Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘মিনিয়াপলিস’

Without big data analytics, companies are blind and deaf, wandering out onto the web like deer on a freeway.

– Geoffrey Moore

বই কিনতে গেলে আমাজনের বিকল্প নেই। এখনো। বিশেষ করে বাইরের বই। ওদের ‘রেকমেন্ডেশন’ ইঞ্জিন আমার মাথা থেকেও ভালো। আমি কি চাই, সেটা আমার থেকে জানে ভালো ও। নতুন কি কি কিনতে চাই সেটা প্রেডিক্ট করে। একদম মনের মতো করে। পনেরো বছর ধরে অ্যাকাউন্ট থাকাতে আমার খুঁটিনাটি জানে সে। ‘ক্রিপি’ মনে হতে পারে – মাঝে মধ্যে এমনিতেই ঢু মারি এই আমাজনে। কিছু কিনতে নয়, বরং ওর কারুকাজ দেখতে। কিভাবে অবাক করে সেটা দেখতে। এটাও একটা খেলা, ফেসবুকিং থেকে অনেক মজার। পনেরো বছরের হিস্ট্রি তো কম নয়। এই শপিং হিস্ট্রি নিয়ে মজার একটা ঘটনা হয়েছিলো শপিং চেইন টার্গেটে। পনেরো বছর আগে। জানেন বোধহয় ঘটনাটা, কি বলেন?

এটাও পনেরো বছর আগের ঘটনা। মিনিয়াপলিসের একটা শহরে। টার্গেটের দোকানে এসে হাজির রাগী এক বাবা। ‘ডাকো ম্যানেজারকে’ বলে হুঙ্কার দিলেন উনি। ম্যানেজার চলে এলেন দৌড়াতে দৌড়াতে। ‘দেখো কি পাঠিয়েছ তোমরা? বাসার মেইলে।’ বলে কাগজগুলো দেখালেন বাবা। বলে রাখি, বড় বড় সুপারশপগুলো নানা ধরনের অফার পাঠায় বাসার ঠিকানায়। কখনো বই হিসেবে। কখনো কখনো কুপন। একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি স্টাইলে। বিশেষ করে আপনার শপিং হিস্ট্রি ধরে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে। মানুষের হাত নেই ওখানে। যেমন, ব্যাট কিনলে বলের অফার পাঠাবে সুপারশপ। অথবা ব্যাটের লাইফ ধরে আরেকটা ব্যাটের অফার।

তো বাবা দেখালেন অফারগুলো যা পাঠানো হয়েছে তার ছোট মেয়েকে। তার ঠিকানায়। ‘এখনো হাইস্কুলে ও। প্রেগন্যান্ট বানাতে চাও নাকি আমার মেয়েকে?’ রাগ চড়লো বাবার। ম্যানেজার হাতে নিলেন অফারগুলো। সব মাতৃত্বকালীন কাপড়চোপড়ের বিজ্ঞাপন। বাচ্চাদের ফার্নিচার। সব জায়গায় বাচ্চাদের হাসিমুখের ছবি। ম্যানেজারের চোখ ছানাবড়া। পা ধরতে বাকি রাখলেন আর কি। মাফ চাইলেন বার বার। অটোমেটেড মেইলারের গুষ্টি উদ্ধার করলেন মনে মনে। বিপদে ফেলে কেউ এভাবে? বাবার মান ভাঙাতে আবার কল দিলেন ম্যানেজার। দুদিন পর। ওপার থেকে বাবার গলা। কিছুটা কুন্ঠিত। ‘মেয়ের সাথে কথা হয়েছে আমার। ব্যাপারটা জানতাম না আমি। এই অগাস্টে ওর ডিউ। দুঃখিত আমি।’

[…]

Advertisements

Read Full Post »

%d bloggers like this: