Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘প্রজ্ঞা’

The two most important days in your life are the day you are born and the day you find out why.

– Mark Twain

০৪.

আমার নিজের একটা তত্ত্ব আছে এই ‘কানেক্টিং দ্য ডটস’ নিয়ে। হয়তোবা এতো বছরের উপলব্ধি থেকে তৈরি হয়েছে জিনিসটা। অনেক কিছু পড়তে গিয়েও আসতে পারে ধারনাটা। ব্যাপারটার নাম দিয়েছি ‘ক্যানভাস’ তত্ত্ব। প্রতিটা মানুষ পৃথিবীতে আসে একটা সময়ের জন্য। ধরে নিন – ওই সময়টাতে সমমাপের একেকটা ‘সাদা ক্যানভাস’ নিয়ে আসি আমরা। জন্মের পর ওই একেকটা জ্ঞান একেকটা বিন্দু হয়ে আঁকা হতে থাকে ওই ক্যানভাসে। সবার ক্যানভাসের জায়গা সমান হলেও যে শিখবে যতো বেশি, তার বিন্দু হবেও বেশি। এক যায়গায় কারো বিন্দু বেশি হলে সেগুলো চলে আসবে কাছাকাছি।

০৫.

হাটতে শেখার জ্ঞানটাকে প্লট করুন একটা বিন্দু দিয়ে। সেভাবে দৌড়ানোটাও আরেকটা বিন্দু হয়ে যোগ হবে আগের হাঁটতে শেখার বিন্দুর কাছাকাছি। সাঁতার শেখাটাও কিন্তু আরেকটা বিন্দু। এগুলো সব কাছাকাছি বিন্দু। তেমন করে ক্লাস ওয়ান পড়াটা একটা বিন্দু, ক্লাস টু আরেকটা। এক ধরনের জ্ঞানগুলোর বিন্দুগুলোই আঁকা হতে থাকে কাছাকাছি।

০৬.

আর এভাবেই তৈরি হতে থাকে একেকটা ‘ফ্লো অফ আইডিয়া’। কয়েকটা বিন্দু মিলে হয় একেকটা ‘ওয়ার্কফ্লো’। যুক্ত হতে থাকে ওই ‘ডটেড’ ইভেন্টগুলো। পাশাপাশি। তৈরি হয় ‘বিগ পিকচার’। মনে আছে ওই প্রথম ভিডিও’র বিন্দু থেকে আঁকা পাখিটার মতো? আর সেসময়ে তৈরি হয় ওই ‘আহা’ মুহূর্তটা!

০৭.

সময় আর অভিজ্ঞতা থেকেই চলে আসে আরো অনেক ‘ডট’। দুটো ‘ডটে’র মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনে নতুন নতুন জ্ঞান মানে ওই ‘ডট’ প্রতিদিন। মানে নতুন নতুন প্রসেস করা তথ্য। একেকটা বিন্দুর ‘ইনফ্লুয়েন্স’ চলে আসে পরের বিন্দুগুলোর ওপর। আর সেকারণে পেছনের ওই গায়ে গায়ে লাগানো ডটগুলো প্রজ্ঞা দেয় তৈরি করতে – আমাদের সামনের ডটগুলো। ভবিষ্যত দেখার প্রজ্ঞা। কিছুটা বুঝতে পারি এখন – কি করতে চাই জীবনে।

০৮.

যে যতো শেখে তার ক্যানভাসে বিন্দুর সংখ্যা বেশি। আবার, বেশি বেশি বিন্দুতে কাছাকাছি বিন্দুগুলো ‘ইনফ্লুয়েন্স’ করে যে জায়গাগুলোতে – যেখানে বিন্দু পড়েনি এখনো। সেকারণে ওই বিশেষ জ্ঞানটা তার না থাকলেও কাছের বিন্দুগুলো থেকে ‘কনটেক্সচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ নিয়ে নেয় ওই মানুষটা। এর সোজা মানে হচ্ছে সেই মানুষটা ‘কানেক্ট করতে পারে ওই ডটগুলোকে। আমার ধারনা, সেটার আউটকাম হচ্ছে ড্যানিয়েল গোল্ডম্যানের ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’। কিছুটা উপলব্ধির ‘বিগ পিকচার’।

কেন দরকার?

নিজেকে চিনতে। আরো ভালো করে বললে, জানতে – কেন এসেছি দুনিয়াতে।

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

From creating powerful assessment models for identifying high-risk illegal housing conversions, to using the latest data and technology to combat property fraud and prescription drug abuse, the Policy and Strategic Planning Analytics Team has been at the forefront of our innovative problem-solving strategies.

– Michael Bloomberg, Mayor, City of New York

১০.

পৃথিবীর আদিমতম পেশা নিয়ে অনেকের ভিন্নমত থাকলেও আমার উত্তর একটাই। ‘কনসাল্টিং’। ওই সময়ে সেটাকে পেশা হিসেবে ‘আইডেন্টিফাই’ না করতে পারলে আমারই বা দোষ কোথায়? ফিরে যাই ওই আদিম যুগে। পেটে ক্ষুধা, একে অপরকে ‘কনসাল্ট’ করছে – কি ধরা যায় এ মূহুর্তে? কি দিয়ে ধরলে ভালো? তারপরেই না শিকার ধরেছে তারা। বিশ্বাস হচ্ছে না এখনো? পরীক্ষা হয়ে যাক এমুহুর্তে। কাউকে ডেকে বলুন ‘আপনার মাথা ব্যথার কথা’। অথবা, কিছু একটা পারছেন না – জানতে চান কিভাবে করবেন জিনিসটা। আমার ধারণা, প্রশ্নটা করার জন্য নিজের হাত কামড়াবেন পরমূহুর্তে।

১১.

আমরা উপদেশ দিতে ভালোবাসি। সাহায্য করার প্রবণতা থেকে হয়তোবা। হাসছেন আপনি। কথা বলতে তো ট্যাক্স লাগে না – কি বলেন? তবে ‘কনসাল্টিং’য়ে লাগে সেটা। আর সেটাকে পুঁজি করে দাড়িয়েছে পৃথিবীর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ‘এই’ ইনডাস্ট্রি। আর সেপথে হাঁটছি আমিও। নামতে গিয়েও বিপদ। হাজার ঘণ্টা পড়তে হচ্ছে জিনিসপত্র। মনে আছে ম্যালকম গ্ল্যাডওয়েলের ‘দশ হাজার ঘন্টা’র গল্পটা? না নামার চেষ্টা করলে জানতামই না কতো ‘স্ট্রাকচারড’ এই ইনডাস্ট্রি। তুখোড় আর ‘স্ট্রীমলাইনড’। সবকিছুর কীওয়ার্ড – ‘সুপার অপ্টিমাইজেশন’। পৃথিবীর সরকারগুলো ওদের মতো ‘দক্ষ’ হলে বছরে বছরে বাঁচাতে পারতো হাজার কোটি ট্যাক্সপেয়ারদের টাকা। নতুন নতুন নাগরিক সেবায় ভেসে যেতাম আমরা। বিপদে পড়ার আগেই ছুটে আসতো সরকারী এজেন্সি। সুইট! শিখছি অনেক কিছুই। তবে, কি নিয়ে ‘কনসাল্টেসি’ করবো সেটা বলছি পরে।

১২.

‘অ্যাক্সেনচার কনসাল্টিং’ বিশাল একটা কাজ করেছে নিউ ইয়র্কের মেয়রের অফিসে। ‘ভবিষ্যত’ দেখে কাজ করার এই অফিসটাকে তুখোড় মনে হয়েছে আমার কাছে। কাজে নেমে ‘অপচয়’ করার আগেই ওই কাজের ‘আগের জ্ঞান’ আর ‘প্রজ্ঞা’ ব্যবহার করে সময় আর টাকা বাচানোর এই পদ্ধতি অভিনব। মেয়র অফিসের ভেতরের বিভিন্ন এজেন্সির মধ্যে অবাধ ‘তথ্য’ নেয়া দেয়া নিশ্চিত করতেই এই অ্যানালিটিক্সের আমদানি। সরকারী অফিসে কাজ করতে গিয়ে একটা কথা মনে হয়েছে বার বার। আহা, আমরা যদি নিজেদের মধ্যে ‘তথ্য প্রবাহ’ নিশ্চিত করতে পারতাম? তাহলে বাঁচাতে পারতাম অনেক টাকা, সময় আর জ্ঞানের ‘অপচয়’। বছরের পর বছরের পুরোনো কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তৈরি হতো ‘ভবিষ্যত’ কাজের ধরণ। লোকাল নলেজবেজ। এটাই তো অ্যানালিটিক্সের কাজ। ফাইলনোট দিয়ে ইন্টার্নাল এজেন্সিদের মধ্যে তথ্য চাইতে হলে তো বিপদ। ‘ডিসিশন সাপোর্ট সিষ্টেম’ (ডিএসএস) তো চলে না এভাবে। মানুষ তো ঠেকে শেখেনা, শেখে দেখে। ‘উন্মাদে’ পড়েছিলাম অনেক আগে – ‘হ্যা, আমারো হবে গাড়ি একটা, যখন আমার প্রতিবেশীরা ইন্টার গ্যালাক্টিক ট্রাভেলে ব্যস্ত’।

১৩.

ধরুন, রাস্তা খুড়ছেন প্রতিটা সরকারী প্রতিষ্ঠান – নিজের মতো করে। গ্যাসের লাইন, বিদ্যুত্‍, পানি, ফাইবার অপটিক, সুয়ারেজ – পাঁচ বার গর্ত করছেন একই যায়গা। পাঁচগুণ টাকা খরচ করে। ওই এলাকার মানুষের ‘ম্যান আওয়ার’ নষ্টের হিসেব না হয় বাইরেই রাখলাম। গরীব দেশের টাকা বলে এর দামও কম। অথচ, ভেতরের এই এজেন্সিদের ইন্টার্নাল ‘তথ্য প্রবাহ’ চালু থাকলে ‘ইনফর্মড’ অপারেশনাল সিদ্ধান্ত নেয়া যেতো দক্ষতার সাথে। আগের বছরগুলোর ভুল থেকে শিক্ষা নিতো সবাই। বেঁচে যেতো অনেক অনেক টাকা। ‘ইনফর্মড’ অপারেশনাল সিদ্ধান্ত যে কি জিনিস সেটা ‘প্রাইভেট সেক্টরে’র প্রতিটা মানুষ জানেন ভালো করে। কারণ, তাদের চাকরি নির্ভর করে কে কতো দক্ষতা ‘ডেলিভার’ করলো সেটার ওপর। ভুলের মাশুল দিতে হয় চাকরি হারিয়ে।

১৪.

আমার বাসার সামনে দিয়ে পানির লাইন বিছিয়ে যাচ্ছে একটা এজেন্সি। পনেরো দিন ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখলাম ওদের কাজ। কিছু তো করতে হবে ছুটিতে! কথা বললাম ফাঁকে ফাঁকে। যে ইঞ্জিনিয়াররা তদারকি করছেন কাজগুলো। সচেতন নাগরিক হিসেবে জানতে চাইলাম তাদের কাজের পরিধির ভেতরের ‘বিগ পিকচার’। মনে হলো ‘দিন আনি – দিন খাই’ অবস্থা। তাদের দোষ দিচ্ছি না, এটা আমাদের জাতীয় সমস্যা। একবার বিছালেন চিকন পাইপ। আবার সেটা পাল্টে বিছালেন নতুন মোটা পাইপ। ‘হরাইজন্টাল ডিরেকশনাল ড্রিলিং’ করার জন্য এখানে ওখানে গর্ত করে ওই নতুন পদ্ধতি থেকে যে ‘দক্ষতা’ পাবার কথা, সেটাই হয়তো বুঝতে পারছেন না তারা। প্রচুর গর্ত খুড়ে ফেলেছেন এর মধ্যে। হোমওয়ার্ক না করে মাঠে ‘এক্সপেরিমেন্টে’ নেমে সবার বেহাল অবস্থা। পাইপ আগে থেকে কেটে ফেলে আবার জোড়া দেবার ঘটনাও কম নয়।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

No problem can be solved from the same level of consciousness that created it.

– Albert Einstein

২৯.

কিছুটা সময় পেলাম ঘর গোছানোর জন্য। গোছাতে গিয়ে হাতে পড়লো ব্রডব্যান্ড কমিশনের একটা রিপোর্ট। ছোট কিন্তু মন ভালো করা রিপোর্ট। হাজার মানুষের প্রজ্ঞা দিয়ে তৈরী করা হয়েছে দুহাজার দশের লিডারশিপ মানে নীতি নির্ধারণীদের জন্য এই ডিক্লারেশন। মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলের সাথে এর সংযুক্তিটাই বোঝানো হয়েছে প্রতিটা পাতায় পাতায়। প্রযুক্তির ‘প’ নেই এ রিপোর্টে। দারিদ্র্যতা, স্বাস্থ্যসেবা, সবার জন্য শিক্ষা, জেন্ডার ইকুয়ালিটি আর জলবায়ুর পরিবর্তন নিয়ে ব্রডব্যান্ড কিভাবে সাহায্য করতে পারে সেটাই বলা আছে এখানে। বাংলাদেশকে পাল্টাতে হলে যে প্রজ্ঞা দরকার তার প্রায় সবটাই দেয়া আছে এখানে। বাকিটা হোমগ্রোন। ব্রডব্যান্ড কমিশনে কমিশনার হিসেবে আছেন পৃথিবীর হু’জ হুর সবাই – যারা পৃথিবীকে পাল্টাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। সেই পঞ্চাশের লিস্টে আছেন বাংলাদেশ থেকে একজন।

৩০.

মন ভালো হয়েছে আরেকটা কারণে। এক্সিকিউটিভ সামারি শুরু হয়েছে যে বাণী দিয়ে সেটা ব্যবহার করা হয়েছে উপরে। এই চরম সত্য কথাটার প্রতিফলন দেখি আমার কাজের পদে পদে। দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যেকোনো সমস্যার সমাধানে আগের নলেজবেস খাটিয়ে সাময়িকভাবে উতরে গেলেও লম্বা দৌড়ে সেটা বিফলে পর্যবসিত হয়। রিসার্চে কোনো পয়সা খরচ না করে আগের বিদ্যায় অল্প সময়ে সমস্যার উত্ড়ানোর ব্যবস্থা করে বরং তা পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। ‘জিরো এরর সিন্ড্রোমে’ বিফলতার স্বাদ নিতে পারিনা বলে সফলতার কিভাবে আনতে হবে তাও জানি না আমরা। কোথায় যেনো পড়েছিলাম যে ব্যবস্যা আর নিজের জীবনে হোক – সমস্যা মানুষকে মারে না, বরং সেই সমস্যাকে অগ্রাহ্য বা অস্বীকার করেই মরে।

৩১.

ফিরে আসি আইনস্টাইনের কথায়। যেকোনো সমস্যার সমাধান কখনই যে লেভেলে সেটা তৈরী হয়েছে সেই একই লেভেলে সমাধান সম্ভব নয়। সমাধান চাইলে সমস্যাটা থেকে বের করে নিয়ে আসতে হবে নিজেকে – পুরোপুরি। আর অন্য লেভেলে গেলে সেটার সমাধানের চেষ্টাটা ব্যর্থ হলেই জানা যাবে তার আন্টিডোট। সমস্যাটার মধ্যে সমাধান লুকিয়ে থাকে বলে সমস্যায় থাকা অবস্থায় সেটা দেখা যায় না। তার জন্য বের হয়ে আসতে হবে সমস্যার অঞ্চল থেকে। অবজার্ভারের ভুমিকায় আসতে হবে নিজেকে। তাহলেই দেখতে পারবেন তার সমাধান – নিরপেক্ষভাবে। সেই জিনিসটার সাথে ভালবাসায় থাকি বলে সেটা থেকে বিযুক্ত হতে পারি না। ফলে, সমস্যাটার আসল সমাধান পাওয়া যায় না সে মুহুর্তে। যে জাতি সেলফ ক্রিটিসিজম নিতে পারে তারা থাকবে সব সময় উপরে। পয়সার অপর পিঠ দেখতে চাইলেই দেখতে পারবেন, তার আগে নয়। সেলফ ক্রিটিসিজম মানে হচ্ছে নিজেকে অন্য লেভেলে বা পার্সপেক্টিভে নিয়ে বিচার করা। এনালজি নিয়ে আসি কি বলেন? গাছের লতাপাতার জন্য আপনি পুরো বনটাকে দেখতে পাচ্ছেন না বলেই আপনাকে বের হতে হবে গাছের নীচ হতে। গাছের উপরে উঠুন – অন্য গাছের সাথে তুলনা করতে পারবেন তখনি!

৩২.

প্রযুক্তিবিদগণ নীতি নির্ধারণীতে থাকলে কিছু ভীতিকর কাজ হয় বলে আমি এ বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে বিব্রত বোধ করি কিছুটা। নীতি নির্ধারণীতে অর্থনীতির ধারণাসম্পন্ন মানুষ দেশের ভালো করে বেশি। প্রযুক্তিবিদরা সমস্যার সমাধানে তার তৈরী করা সেই প্রসেসের ভালবাসায় পড়েন বলে সেটার সমাধান এড়িয়ে যেতে পারে তাদের চোখ। নিরপেক্ষ মানুষের কাছে সমস্যাটা ধরা পড়বে সহসায়। শিক্ষা সবার থাকা জরুরী, তবে প্রজ্ঞা নয়। উৎকর্ষতার শীর্ষে থাকা দেশগুলো চালান কজন? বেশি কি? আমাদের দরকার কতজন? প্রজ্ঞা দিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারছেন যতোজন। আমার ধারনা, সমস্যা সমাধানে ভালবাসা কাজ করে না। ভালবাসার কাঙ্গাল হিসেবে আমরা খুবই আবেগপ্রবণ জাতি। সেটার প্রয়োগক্ষেত্র কিন্তু ভিন্ন।

আমি কোন জন?

প্রযুক্তিবিদ না অর্থনীতিবিদ? অথবা ভালবাসায় অবিশ্বাসী কেউ?

চমৎকার বৃষ্টি পড়ছে বাইরে।

যাবেন নাকি আমার সাথে?

Read Full Post »

%d bloggers like this: