্রেমিকার মিলনের দৃশ্য। সাধারণ বটে, তবে মেয়েটার লজ্জা ছেড়ে দৌড়ানোর দৃশ্যটা কম মোহনীয় নয়। ভালবাসা বলে কথা। তবে এক সৈনিক আরেকজনের ব্যথা বুঝবে বলে ওই ধারণা থেকেই লিখছি। ভুলো মন আমার, লক্ষ্য করেছেন মেয়েটার পোশাকটা? জ্যাকেটের নিচে? বিয়ের পোশাকেই এসেছে কিন্তু মেয়েটা!

০১:১৬

নানার অবাক হবার দৃশ্য। নাতির কোনো জড়তা কাজ করছেনা এখানে। নানার মাথায় ঢুকে দেখেছেন কখনো?

০১:৪৬

ক্যারির ‘আই ক্যান হিয়ার দোজ একোজ ইন দ্য উইন্ড অ্যাট নাইট’ অংশটা শুনুন ভালোভাবে। ‘অ্যাট নাইট’ অংশটার টানটা খেয়াল করেছেন তো? স্বর্গীয়!
০২:১১

বাচ্চাটার চোখ দেখেছেন, পুরো ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন? অসম্ভব পজিটিভ একটা স্ন্যাপশট। বাচ্চাটা নিশ্চয়ই তার খুব প্রিয় কাউকে দেখছে ওই মুহুর্তে।

০২:১৬

আমার ধারণা, যুদ্ধফেরৎ ছেলে হটাৎ করেই চলে এসেছে দেশে। মাকে সারপ্রাইজ দেবার জন্য লুকিয়ে বারে গিয়ে পানীয় দিতে গিয়ে এই অবস্থা। দেখেছেন মায়ের অবাক হবার ধরনটা? মা বলে কথা। ছেলের কথা চিন্তা করতে করতে মার অবস্থা শেষ! বলে গেলে কি হতো?

০২:২৬-০৩:৩১

যুদ্ধফেরৎ স্বামীর সাথে স্ত্রীর যোগ হবার দৃশ্য। কোলে ছোট বাচ্চাটা। চুমুর দৃশ্য হলেও স্ত্রী কাঁদছেন অঝোরে। খুশির কান্না তো বটে। স্বামী ছাড়া বছরগুলো কিভাবে কেটেছে সেটা জানার জন্য তার মনের ভেতরে ঢোকার প্রয়োজন নেই। আমার স্ত্রীও পায়নি আমাকে বিয়ের প্রথম পাঁচ বছর। বাচ্চা দুটো হবার সময়েও পাশে থাকতে পারিনি ওর। সুখদুঃখ স্থান কাল পাত্র ভেদে এক বলে আমার ধারণা। ইউএস মিলিটারি বেজে যুদ্ধে যাওয়া সৈন্যদের স্ত্রীদের দেখেছি – অবর্ণনীয় কষ্ট।

০২:৫৪ – ০৩:০১

তিন মাসের মেয়েটাকে ফেলে পাড়ি দিয়েছিলাম আটলান্টিক। নেমেই থাঙ্কসগিভিংয়ের ছুটি। পুরো বেজই ফাঁকা। পাগল হয়ে গেলাম। পাগল হয়ে গেলাম মেয়েটার জন্য। কাঁদলাম দুদিন ধরে। ফিরতে চাইলাম দেশে। সে অনেক কথা। ফুটেজটা আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করাতে বাধ্য। এমনিতেই চুইছিলো হৃদয়টা। যুদ্ধফেরৎ বাবার জন্য তিন চার বছরের মেয়েকে এগিয়ে দিলো মা আর আর তার আত্মীয়রা। মেয়ে কিছুটা আড়স্ট হয়ে রইলো প্রথম কয়েক সেকেন্ড। দেখা গেলো বাবাকে – বেশ দুরে। মেয়ের জড়তা রইলো না আর। শুরু হলো হান্ড্রেড মিটার স্প্রিন্ট।

০৩:০২

দৌড় আর দৌড়। কিন্তু, একি? শেষ হচ্ছে না কেন দৌড় –  মেয়েটার? আমার হৃত্‍স্পন্দন বাড়তেই থাকলো। নিশ্বাস বন্ধ করে বসে রইলাম আমি। আহ! শেষ হলো দৌড়ের গল্প। বাবা ধরে ফেললো বড় ভালুকের মতো – পরম মমতায়। অতটুকু মেয়ের খুশি দেখে কে? বিশ্বজয় করে ফেলেছে মেয়েটা! বাবার আকুলিবিকুলি হৃদয় ঠান্ডা হলো বলে। এই মুহূর্তগুলোরই জন্য বেঁচে থাকি – প্রতিনিয়ত!

আরেকটা জিনিস, ক্যারির ওয়ার্ডড্রোবটা মানিয়েছে চমৎকারভাবে। ভুল বলেছি?

* genre = বিশেষত শিল্পসাহিত্যের প্রকরণগত রীতি , ধরণ , শৈলী , গোত্র , ঘরানা

Read Full Post »

%d bloggers like this: