Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘টাইম ম্যানেজমেন্ট’

Time is an illusion. Lunchtime doubly so.

– Douglas Adams, Humorist & sci-fi novelist (1952 – 2001)

০.

পৃথিবী জয় করতে চাই আমরা সবাই। হিসেব করে দেখা গেছে আমরা যারা পারছি না, তাদের বিশাল একটা ‘ছুতা’ হচ্ছে – সময়ের বড় অভাব। ভাবখানা এমন যে, সময় পেলেই করতে পারতাম সবই। হয়তোবা, তাই। তবে, সত্যি কথা হচ্ছে – হাতে সময় আছে ওই চব্বিশ ঘণ্টাই। আমাদের পূর্বপুরুষদেরও ছিলো ওই ‘একই সময়’। কিন্তু সময়ের বড় অভাব আমাদের। হালের সময়ে।

ইদানিং আরেকটা ভিমরতি ধরেছে আমাদের। সবসময় ‘ব্যস্ত ব্যস্ত’ ভাব।

আচ্ছা বলুনতো – নিজেকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ দেখাতে হলে কি করবো আমি?

এর উত্তর হতে পারে কয়েক দিক দিয়ে।

আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন – ‘কেমন আছেন আপনি?’

উত্তরে আমি বলবো হয়তোবা, ‘পাগল অবস্থা ভাই! দম ফেলার ফুসরতই পাচ্ছি না।’ অথচ আপনি জিজ্ঞাসা করেছেন আমি আছি কেমন।

প্রশ্নটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যাই করেন না কেন উত্তর আসবে ওইটাই।

‘দেখাই যায় না আপনাকে, থাকেন কোথায় আপনি?’

অথবা,

‘ইদানিং ফোন টোন ধরেন না, ঘটনা কি?’

১.

গল্পের শুরু ২০০১য়ের দিকে। প্রথম বারের মতো গিয়েছি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। কিছুটা লম্বা সময়ের জন্য। থাকতাম ওখানকার এক অজ পাড়া গাঁয়ে। শহর থেকে দূরের একটা অ্যাপার্টমেন্টে। ক্লাসের পর অফুরন্ত সময়। শুরু করলাম রান্না। সময় কাটাতে। কিনেও ফেললাম কিছু কূকিং ইউটেনসিলস। রেসিপি নামাই, মানে নামাই ইন্টারনেট থেকে – আর রান্না করি মনের সুখে। এদিকে, স্বাতী পাঠিয়ে দিলো সিদ্দিকা কবীরের বইটা, স্ক্যান করে। স্বীকার করতে বাধা নেই, রান্নার একটা দরকারী টূল হচ্ছে ‘এগ টাইমার’। কিচেন টাইমার বলেনও অনেকে। যাই বলেন – জিনিসটা হচ্ছে ডিম সিদ্ধ করার একটা টাইমার, তবে ওটা দিয়ে কাজ করতাম অনেক কিছুই। গ্রিল, বেকিং থেকে শুরু করে পাস্তা তৈরি – বাদ পড়তো না কিছুই। ডিমের মতো দেখতে – এক ঘণ্টা পর্যন্ত সময় রাখতো ওই জিনিসটা। ডিম নয় শুধু, টমেটোর আকৃতির টাইমারও দেখতাম মাঝে মধ্যে। ওই কাছের ওয়ালমার্টে।

২.

পাশের অ্যাপার্টমেন্টের সহপাঠী মাঝে মধ্যে আসতো সময় কাটাতে। উইকডে’র সন্ধাগুলোতে বিশেষ করে। সন্ধায় অন্যান্যরা বারে সময় কাটাতে গেলেও তাকে খুব একটা যেতে দেখিনি বাইরে। কথায় কথায় একদিন চোখে পড়লো ওই এগ টাইমারটা। ওর। ওটা থাকার কথা কিচেনে, সেদিন কেন জানি ওটা ছিলো রীডিং টেবিলে। প্রায় লাফ দিয়েই হাতে নিল ওটাকে। ‘পমোডোরো টেকনিক’ নিয়ে কাজ করছি কিনা জানতে চাইলো সে। এরপর আরো অনেক কিছু বললো – অনেকটাই হিব্রু মনে হলো আমার কাছে। টাইম ম্যানেজমেন্টের প্রথম টূলটা, মানে আমার কাছে প্রথম – শিখিয়ে দিলো হাতে কলমে। ওই সন্ধায়। খুলে গেলো মাথা।

৩.

পৃথিবীর ইঁদুর দৌড়ে পড়ে গেছি আমরা। যতো দিন যাচ্ছে ততোই যান্ত্রিক হয়ে পড়ছি নিজেরা। মাল্টি-টাস্কিং এখন একটা বাজওয়ার্ড। মানুষ একবারেই কাজ করতে চাচ্ছে অনেকগুলো – একসাথে। ফলে, শুরু হয়েছে ‘প্রায়োরিটি’র খেলা। গত এক দশক ধরে ‘হারভার্ড বিজনেস রিভিউ’ পড়ে মনে হয়েছে দুটো কথা। অর্গানাইজেশনগুলো পিছিয়ে পড়ছে তাদের কাজে। হাজারো মাইলস্টোন, ডেডলাইন পড়ছে প্রতিদিন। অটোমেশন মানুষকে স্বস্তি দিলেও এর মাত্রাতিরিক্ত ‘অ্যাবিউসিভ’ ব্যবহার ‘সময়’কে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের কাছ থেকে। মানুষের ‘ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স’ নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে সমাজে। অর্গানাইজেশনগুলোর ভেতরের ‘ইন্ডিভিজুয়াল’ মানুষগুলোর সময়ের ঠিক ব্যবহার না জানার ফলাফল পড়ছে ওই অর্গানাইজেশনের ‘ওভারঅল’ পারফর্মেন্সের ওপর। আজ ‘টাইম ম্যানেজমেন্ট’ নিয়ে শুরু হয়েছে হাজারো রিসার্চ।

৪.

ঠিক ধরেছেন! টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে লিখতে বসিনি এই বইটাতে। বরং সময়কে কিভাবে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসবেন সেটা নিয়ে গল্প করবো আপনাদের সাথে। অনেকটা বছরই ফাঁকি দিয়েছে ‘সময়’ – এই আমাকে। এখনো দেয় কখনো কখনো। সুযোগ পেলেই। তবে, ফাঁক ফোকরগুলো চিনতে পেরেছি বলে মনে হচ্ছে আমার। ‘সময়’কে হাতের নাগালে আনার শত শত টূলের মধ্যে সেরাগুলো নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সামনে। তবে, টূল হাতে নেবার আগে আপনার চাওয়া পাওয়া নিয়ে আলাপ হবে শুরুতে। সব টূল কিন্তু সবার জন্য নয়। ‘আমাদের জন্য টূল’ না ‘টূলের জন্য আমরা’ সেটার গল্প থাকবে কিছুটা। ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়বো না – এটা নিশ্চিত। তার আগে ব্যবচ্ছেদ করবো আমাদের সোনার হরিণ ‘সময়’কে।

রেডি তো আপনি?

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

“If you tell the truth, you don’t have to remember anything.”
― Mark Twain

১০.

সবুজ রঙের এই জীবটাকে পছন্দ না করে যাব কোথায়? ছোটবেলা থেকে এর হাসিমুখের ছবিওলা বই দেখতে দেখতে ভালোবেশে ফেলেছি আমার বাচ্চাদের মতোই। বাবা, ব্যাঙের গল্পটা বলতো আরেকবার! গল্প শুরুতেই বাঁধা, ব্যাঙের নামটা কি ‘নাবিল’ বাবা? কার্টুনিস্টরাও এই ব্যাঙের ছবিগুলোও মনের মাধুরী মিশিয়ে চোখগুলো বড় বড় দিয়ে এমনভাবে আঁকেন – একে না ভালোবেসে যাবেন কোথায়। বাসায় সবগুলো ব্যাঙের খেলনা বাচ্চাদের পাশাপাশি আমারও বড় প্রিয়। তবে আমার ধারণা, হাসিমুখ এর সবচেয়ে বড় ফিচার! হাসিমুখ দেখতে ভালোবাসি আমরা সবাই। ‘জে লেনো’ শো দেখার সময় হাসতে হাসতে পেটে খিল বেঁধে গেলেও লেনোর মুখের একটা রেখার পরিবর্তন না হওয়াটা আর্টের মধ্যে পড়ে। মিরাক্কেলের রেটিংও বাড়ছে দিন দিন। কমেডি শোগুলো দেখার জন্য ষ্টারওয়ার্ল্ডের পাগল আমি আর স্বাতী। বিগ ব্যাং থিওরি! মডার্ন ফামিলি? টু এন্ড হাফ মেন?

১১.

তবে পৃথিবীকে হাস্যরস শিখিয়েছেন কিন্তু মার্ক টোয়েন। এমনই ব্যঙ্গকৌতুক করেছেন যে তার আসল নামই ভুলে গেছে মানুষ! মার্ক টোয়েন হচ্ছে তার ছদ্দনাম, আসল নামে আর নাই বা গেলাম। তার ছদ্দনামের পেছনে যে চমত্কার দুটো গল্প আছে – সে দিকে যাবো কি আজ? টোয়েনের কলাম লেখার উপরে চলতো পত্রিকার কাটতি। ভয়ে থাকতেন সবাই টোয়েনের কলম আক্রমনের ভয়ে। বক্তৃতা দিয়ে বেড়াতেন বিভিন্ন জায়গায়, পয়সার বিনিময়ে – তার ট্রান্সক্রিপ্ট মানুষ পড়েন এখনো। আমেরিকার সবচেয়ে বড় হাস্যরসের পুরস্কারটার নামও মার্ক টোয়েনের নামেই। দুহাজার নয়ে পুরস্কারটা পেয়েছিলেন বিল কসবি, চেনেন না মনে হচ্ছে? টিনা ফে, আরে ওই থার্ড রকের মেয়েটা, গালে কাটা দাগ – এই সর্বোচ্চ পুরস্কারটা পেয়েছেন দুহাজার দশে!

১২.

হেইলির ধুমকেতুর সাথে এসেছিলেন মানে জন্মেছিলেন টোয়েন। ফিরে না আসার দেশে যাবার ব্যাপারে তার ভবিষ্যত্দ্বানী মিলে গিয়েছিলো অদ্ভুতভাবে। পরের দশকে হেইলির ধুমকেতু যেদিন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছ ঘেষে যায়, তার পরের দিনই চলে যান টোয়েন। উনিশশো নয় সালের তার বক্তব্য থেকে শুনবেন নাকি একটু? বাংলা ভাবানুবাদে কিছু রস এদিক সেদিক হবার ভয়ে সরাসরি তুলে দিলাম কিন্তু! টোয়েনের কথা বলে কথা!

“I came in with Halley’s Comet in 1835. It is coming again next year, and I expect to go out with it. It will be the greatest disappointment of my life if I don’t go out with Halley’s Comet. The Almighty has said, no doubt: ‘Now here are these two unaccountable freaks; they came in together, they must go out together.”

১৩.

মার্ক টোয়েন ব্যাঙকে ভালবাসতেন কিনা বুঝতে পারছিনা – তবে ধারণা করছি ব্যাঙ খাদ্য হিসেবে সুস্বাদু বটে। তা না হলে সকালে ব্যাঙ খাওয়ার কথা উঠবে কেন তার লেখায়? সকালে প্রতিদিন বড় কোনো কিছু করার আগেই ব্যাঙ খেতে বলেছেন, তাও আবার একেবারে জ্যান্ত। পাগল নাকি? ব্যাঙের ভাজাভাজি চলবে কিনা জানি না – জ্যান্ত অসম্ভব! এর মধ্যে পয়দা হলেন ব্রায়ান ট্রেসি নামের আরেক ভদ্রলোক, আছেন এখনো জ্যান্ত! বই লিখেই কোটিপতি এই লোক। বইয়ের নাম ‘ইট দ্যাট ফ্রগ’, মানে খেয়ে ফেলতো বাবা ব্যাঙটাকে! ব্যাঙের পা রপ্তানি হয় শুনেছি – জ্যান্ত খাওয়ার কথা বলেনি তো কোথাও। কোথায় যেনো আবার বলেছে যে সকালে জ্যান্ত জিনিসটা খেলে নাকি সারাদিন কাটবে ভালো। ব্যাঙটা না হয় কোনো রকমে জিহবা পার করে চালান করে দিলাম গলায়, জ্যান্ত জিনিসটা যাবে কি আসলে? চিন্তার বিষয় বটে।

ওমা, বলছো কি? আমাকে খাবে তুমি?

ওমা, বলছো কি? আমাকে খাবে তুমি? চিন্তায় ফেলে দিলে। 

১৪.

বলুন, পৃথিবীর কোন জিনিসটা আপনার আর আমার জন্য সমান? ভ্রূ কুঁচকে তাকালেন। জি, ঠিক বলেছেন – সময়। আইনস্টাইনের সময়ও ছিলো এই চব্বিশ ঘন্টাই, তার বেশি নয়। আমার অফিসের যাকেই জিজ্ঞাসা করি ‘আছেন কেমন ভাই’ জবাবে দীর্ঘস্বাস, সময় পাচ্ছি না! বর্তমান সময়ের সবচেয়ে অনুযোগের বিষয় হচ্ছে সময় করতে না পারার কথা। ডাক্তারের কাছে যাবার কথা, সময় করতে পারছেন না সপ্তাহ ধরে। যাবার কথা বন্ধুর বাসায়, সময় কই? দরকারী কয়েকটা কাজ পড়ে রয়েছে অনেকদিন ধরে – যেতে পারছেন না সেই দোকানে। সময় বের করতে পারছেন না বলে পিএইচডি প্রোগ্রামে এনরোলমেন্টটাই হচ্ছে না বছর ধরে। সময় বের না করতে পারাটাই হচ্ছে এযুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আসল কথা হচ্ছে সবকিছু করতে চেয়েই হচ্ছে না কিছু। দিব্ব্যি দিয়ে বলতে পারি বর্তমানের স্মার্ট মানুষেরা সবকিছু করতেও চান না কিন্তু। সময়কে ম্যানেজ করেন, প্রায়োরিটি করে আগান – সবকিছুতে। জি!

১৫.

সময়গুরু মার্ক টোয়েন কিন্তু সমস্যাটার টের পেয়েছিলেন তার সময়েই। ব্যাঙটা হচ্ছে আসলে সেদিনের সবচেয়ে বড় কাজটা। মানুষের সবচেয়ে বাজে অভ্যাস হচ্ছে বড় কাজ পাশ কাটিয়ে সহজ কাজ দিয়ে দিনের বউনি করা। উদাহরণে চলে যাই বরং। সকালে লিস্টি করলেন দশটা কাজের – সারাদিনের জন্য। আমি হলফ করে বলতে পারি সবগুলো মানে কাজ দশটা গুরুত্ব সহকারে প্রায়োরাটাইজড করলেই দেখা যাবে প্রথম দুটাই সবগুলোর আশিভাগ অংশ। এটা আমার জীবন থেকে নেয়া। নিশ্চিত করে বলতে পারি সারাদিনের জন্য রাখা কাজগুলো শেষ করতে পারবেন না সেদিনের মধ্যে – কখনোই না। আর এটাই স্বাভাবিক বলে ধরে নিতে হবে। আজকের যুগ হচ্ছে প্রায়োরাটাইজের স্বর্ণযুগ। প্রতিদিনের কাজের লিস্টি বানাবেন আগের রাতে। ধরে নিচ্ছি ঠিক করেছেন কাজ দশটা – কালকের জন্য। প্রথম থেকে ছয়টা করতে পারলেও আমাকে পায় কে! প্রায়োরিটি করলে দেখা যাবে শেষের চারটার গুরুত্ব সবগুলো কাজের মাত্র বিশ ভাগ। নিশ্চিন্তে ফেলে দেন ওই বিশ ভাগকে। প্রতিষ্ঠানের ডেলিভারেবলসের মধ্যে আমাদের অর্জন আসে তখনি যখন পাশ কাটাতে পারি কম গুরুত্বের কাজগুলোকে।

১৬.

আগেই বলেছি জ্যান্ত ব্যাঙটা কিন্তু দিনের সবচেয়ে বড় ও ঝামেলার কাজ। আর ওটাকেই সকাল সকাল খেয়ে ফেলতে পারলে মানে ওই কাজটা করতে পারলে ওর মতো মানসিক তৃপ্তি আর পাওয়া যাবে না কখনো। ফলে অন্য কাজগুলো করার স্পৃহা যাবে আরো বেড়ে। গুরু টোয়েন বলেছেন যে জ্যান্ত ব্যাঙ সকালে খেলেই সারাদিন ওর চেয়ে খারাপ কিছু হবে না ভেবেই সারাদিন মন থাকবে ফুরফুরে। আর বড় কাজ শেষ করার যে তৃপ্তি পাওয়া যায় তা দেখতে আসতে হবে আমার অফিসে। চায়ের দাওয়াত রইলো কিন্তু। বিজ্ঞানীরাও বলেছেন বড় আর জটিল কাজ শেষ করার তৃপ্তিতে বেশি করে নিঃসৃত হয় ‘এন্ডরফিনস’| মন ভালো হয়ে যাওয়ার রাসায়নিক যৌগ এটা। এন্ডরফিনসের গল্প আরেকদিন।

১৭.

এযুগের সময়(জ্ঞান)গুরু ব্রায়ান ট্রেসি ব্যাঙ বাবাকে নিয়ে এগোলেন আরেক ধাপ। দেখছেন ব্যাঙয়ের গুরুত্ব গেছে কোথায়? “খেতেই যদি হয় দুটো ব্যাঙ তোমাকে, কুত্সিত মানে বিশ্রী চেহারারটা খাবে আগে।” বলে কি ব্যাটা! কিন্তু টোয়েনের ভাষায় ঠিক আছে কিন্তু। সকালে সবচেয়ে বড় ঝামেলাটা খাওয়ার মতো সাহস থাকলে সারাদিন আপনাকে টলাতে পারবে না কিছুই। ঝামেলা দেখলেই পিছুটান দেবার অভ্যাস থাকলে ওকাজ শুরু করতে পারবেন না কখনোই। বিশ্রীটা খেয়ে অভ্যাস করুন। চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন সেই ঝামেলাটাকে। গত বছরগুলোতে সকালে কুত্সিতটা খেতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ায় আমার ডেলিভারেবলস নিয়ে কষ্ট নেই আর। বছরের কাজ নামিয়ে দেবো তিন মাসে, দিয়ে দেখুন না।

১৮.

কাজ শুরু করতে হবে তখনি কিন্তু। যেটা করতেই হবে সেটার জন্য সময়ক্ষেপন করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ট্রেসি শেষ চালটা মারলেন নিষ্ঠুরের মতো। “খেতেই যদি হয় জ্যান্ত ব্যাঙ বাবাজিকে, ওর দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মায়া বাড়ানোর মানে হয় না কোনো।” ব্যাটার মায়া দয়া মনে হচ্ছে কম। যাকে খাব তার জন্য চোখের পানি না ফেললে কেমন হয়? বাঙালির মায়াদয়া বুঝবে কি ওরা? বেকুব!

ব্যাঙ খাচ্ছেন তো সকালে? নিয়মিত?

Read Full Post »

%d bloggers like this: