Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘স্ট্র্যাটেজিক’

Singapore is building to be the world’s first Smart Nation, with fuller use of technology to live, work and play. Singapore has the opportunity to be a Smart Nation if we work together and successfully combine policy, people and technology, and boost all aspects to enhance our national capabilities – from infrastructure, industry and talent, to governance.

– Smart Nation Vision, 2005

৬৫৫.

‘ফোকাল পয়েন্ট’ ধারনাটা নতুন নয় কিন্তু। যারা এগিয়েছে ব্রডব্যান্ডে, তাদের সবারই আছে এই আলাদা অফিসটা। কাজ একটাই, সারাদিন ব্রডব্যান্ড নিয়ে চিন্তা করা। সরকারী সম্পর্কিত সব এজেন্সিগুলোকে ধাক্কা দিয়ে এক কাতারে নিয়ে আসা। ইনভেস্টর, ইনডাস্ট্রি, অপারেটররাও বাদ যাবে না সেই ধাক্কা থেকে। ‘প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অফিস’ থেকে বিভিন্ন ‘ওভারল্যাপিং’ প্রজেক্টের সমন্বয় সাধনের মতো জিনিসের সাথে ‘ব্লেম গেম’ ব্যাপারটা সরিয়ে আসল কাজ বের করে নিয়ে আসছে এই অফিস। ফিরে আসি সুইডেনের কথায়। তাদের ‘আইটি পলিসি স্ট্র্যাটেজি গ্রুপ’ প্রথমেই তৈরি করতে বলেছিল ‘আভ্যন্তরীণ একটা স্ট্র্যাটেজিক সমন্বয়কারী অফিস’। তার কাজ হচ্ছে ব্রডব্যান্ড ডেভেলপেমেণ্টে জড়িত সব এজেন্সিকে এক টেবিলে এনে কাজের ধারাবাহিকতা ‘মনিটর’ করা। সব এজেন্সি মানে সরকারী, বেসরকারী – ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, সবাই।

৬৫৬.

ভালো কথা, ব্রিটেনে তো পুরো একজন মন্ত্রী রয়েছেন এই ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন’ দেখভাল করার জন্য। ব্রাজিল এদিকে এগিয়ে আছে বেশ ভালোভাবে। তাদের এগিয়ে থাকার পেছনে রয়েছেন একজন ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন’ সচিব যাকে আলাদাভাবে বসানো হয়েছে ওই যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে। জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ঠিকমতো বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা সেটা নিয়েই পড়ে আছেন তিনি। ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন’ নিয়ে সব মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত প্রজেক্টেরগুলোর মাথা উনি। তবে, অনেকদেশে এই ব্রডব্যান্ড ডেভেলপেমেণ্টের দেখভাল করার কাজ দিয়ে রেখেছে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় অথবা রেগুলেটরের কাছে। এটার ভালো খারাপ দুটোই দেখেছি আমি। আমার মত হচ্ছে যে দেশগুলোর আভ্যন্তরীণ ‘গভার্ণেস’ খুবই শক্তিশালী, সেখানে এটা কাজ করে ভালো। এই কম্বিনেশনটা কাজ করে চমত্কার – যাদের রয়েছে ‘পোক্ত’ মানে ডিটেইল লেভেলে কাজ করা জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা। ‘পোক্ত’ ব্রডব্যান্ড নীতিমালার মধ্যে শিক্ষা, স্বাস্হ্য, জ্বালানী – দক্ষ প্রশাসন – থাকবে সবকিছু।

৬৫৭.

উদাহরণ হিসেবে নিয়ে আসি সিংগাপুরের কথা। ওদের দেশের জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা নিয়ে ‘স্ট্র্যাটেজিক’ লেভেলের একটা কোর্স করিয়েছিল আমাকে, বিটিআরসি। পাঁচ হাজার ডলারের মতো ছিলো শুধুমাত্র তার কোর্স ফি। সিংগাপুর একটা মাস্টার প্ল্যান করেছিলো অনেক আগে। নাম ‘ইণ্টেলিজেণ্ট নেশন ২০১৫’। প্ল্যানটা নিয়ে মাঠে নামে ২০০৫য়ে, যদিও সেটা তৈরি হয়েছিল অনেক আগে। দশ বছর ধরে প্রতিটা আইটেম ধরে ধরে এগিয়েছে তারা। দর্শন ছিলো, ‘অ্যান ইণ্টেলিজেণ্ট নেশন, আ গ্লোবাল সিটি, পাওয়ারড বাই ইনফো-কম’। তারা মনোযোগ দিয়েছিলো ‘ট্রাস্টেড’ আর ‘বুদ্ধিমান’ আইসিটি ইনফ্রাস্ট্রাক্চারের ওপর। সেই সাথে ব্যস্ত ছিল পুরো ‘ইকোসিষ্টেম’ তৈরিতে। ডিমান্ড আর সাপ্লাই সাইড নিয়ে তাদের কাজ দেখার মতো। বাজারে প্রতিযোগিতা ঠিক রেখে নতুন নতুন ‘স্টার্ট-আপ’ কোম্পানী মানে ইনভেস্টমেন্ট আনার ব্যপারে তাদের কাজ দেখলে তাক লাগবে সবার। ইনভেস্টমেন্ট আনার জন্য অনেক অফিস খুলেছে পৃথিবী জুড়ে। সেই সাথে তৈরি করেছে বিশাল ‘ট্যালেন্ট পুল’। বেড়েছে জাতীয় ‘সক্ষমতা’। দশ বছরের ধারাবাহিকতার ফলাফল – ‘স্মার্ট নেশন’।

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

%d bloggers like this: