Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘গুগল’

True intelligence operates silently. Stillness is where creativity and solutions to problems are found.

― Eckhart Tolle, Stillness Speaks

১৯.

এখন তো বড় বড় টিভি বানাচ্ছে স্যামস্যাং। ওরকম একটা বড় টিভির এলইডি প্যানেলের খুব কাছে দাড়ালে ছোট ছোট ডট ছাড়া আর কিছু দেখার কথা নয়, কি বলেন? সেকেন্ডে শতবার পাল্টানো ওই স্ক্রীনে কি হচ্ছে সেটা বোঝার উপায় আছে কি? ওই জায়ান্ট স্ক্রীন থেকে দূরে দাড়ালেই বরং পুরো ক্যানভাসটা ভেসে আসবে চোখে। আমাদের জীবনটাও ক্যানভাস একটা। ‘বিগ পিকচার’ পেতে হলে সচরাচর জীবন থেকে নিতে হবে ‘ব্রেক’। ওয়ান্স আ হোয়াইল। যেকোন সমস্যার সমাধানে ওই সমস্যা থেকে বের হয়ে সমাধান করার মতো। আপনাকে তো সময় পার করার জন্য পাঠানো হয়নি এই নশ্বর পৃথিবীতে। মনে আছে স্টিভ জবসের ‘পুট আ ডেণ্ট ইন দ্য ইউনিভার্স’ কথাটা? ‘মহাবিশ্বে টোল খাওয়ানোর জন্য এসেছি আমরা। সেটা না হলে এখানে থাকাই বা কেন?’ জীবনের হাজারটা জিনিস ‘ঘটতে থাকে’ এই আমাদেরই মাথার ভেতর, কি বলেন? আমাদের স্মৃতি, কল্পনা, ইন্টারপ্রেটেশন, জল্পনা, ভাবনাচিন্তা আর স্বপ্ন চলছে প্রতিমূহুর্তে – আমাদের মনে। তার মানে হচ্ছে, আপনার জীবনকে পাল্টাতে হলে প্রথমেই পাল্টাতে হবে আপনার মনকে। আপনাকে মানে নিজেকে না চিনলে মনকে কিভাবে নিয়ে আসবেন হাতের নাগালে?

২০.

সমাজ নিয়ে যারা কাজ করেন তারাই তো সমাজ বিজ্ঞানী, তাই না? তাদের একটা নতুন গবেষণা পড়ছিলাম দিন কয়েক আগে। যদিও এটা তৈরি করা হয়েছে ‘মার্কিনী’দের ওপর, আমি এখানে কোন ভিন্নতা দেখিনা – আমাদের সাথে। গত পঞ্চাশ বছর ধরে যে হিসেব পাওয়া গেছে সেখানে আমরা আসলেই কাজ করছি কম। মানে, কমে গেছে আমাদের ‘কোয়ালিটি’ কাজের সময়। আমরা মনে করছি, অনেক বেশি কাজ করছি আগে থেকে, তবে আউটপুট বলছে অন্য কথা। কারণ, আমরা সময় নষ্ট করছি ‘ফালতু’ কাজে। যতো বেশি ‘টাইম সেভিং’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করছি সময় বাচানোর জন্য, ততো কমছে ‘নিজেদের’ সময়। আমরা সেকেন্ডে যোগাযোগ করতে পারছি পৃথিবীর ওপর প্রান্তের মানুষের সাথে, তবে ওই প্রসেসে হারিয়ে ফেলছি নিজের সাথের যোগসূত্র। নিজেকে চেনার সময় নেই বলতে গেলেই চলে।

২১.

চুপি চুপি বলি একটা কথা। বলবেন না তো কাউকে? জনাব পিকো আয়ারের মতো অনেক দেশ ঘোরার সুযোগ হয়েছিল আমার। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানীগুলোতে। সান-ফ্রান্সিসকো, সিলিকন ভ্যালি, টোকিও, সিংগাপুর, মিউনিখ, লণ্ডনের সিলিকন রাউন্ডাবাউট, হায়দারাবাদ, ঢাকার বেশ কিছু প্রযুক্তি কোম্পানীগুলোকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার। যারা আমাদেরকে প্রযুক্তির হাজারটা অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে বাঁচিয়ে দিয়েছেন ‘সময়’, তারাই বরং বিশ্বাস করেন প্রযুক্তির ব্যবহার ‘সীমিত’ করতে। তারা ‘এগজ্যাক্টলি’ জানেন, কখন বন্ধ করতে হবে ওই যন্ত্রপাতির ব্যবহার। ফেসবূক তৈরি করে মার্ক জুকারবার্গ পড়ে থাকেন না ফেসবুক নিয়ে – অন্তত: আমাদের মতো। গুগলের হাজারো প্রোডাক্ট নিয়ে বসে থাকেন না তাদের প্রতিষ্ঠাতারা। বরং মানুষকে অমরত্ব দেবার প্রজেক্টে ঢালছেন বিলিয়ন ডলার। প্রযুক্তি তৈরি করেন যারা তারা ভালো ভাবেই জানেন কখন বন্ধ করতে হবে ওটার ব্যবহার। গূগলের মূল প্রোডাক্ট ‘সার্চ ইঞ্জিন’ হলেও তাদের প্রযুক্তিবিদরা ব্যস্ত ‘ইনার সার্চ ইঞ্জিন’ নিয়ে। নিজেকে না চিনলে অন্যদের চিনবেন কিভাবে? অন্যদের না চিনলে অন্যদের জন্য ‘প্রোডাক্ট’ তৈরি করবেন কিভাবে? বিশ্বাস হচ্ছে না কথাটা? গুগল হেডকোয়ার্টারে তো গিয়েছেন অনেকে, জিজ্ঞাসা করুন তাদেরকে।

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

“That’s what education should be,” I said, “the art of orientation. Educators should devise the simplest and most effective methods of turning minds around. It shouldn’t be the art of implanting sight in the organ, but should proceed on the understanding that the organ already has the capacity, but is improperly aligned and isn’t facing the right way.”

― Plato, The Republic

৫৯৭.

আসলো তো ইনভেস্টমেন্ট। পয়সা কার? ইনভেস্টরদের। বললেন আপনি। ব্যবসা যেখানে আছে সেখানেই তৈরী হবে কাভারেজ। ব্রডব্যান্ডের। মানে ঢাকা, চট্টগ্রাম আর বিভাগীয় শহরগুলোতে। বাকি জায়গা কি থাকবে খালি? তারা মানুষ নয় দেশের? মনে রাখতে হবে ইনভেস্টররা আসেননি ‘চ্যারিটি’ করতে। করবে না কেউ। করবো না আমি আপনিও। এটাই নীতি ব্যবসার। যেখানে টাকা আসবে সেখানে নিয়ে যাবেন ব্যবসা। এর বাইরে নয়। সেখানে কাজ করতে হয় রাষ্ট্রকে। এই ‘ব্যালান্সড’ কাজের জন্য দরকার ‘মেধাভিত্তিক’ পার্টনারশীপ। বলতে দ্বিধা নেই – আমাদের মেধার একটা বড় অংশ আছে ইন্ডাস্ট্রিতে। মেলাতে হবে হাত। চতুর্থ প্রজন্মের রেগুলেশনে এই পার্টনারশীপটার কথাটা এসেছে বার বার। যেখানে ব্যবসা নেই সেখানে কেন যাবেন তারা? ওখানেই দরকার ইনোভেশন!

৫৯৮.

রাষ্ট্রের কাজেই ইনভেস্টরকে ওই ব্যবসাহীন জায়গায় নেবার মেধাভিত্তিক ‘কারুকাজ’ করতে হবে সরকারকে। যেখানে ভালো ব্যবসা নেই সেখানে নেবার একটা ভালো টুল হচ্ছে ‘ডিমান্ড এগ্রিগেশন’। গল্পটা শুনেছিলাম এফসিসি’র আন্তর্জাতিক ব্যুরোর চীফের কাছ থেকে। দুহাজার নয়ে। ফেডারাল কমিউনিকেশন কমিশনের চেয়ারম্যানের সাথে প্রথম পরিচয় ওই লেবাননেই। লিংকডইনে এক ডিগ্রীতেই আছেন উনি। ব্যুরোর চীফ মহিলা ভীষণ মিশুক। গ্লোবাল ‘সিম্পোজিয়াম ফর রেগুলেটর’ মিটিংয়ে চেয়ারম্যানের সাথে এসেছিলেন উনি। লাঞ্চ ব্রেকে কথা হলো মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের ব্রডব্যান্ড প্ল্যান নিয়ে।

৫৯৯.

ওই দুহাজার দশে বের হলো ওদের ন্যাশনাল ব্রডব্যান্ড প্ল্যান, ‘কানেক্টিং আমেরিকা’। যেই পড়বে – অবাক হবে এর বিশালতা নিয়ে। কি নেই এতে? সোশ্যাল সার্ভিস থেকে হেলথকেয়ার, কর্মক্ষেত্র তৈরী, শিক্ষাব্যবস্থা, এনার্জি ম্যানেজমেন্ট আর রাজনীতি – কি নেই এতে? পাবলিক সেফটি নেটওয়ার্ক? বিপদে মানুষ। ডাকবে কাকে? রাষ্ট্রকে। সবকিছুর একটা প্যাকেজ – এই প্ল্যান। ওর ছয়টা ‘গোল’ পড়লে পরিস্কার হবে সবকিছু। উনিই ধরিয়ে দিলেন কয়েকটা টুল। আমাকে। তার একটা – ডিমান্ড এগ্রিগেশন। ইনভেস্টরদের দেখিয়ে দিতে হবে বিজনেস কেস। তাহলে সরকার যা চায় হবে তাই। সরকারের দরকার সংযোগ আর ওদের দরকার বিজনেস কেস। উইন উইন সিচুয়েশন!

৬০০.

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে ব্রডব্যান্ডের চ্যালেঞ্জ ভয়াবহ। বিশাল দেশ, মানুষ আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। হাজারো রাস্তা আছে যেখানে মানুষ যায় কালেভদ্রে। কবে মানুষ আসবে একটা, আর তার জন্য বিটিএসগুলো হাওয়া খেতে থাকবে বছরের পর বছর। এর ইনভেস্টমেন্ট ওঠা তো দুরের কথা, হয় না কোন বিজনেস কেসই। সে তুলনায় এশিয়া প্যাসিসিক হচ্ছে মোবাইলের আড্ডাখানা! জিএসএমএ’র রিপোর্ট অনুযায়ী পৃথিবীর অর্ধেক মোবাইল সংযোগ আছে এই এশিয়া প্যাসিসিকে! চোখ সরু করে দেখছে পুরো দুনিয়া। এই ছোট জায়গাটাকে।

৬০১.

বুদ্ধিমান ‘গুগল’ সবার ট্রাফিক এনালাইসিস করে পয়সা ঢেলেছে ‘ইউনিটি’ সাবমেরিন ক্যাবলে। ভারতী এয়ারটেল, সিংটেল, কেডিডিআই, প্যাকনেট আর গুগল মিলে তৈরী করেছিলো ওই ক্যাবল। বছর পাঁচেক আগে। আরেকটা সাবমেরিন ক্যাবল নিয়ে আসছে গুগল। পয়সা তো সব এখানে। এশিয়া প্যাসিফিক হচ্ছে ‘হ্যাপেনিং প্লেস’। সেকারণে বাংলাদেশে বিজনেস কেস অনেক সোজা। নীতিনির্ধারকদের ঠিক করতে হবে কি চান তারা। আমাদের এখানে একটা বিটিএসের সিগন্যাল অনেকদুরে গেলেও স্বল্প জায়গায় হাজারো মোবাইল থাকায় সাপ্লাইয়ের থেকে ডিমান্ড বেশি! মানে ছাড়তে হবে আরো ফ্রিকোয়েন্সি! আমাদের লিডিং মোবাইল অপারেটর দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্টিকে সংযোগ করছে মাত্র বিশ শতাংশ ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে। এটার টুল হচ্ছে ‘স্পেকট্রাম ক্যাপ’। আলাপ করবো সামনে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

Kings will be tyrants from policy when subjects are rebels from principle.

– Edmund Burke, Reflections on the Revolution in France

৫২১.

ফিরে আসি সমস্যায়। বছর তিনেক আগে ইউটিউব নিয়ে আলাপ হচ্ছিলো গুগলের সাথে। এরপর মাঝে মধ্যে কথা হতো বিভিন্ন ব্যাপার নিয়ে। আমাদের ধর্মীয় ব্যাপারগুলোতে কনটেন্ট সেন্সরশীপ নিয়ে আলাপ করতে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের কিছু রেগুলেশন নিয়ে ঘাটতে হচ্ছিলো। অনেকবারই। কনটেন্ট মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে থাকলে আমাদের নীতিমালা খাটে না, তবে সেটা অন্যদেশে থাকলে গুগল মানবে সেদেশের নীতিমালা। কথা চলছিলো টুইটার আর ফেইসবুকের সাথে। একই টাইমলাইনে। শুরু হয়েছিলো শর্টকোড নিয়ে। ওদের অফিসেও গিয়েছিলাম মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে। ছুটিতে থাকার সময়ে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে – বাংলাদেশে গুগল সার্ভিসগুলোর কনটেন্ট হোস্টিং করলে লাভ সবার। সাবমেরিন ক্যাবল দিয়ে বাইরের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ কিনতে হবে কম। কম মানে যা তা কম নয় – অনেক কম। গ্রাহকদের ইন্টারনেট এক্সপেরিয়েন্স হবে পাশের বিল্ডিংয়ের সার্ভারের মতো। ক্লিক করার আগেই হাজির পেজ।

৫২২.

গুগল দেশে আসলে আসবে ফেইসবুক, আর আসবে হাজারো ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক। কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের কাজ হচ্ছে গ্রাহকদের কতো কাছ থেকে কতো বেশি কনটেন্ট দেয়া যায়। হাজারো পেটেণ্ট হয়েছে তাদের এই প্রযুক্তিতে। কোম্পানির হোম পেজ একটা। তবে সেটাকে জিয়োগ্রাফিকালি রেপ্লিকেট করা হচ্ছে এলাকা ভিত্তিক। ফলে বাংলাদেশ থেকে কেউ ফেইসবুক ক্লিক করলে সেটা মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে না পাঠিয়ে পাঠাবে আমাদের দেশের ভেতরের কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কে (সিডিএন)। দাম দিতে হবে না দুরের রাস্তার। ফেইসবুকে ক্লিক করলে আপনার আইএসপি পাঠিয়ে দেবে দেশের ভেতরের সিডিএনে। আইআইজি মানে ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে পার হতে হবে না কখনই। দাম কমবে না মানে? সবার চিন্তা একটাই। কতো সহজে আর কতো তাড়াতাড়ি লোড হবে গ্রাহকদের পেজ। তাহলে গ্রাহক থাকবে ওদের পেজে বেশি সময়। কনটেন্ট দেশের ভেতরে থাকাতে ইন্টারনেটের দাম নেমে আসবে অর্ধেকে। সে হিসেব নিয়ে আসছি পরে।

৫২৩.

আজকের টুল, ইন্টারমিডিয়ারী লাইয়াবিলিটি প্রটেকশন। মাফ করবেন। না পারতে – একটা আইনগত সঙ্গা ঝুলি থেকে বের করতে হচ্ছে আমাকে। ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো চাওয়া একটাই। অন্যের কনটেন্টের জন্য কোর্ট কাচারী করো না আমাকে। প্রশ্ন হচ্ছে – ‘ইন্টারনেট ইন্টারমিডিয়ারী’ কারা? আর কনটেন্ট তৈরী করে কারা? ইন্টারনেটের কনটেন্ট তৈরী করছে সাধারণ মানুষ। ছবি আপনার। তুলেছেন আপনি। আপলোড করছেন আপনি। গুগল বা ফেইসবুক নয়। অথবা মিডিয়া কোম্পানিগুলো। পত্রিকা অফিস তৈরী করছে তাদের অনলাইন কনটেন্ট। তাহলে ‘ইন্টারমিডিয়ারী’ কারা? আইএসপি, সার্চ ইঞ্জিন আর সোশ্যাল মিডিয়া সার্ভিসটা হোস্ট করে তাদের প্ল্যাটফর্ম দিয়ে। অথবা পাইপ তৈরী করে দিয়ে। সোজা কথায় – যারা এনাবলার। বাজার বা রাস্তা ইজারা দেবার মতো। কে কি বেচবে সেটা তার ব্যাপার।

৫২৪.

ঝামেলাটা অন্য জায়গায়। এদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা থাকায় সরকারগুলো চাপ তৈরী করে এই ইন্টারনেট ইন্টারমিডিয়ারী’দের ওপর। কনটেন্ট সেন্সরশিপের জন্য যারা বলছেন – তারা কিন্তু বলছেন না ওই মানুষটাকে। যিনি আপলোড করেছেন বা লিখেছেন। দেশগুলো দোষ দিচ্ছে ইন্টারমিডিয়ারীদের। অথচ, সে জানেই না কে কি লিখেছে? আবার কোন কোন কনটেন্ট সেন্সরশিপে পড়বে এটার পরিস্কার নীতিমালা না থাকায় ‘ইন্টারমিডিয়ারী’রা দেশগুলোর চাপে মুছে ফেলে কনটেন্ট। তখুনি শুরু হয় আরেক গল্প। মানুষের ভাব প্রকাশের আইনগত অধিকার খর্ব হওয়াতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচন্ড চাপে পড়ে তারা। মানে পুরোপুরি স্যান্ডুইচড! ফলে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো কোনো দেশে আসতে চাইলেও তারা কিছু ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চায় আগে ভাগেই। অনেক টাকার ইনভেস্টমেন্ট করতে গেলে আপনিও চাইবেন তাই।

৫২৫.

কনটেন্ট দেশে থাকলে সেই দেশের নীতিমালা মেনে চলবে সে। মানে ইন্টারমিডিয়ারীরা। যারা প্ল্যাটফর্ম দিচ্ছে মূলতঃ। কোন কনটেন্ট দেশের নীতিমালা বিরুদ্ধ হলে যার কনটেন্ট – দায়ী করতে হবে তাকে। কারণ, এটা ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট। সেটার জন্য আদেশ দিতে হবে স্বাধীন একটা লিগাল এনটিটি থেকে। অনেক দেশে দেখেছি – কোর্ট অর্ডার কাজ করে বেশি। তখন ইন্টারমিডিয়ারীরা মুছে ফেলবে নিয়ম মেনেই। যার কনটেন্ট সরানো হবে তাকেও তার মতামত দেবার সুযোগ দিতে হবে। মুছে ফেলার নির্দিস্ট একটা নীতিমালা চায় তারা। একেকজনের জন্য একেক আচরণ হলে আন্তর্জাতিকভাবে বিপদে পড়বে ওরা। তার আগেই যদি সে দেশ আইনগত ব্যবস্থা নেয়? দেশ যে তা নেবে না সেটার নিশ্চয়তা চায় তারা। আবার সেই কনটেন্টের মালিক যদি সুবিচার চেয়ে মামলা করে? মানে কেন তার কনটেন্ট মুছে ফেলা হলো?

[ক্রমশঃ]

Read Full Post »

%d bloggers like this: