Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’

Where words leave off, music begins.

― Heinrich Heine

০৬.

পেট চলে যোগাযোগ দিয়ে। যুদ্ধের মাঠে সবাই যাতে ঠিকমতো তার দরকারী তথ্য পায় সেটা দেখার দ্বায়িত্ব আমার। তথ্য পাঠানোর একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মানুষের কথাবার্তা। এই কথাকে এক যায়গা থেকে আরেক যায়গায় পাঠাতে দরকার ‘ফ্রীকোয়েন্সি ক্যারিয়ার’। আকাশ, ফাইবার আর তার যেখান দিয়ে পাঠাইনা কেন – সবখানেই ওই গলার শব্দকে চড়াতে হয় দরকার মতো ক্যারিয়ারে। এদিকে ডিজিটালের যুগ এখন। অবিকৃত শব্দ ওপারে পাঠাতে ‘স্যাম্পলিং’য়ের জুড়ি নেই। ক্যারিয়ারে ওঠানোর আগ পর্যন্ত এর চলাফেরা। আর তার রিফাইনড ভার্সন হচ্ছে এই ‘অ্যাকুস্টিক’ মানে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। নিজে গান শুনি অনেক। অনেক মানে অনেক! জীবিকার সাথে মেলেও খানিকটা। আর ভালো শব্দের জন্য বহুদূর যেতে রাজি। ‘পার্ফেকশনিষ্ট’ না হলেও ব্যাপারটা কষ্ট দেয় আমাকে।

০৭.

গান হচ্ছে অ্যানালগ, আর তার আধার হচ্ছে ডিজিটাল। অ্যানালগ আধারে রাখলে রিপ্রোডাকশনে সমস্যা। অ্যানালগ হচ্ছে নদীর ঢেউয়ের মতো। হারিয়ে যায় সময়ের সাথে সাথে। আর ডিজিটাল হচ্ছে ইটের মতো। কাঠখোট্টা। বাঁকা ত্যাড়ার কিছু নেই। হিসেব রাখা সহজ। তার মানে – এখন গান মানে হচ্ছে শূন্য আর একের গল্প। কম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে এটা বলতে পারি যে – স্টুডিওর বাইরে ধারণ করা ওই সিগন্যালকে আবার একদম ঠিকমতো তৈরি মানে ‘রি-কন্সট্রাক্ট’ করা যাবে যদি স্যাম্পলিং ফ্রিকোয়েন্সিটা ওই সিগন্যালের সর্বোচ্চের দ্বিগুণ হয়। বেশি গল্প দিয়ে ফেললাম নাকি? গল্প আমার না। হ্যারি নাইকুয়িস্ট বলেছিলেন সেই উনিশশো চব্বিশে।

০৮.

তাহলে গল্পটা দাড়ালো কোথায়? গানকে যদি কোন আধারে ঠিকমতো ধরতে হয়, তাহলে সেটার স্যাম্পলিং হতে হবে নিদেনপক্ষে ৪০ কিলোহার্টজ। ভালো কথা। আগেই বলেছিলাম মানুষের কান শুনতে পায় ২০ কিলোহার্টজ পর্যন্ত। আমাদের গানের ডিস্ট্রিবিউটররা গানগুলো যে সিডিতে ছাড়ছেন সেটা আসছে ৪৪.১ কিলোহার্টজ স্যাম্পলিং আর ১৬ বিট ট্রান্সফার রেট নিয়ে। হিসেব অনুযায়ী, মানুষের কানের জন্য সিডি কোয়ালিটি শব্দ ঠিক থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে ১৯৬ কিলোহার্টজ স্যাম্পলিংয়ের গান কি যেন কিছু একটা দিচ্ছে যা মাথা খারাপ করে দিচ্ছে আমাদের। আগে শুনিনি সেই শব্দও শুনতে পারছি ইদানিং। গল্প দিচ্ছি? এখন ভেগে গেলে কষ্ট পাবো কিন্তু! কথা দিচ্ছি দ্বিতীয় পর্বের পর অংক কম থাকবে সামনে।

[ক্রমশ:]


শুনছি এখন: দ্য লাস্ট ওর্থলেস ইভনিং – ডন হেনলি
অ্যালবাম: দ্য এন্ড অফ দ্য ইনোসেন্স

Advertisements

Read Full Post »

%d bloggers like this: