Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘BTRC’

Net neutrality is the founding principle of the internet. It guarantees that all data packets are treated equally. This principle guarantees that the internet will remain diverse, innovative, and free. Telecoms companies want to change that. They want to establish new business models based on discrimination and restrictions. We cannot give up the economic and social value of the internet just to help a handful of companies to make more money.

Act now to tell your representatives to protect our rights and freedoms. The best way to do this is by calling a Member of the European Parliament (MEP). But you can also send them a Fax, a letter or an E-Mail – we provide you with all the information and calling them is free of charge.

– Statement from ‘SaveTheInternet.EU’

EU-save-the-internet১৪.

আমাদের মতো দেশে ‘সংযোগ বিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করবেন সবাই। এই আমাকে। কথা ঠিক আপনার। বিনি পয়সায় দিলে ক্ষতি কি শুনি? নাই মামার থেকে কানা মামা তো ভালো, তাই না? সত্যি তাই। তবে, আসলে কি তাই? ‘জিরো ইন্টারনেট’ ব্যাপারটা বিভ্রান্তিকর। আমাদের বিশাল একটা শতাংশের মানুষ ভাবে, ফেসবুকই ইন্টারনেট। অথচ, ফেসবুকে সত্যের পাশাপাশি চলছে হাজারো গল্প। সত্যি কি সবই? হতাশ হই, বিশাল একটা জনগোষ্ঠী পড়ে আছে এই এক সাইটে। আমরা বড় হচ্ছি ফেসবূককে ‘ইন্টারনেট’ ভেবে। পুরো জনগোষ্ঠীর কতোটা সময় নষ্ট হচ্ছে একটা ফুলপ্রুফ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের অভাবে।

১৫.

কুপের মতো ব্যাপারটা। যা হয়তোবা আসল ইন্টারনেটের ‘শূন্য দশমিক’ কিছু শতাংশ হতে পারে। অথবা নামমাত্র আরো ২৮টা সাইট। বের হতে পারছে না ওই গন্ডি থেকে। সবার কথা একটাই, কয়েকটা সাইটকে এই ‘এক্সক্লুসিভ’ সুযোগ না দিয়ে সবাইকে দিন অ্যাক্সেস। আগের মতো। বরং চার্জ করুন একটা সহনীয় মাত্রায়। আমাদের মধ্যম আয়ের মানুষদের কথা মাথায় রেখে। আজ যা ইন্টারনেট গ্রাহক, তা তৈরি হয়েছে এই ‘অসহনীয়’ চার্জের ভেতরে থেকেই। কমিয়ে দিলে সুবিধা হয় সবার। ‘চ্যারিটি’ করতে বলছে না কেউ।

১৬.

এই ফাঁকে ছোট্ট একটা গল্প পাড়ি, কি বলেন? ‘আসল ইন্টারনেট’ কিন্তু ভয়াবহ রকমের বড়। আমরা যা দেখি, মানে ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন যেগুলোকে খুঁজে পেতে নিয়ে আসে সেটাও কিন্তু আসল ইন্টারনেটের একটা ছোট্ট ছোট্ট ভগ্নাংশ। ওর একটা নাম আছে। ডীপ ওয়েব। ‘ডীপনেট’ বলেন অনেকে। আমরা বলি ‘অদৃশ্য’ অথবা ‘লুকানো’ ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনকে মাছ ধরার জাল হিসেবে তুলনা করে পৃথিবীর সব সমুদ্রকে যেভাবে ছেঁকে আনা সম্ভব নয়, সেভাবে হাজারো জিনিস থেকে যায় আমাদের দৃষ্টির বাইরে। সিকিউরিটি স্পেশ্যালিস্টের মাথা ব্যাথা শুরু ওখানেই।

১৭.

এডওয়ার্ড স্নোডেনের কাগজ ঘাটলে পরিষ্কার হবে আরো। সার্চ ইঞ্জিনের মাতবরী ওই ‘সারফেস’ ওয়েব পর্যন্ত। আইসবার্গের চূড়াটাই হাতের নাগালে তাদের। আচ্ছা, ডীপ ওয়েব মানে ডার্ক ওয়েব – যা তৈরি হাজারো বেনামী নেটওয়ার্ক নিয়ে (ধরুন টর নেটওয়ার্ক, টেইলস, আইটুপি – যেটা নেটওয়ার্কের ভেতরের নেটওয়ার্ক … বেহুস হয়ে যাবার যোগাড়) – কতো বড় হতে পারে আমাদের ‘সারফেস’ ইন্টারনেট থেকে? অনেক আগের একটা এষ্টিমেশন থেকে জানা যায় ‘ডীপ ওয়েব’ নিদেনপক্ষে ৪০০ থেকে ৫৫০ গুণ বড়। তাও সেটা অনেক বছর আগের হিসেব। এখন যোগ হয়েছে আরো অনেক কিছু। ভয় ধরানো পেশা নয় আমার। ফিরে আসি – সাধারণ ইন্টারনেটের ‘অস্তিত্বে’র গল্প নিয়ে।

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

In effect, they can become gatekeepers — able to handpick winners and the losers in the market and to favour their own sites, services and platforms over those of others. This would crowd out competition and snuff out innovative new services before they even see the light of day.

– Tim Berners Lee

save7১১.

ফ্রীডম অফ স্পীচ? কি হবে সেটার? বলেন ‘জিনিসপত্র’ যা ইচ্ছা, উত্তর দেবো কথায়। হাতাহাতি নয়। সমস্যা একটা যায়গায়। আমরা কেন জানি গুলিয়ে ফেলি ‘হেট স্পীচ’, ‘ফ্রীডম অফ স্পীচ’এর সাথে। খোঁচাখুচি করেন ভালো কথা, বিদ্বেষ নয়। ‘বিষেদগার’ অন্য জিনিস। আর সবার স্বাধীনতা আছে তার নিজ জিনিস নিয়ে। একটা ঘটনা বলি বরং। কয়েক দিন আগের কথা। পুরো ইন্টারনেট গরম এটা নিয়ে। উন্নত বিশ্বে মহিলারা যে কতো বেশি নিগৃহীত হন সেটার ঘটনা একটা। মহিলা টেলিভিশন রিপোর্টারদের নিয়ে অনেকদিন ধরেই চলছে জিনিসটা। গুগল করুন, ‘এফএইচআরআইটিপি’ দিয়ে। সঙ্গে ‘সিবিসি’ কীওয়ার্ড ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন তাহলে। শেষ ঘটনা ‘সিবিসি নিউজ’এর রিপোর্টার শ্যনা হান্টকে নিয়ে।

১২.

লাইভ রিপোর্টারদের চলন্ত ঘটনায় আর যাই হোক না কেন সেটাকে সপ্রতিভভাবে চালিয়ে নেয়ার প্রশিক্ষণ তাদেরকে কাবু না করলেও ব্যাপারটা রীতিমতো কষ্টের। ভিডিও দেখে মনে হলো সেটা। বিশেষ করে মহিলা রিপোর্টারদের। একটা খেলার পর দর্শকদের মতামত নিতে গিয়ে বিপদে পড়েন হান্ট। তবে তার সাহসের তারিফ করি। দর্শক তার ‘বাক স্বাধীনতা’ ব্যবহার করে যা ইচ্ছা তাই বললেও সেটা তার নেটওয়ার্ক ‘নিজস্ব স্বাধীনতা’ ব্যবহার করে ছেড়ে দেয় ইউটিউবে। বিতর্কের ঝড় ওঠে ওই ইউটিউব চ্যানেলে। সেটা ছড়িয়ে পড়ে ‘মেইন স্ট্রিম’ মিডিয়াতে।

১৩.

তারপরের ঘটনাটা আরো মজার। দর্শকদের চাকরিদাতা কোম্পানীও ‘নিজস্ব স্বাধীনতা’ ব্যবহার করে চাকরি খেয়েছে তাদের। একারণে আমার পছন্দ এই ইউটিউব। মানে, ইন্টারনেট। আপনার তথাকথিত ‘স্বাধীনতা’ ব্যবহার করলেই তো আর হবে না। আমারো তো রয়েছে ‘স্বাধীনতা’। আমার স্বাধীনতা এই ইন্টারনেট। আর তাই এই ‘জিরো ইন্টারনেট’ নিয়ে দিচ্ছি এতো গল্প। ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ‘ইকুয়ালাইজার’। দেয় ‘লেভেল প্লেয়িং ফীল্ড’। ভাঙতে দেয়া যায় না একে। তাও আবার এই ‘জিরো ইন্টারনেট’ দিয়ে বৈষম্য তৈরি করে?

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

There is one Internet. It must be fast, it must be robust, and it must be open. The prospect of a gatekeeper choosing winners and losers on the Internet is unacceptable.

– Tom Wheeler, Chairman – FCC

save5০৭.

ইন্টারনেটে সবকিছু আছে বলেই এখানে সহিষ্ণুতাটা লাগেও বেশি। নব্বইয়ের দিকে ‘ইউজনেট’ ব্যবহার করতে হতো আমাদের। যেকোন সমস্যার জন্য। বিশেষ করে ‘ইউনিক্স’ অপারেটিং সিষ্টেমটা নিয়ে কাজ করার সময়। আমরা জানি ‘সহিষ্ণুতা’র দাম কেমন। আর সেকারণে হাতে কলমে কাজ শিখিয়েছে ওই অপরিচিত ‘বন্ধুসুলভ’ মানুষগুলো। পৃথিবী চষে বেড়ানোর সময় দেখা হয়েছে তাদের অনেকের সাথে। তারা জানেন ইন্টারনেট তৈরি হয়েছে ওই মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে। যারা ইন্টারনেট বোঝেন না তারাই সারাদিন আমাকে (বিটিআরসিতে থাকাকালীন) বলতেন এটা বন্ধ করেন, ওইটা বন্ধ করেন। অথবা, ‘ইউটিউব’ বন্ধ করতে এতো সময় নিচ্ছেন কেন? সত্যি বলতে, আমাদের নীতিনির্ধারণীতে বসে থাকা মানুষগুলোও বন্ধ করতে চাননা সবকিছু। জনপ্রতিনিধিরা থাকেন বিপদে। ‘অসম্ভব’ চাপ তৈরি করেন ‘ইন্টারনেট’ না বোঝা আশেপাশের মানুষজন। এই আমরাই। ‘সূর্যের চেয়ে বালি গরম’এর মতো ব্যাপারটা। ফেসবুকে আমাদের কমেন্ট দেখলে মনে হয় ‘শিষ্ঠাচার’ ১০১ কোর্স দরকার অনেকের। কেন জানি সমালোচনা নিতে পারিনা আমরা। তবে, আশাবাদী আমি। ‘সত্যিকারের শিক্ষা’র সাথে সাথে পাল্টাবে এই ট্রেন্ড।

০৮.

ধরুন, সুন্দরবনে ঘুরতে গিয়েছেন আপনি। একা পেয়ে ‘বাঘমামা’ আঁচড় দিয়ে বসলো আপনাকে। ঢাকায় ফেরত্‍ এসে গরম হয়ে বললেন, আচড় দিলো কেন সে? প্রথম কথা হচ্ছে, আপনার ‘স্বাধীনতা’ নিয়ে ঢুকে গিয়েছিলেন গহীন বনে। বাঘমামা তার ‘স্বাধীনতা’ ব্যবহার করে আঁচড় দিয়ে দিয়েছে – এই যা! আগুন তো সবকিছু পুড়িয়ে দিতে পারলেও সেটাকে তো আর ‘ব্যান’ করেননি আপনার সুবিধার জন্য। হাজারো হ্যাকিংয়ের ঘটনা চলছে বিশ্ব জুড়ে, কই কেউ তো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নেই বসে। সেটাতো – চোরের ওপর রাগ করে মাটিতে বসে ভাত খাওয়ার মতো। ইন্টারনেটে কে কি বললো, সেটাকে আটকাতে যাওয়া কেন? রাস্তায় তো পাগলও অনেক কিছু বলে, সেটাকে ছাড় দিলে ইন্টারনেটকে নয় কেন? রেগুলেটর হিসেবে অনেক ব্যাপার নিয়ে ‘আলাপ’ করে মধ্যপন্থী অবস্থান নিয়েছিলাম আমার ওই সাত সাতটা বছরে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

I care about a lot of issues. I care about libraries, I care about healthcare, I care about homelessness and unemployment. I care about net neutrality and the steady erosion of our liberties both online and off. I care about the rich/poor divide and the rise of corporate business.

― Sara Sheridan

save3০৩.

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কম্যুনিকেশন কমিশনকে (আমাদের বিটিআরসি’র মতো) কম ধকল পোহাতে হয়নি এটাকে নিয়ে। এটা নিয়ে অনেকবার আলাপও হয়েছিল বেশ কিছু রেগুলেটরদের সাথে। ‘এফসিসি’সহ। বিলিয়ন ডলারের অপারেটরদের কথা একটাই। ডাটা পাইপ দিচ্ছি আমরা। আমরা জানি কাকে আটকাবো আর কাকে নয়। ভাবখানা এমন, পয়সা না দিলে ফেলে দেবো ‘স্লো’ জোনে। ভয়ংকর কথা। অথচ পাইপের টাকা নিচ্ছে কিন্তু গ্রাহকদের কাছ থেকে। দরকার আরো টাকার। এখন টাকার খেলা। ক্যারিয়াররা ভালো করেই জানেন মোবাইল ডাটার ৮৫% রেভিনিউ হারাবেন ওয়াইফাই প্রোভাইডারদের কাছে। ২০১৮ সালের পরে। তবে টাকা রয়েছে এমুহুর্তে। তাদের কাছে। অনেক দেশের রেগুলেটর হার মেনেছে তাদের কাছে। বিনি পয়সায় দিচ্ছি ইন্টারনেট। কার কি বলার আছে?

০৪.

কিন্তু সেটাই ‘বিভক্তি’ তৈরি করছে ইন্টারনেটে। আজ সচলায়তন, কাল সামহোয়ারইনব্লগ। অ্যাক্সেস পাবে কি না সেটা নির্ভর করবে টেলকো’র ওপর। এই ‘জিরো ইন্টারনেট’ ক্যাম্পেইন হচ্ছে তার ‘নিষ্পাপ’ মুখ। আজ সুবিধা দেয়া হচ্ছে ফেসবুককে। কাল দেয়া হবে ‘উইকি’। পরশুদিন আপনার তৈরি অ্যাপকে ব্রাউজ করতে হবে গাটের পয়সা খরচ করে। রেগুলেটর কি পারে ফেসবূককে সুবিধা দিতে? আলাদাভাবে? আপনার অ্যাপ অথবা সাইটের ওপর? ফেসবুকের পয়সা আছে বলে ও পাবে ‘জিরো ইন্টারনেট’, আর আপনি? আপনার দোষ কোথায়? আপনি দেশী কোম্পানী তাই? আবার আপনার মামা চাচা মানে ‘পয়সা’ আছে বলে অ্যাক্সেস পাবেন আর ভিন্ন মতাবলম্বী হলে সাইট পড়ে থাকবে ‘স্লো’ জোনে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

There’s a tremendous gap between public opinion and public policy.

– Noam Chomsky

৬৬৭.

আচ্ছা, টাকা নিয়ে আসবে কেন আমাদের দেশে? কেন নয় নিজের দেশে? চাকরিক্ষেত্র বাড়তো বরং ওই দেশে। তাহলে তো আইফোন তৈরি হতো খোদ মার্কিন ভূখণ্ডে। কোম্পানীগুলোর মূল লক্ষ্য থাকে মুনাফা বাড়ানো। তারা তো আর দাতব্য প্রতিষ্ঠান নয়। আর মুনাফা করা তো দোষের নয়। আজ মাইক্রোসফট মুনাফা করতে পেরেছিলো বলেই তৈরি হয়েছে মেলিণ্ডা এণ্ড গেটস ফাউন্ডেশন। ফলে বিলিয়ন ডলার যাচ্ছে মানুষের ভালো কাজের জন্য। কম টাকা নয়, নভেম্বর দুহাজার চৌদ্দ পর্যন্ত তার টাকা বিলি হয়েছে বিয়াল্লিশ বিলিয়নের বেশি। ফিরে আসি সরকারের কাজে। ওই কোম্পানীগুলোকে দেশে আনতে দৌড়াতে হবে অনেকদুর। একটা দেশকে নিজেকে ‘ইভাল্যুয়েট’ করতে হবে কেন দেশ বা কোম্পানীগুলো আসবে টাকা নিয়ে? তারা কি চায়? আপনি হলে কি চাইতেন? বেশি লাভ, কম সময়ে। ‘ক’ দেশে ইনভেস্ট করলে আপনি কি চাইতেন? সরকারী অফিসে কম ঘুরাঘুরি, লাইসেন্সের নীতিমালাগুলো কতটুকু আপনার দিকে? লাভটা দেশে নিতে পারবেন কিনা? ওই দেশের মানুষগুলো ওই কাজের জন্য উপযুক্ত কিনা? শ্রমবাজার কেমন সস্তা?

৬৬৮.

আপনি নিজেই করবেন হাজারো প্রশ্ন। কারণ, টাকাটা আপনার। খাটাবেন আপনি। করলেন ইনভেস্ট, এরপর পাল্টে গেল নীতিমালা। আর ইনভেস্ট করবেন আপনি? নীতিমালার ‘প্রেডিক্টিবিলিটি’ নিয়েও কথা হয়েছে আগে। প্রাইভেট সেক্টর ‘ভর্তুকি’ চায়নি কখনো। তারা জানে ব্যবসা করতে হয় কিভাবে। রেগুলেটর আর সরকারকে চায় ‘ফ্যাসিলেটর’ রোলে। বাকিটা করে নেবে তারা। যেখানে ব্যবসা নেই সেখানে সরকারের ‘রেগুলেটরী ব্যবস্থা’ – ধরুন ইউনিভার্সাল অ্যাক্সেস ফান্ড নিয়ে কাজ করতে চায় তারা। দেখা গেছে বাজারে প্রতিযোগিতার বেঞ্চমার্ক ঠিক থাকলে ‘এফিসিয়েণ্ট’ নেটওয়ার্ক তৈরি হয় সবাইকে নিয়ে। ‘প্রতিযোগিতা’ ব্রডব্যান্ড সাপ্লাই সাইডে কমিয়ে নিয়ে আসে দাম, বাড়ায় সার্ভিসের কোয়ালিটি, বৃদ্ধি পায় গ্রাহকসেবা। আর সেকারণে সম্প্রসারণ করে ব্রডব্যান্ড বাজার, অ্যাক্সেস পায় আরো বেশি মানুষ। বেশি গ্রাহক মানে কমে আসে দাম, তৈরি হয় নতুন নতুন ‘ভ্যালু প্রপোজিশন’। এই সাইকেল নিয়ে কথা বলা হয়েছে আগেও।

৬৬৯.

আবার ইনফ্রাস্ট্রাক্চারে অ্যাক্সেস না পেলে প্রোভাইডাররা বাড়িয়ে দেবে দাম। আর দাম বাড়লে বারোটা বাজবে ব্রডব্যান্ড ‘ডিফিউশনে’র। ব্রডব্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাক্চার না থাকলে গ্রাহকেরা সার্ভিস পাবে কোথা থেকে? আর নেটওয়ার্ক থাকলেও দাম না কমলে সেটার প্রতি আগ্রহ হারাবে গ্রাহকেরা। আবার সার্ভিস মানুষকে না টানলে নেটওয়ার্ক তৈরিতে আসবে মন্থরগতি। আর সেকারণে সরকারকে আসতে হবে এগিয়ে। ‘সাপ্লাই চেইনে’ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির সাথে সাথে ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা, নেটওয়ার্ক তৈরিতে প্রণোদনা আর গ্রাহকসেবার মানদন্ডটা ঠিক রাখলে বাড়বে ব্রডব্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতা। পুরো দেশে ব্রডব্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাক্চার থাকলে ভালো, আর না থাকলে? মানে, আমাদের দেশে যে জনবসতির ঘনত্ব, সব বিজনেস কেস কাজ করবে এখানে। তবে, ব্রডব্যান্ডের দাম হাতের নাগালে না এলে গ্রাহকদের আনা কষ্ট হবে। আর তখন, প্রোভাইডাররাও পিছিয়ে যাবে ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট থেকে। রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে যোগবিয়োগ করতে বসবে তারা। ওখানেই কাজ করতে হবে সরকারকে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

The highest patriotism is not a blind acceptance of official policy, but a love of one’s country deep enough to call her to a higher plain.

George McGovern

টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেশনের ওপর একটা অনলাইন কোর্স করতে হয়েছিলো দুমাস ধরে। সাপ্তাহিক পরীক্ষা, অফিস আর অনলাইন চ্যাটে ম্যান্ডেটরী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে গিয়ে বেশ সময় চলে গেল। মড়ার ওপর খাড়ার ঘা হিসেবে এসাইনমেন্টও চলতে থাকলো। তার একটা হচ্ছে গিয়ে ‘দেশের টেকসই বৃদ্ধি জন্য টেলিযোগাযোগ রেগুলেশন ও স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা প্রভাব।’ দু তিন ঘন্টার মধ্যে তৈরী করতে হয়েছিলো রিপোর্টটাকে। এডিটিংয়ের কিছুটা প্রয়োজন আছে হয়তোবা।

Impact of Telecommunication Regulation and Spectrum Management for Sustainable Growth

Introduction

1. The purpose of a regulator is to balance societal objectives with economic vitality. In case of telecommunications, the central social objectives are communication for everyone (universal access), emergency communication, access for the disabled, and law enforcement. Before reforming is done in telecommunications sector in many countries, all communication requirements were largely provided by the government itself – mostly under monopoly condition. As the service providers and the regulator used to provide telecommunications services on behalf of government; the requirement of regulatory body was omitted. The same government used to deal with policy-making, some of the regulatory functions, allocate frequency to government players and provides all the services from the single standpoint.

2. In the eighties, most countries understood the increasingly important role of the telecommunications sector for economic growth. As a result, in primarily developed nations, policies evolved to introduce competition. In the nineties, partly as a result of national and global efforts, many countries introduced the reform by privatizing their national operators. And then governments began allowing the introduction of new services like mobile services and other value-added services. Here comes the liberalization part and governments felt the necessity of deregulation and competition.

Why Regulate?

3. Let’s get to the basic question, why should governments have to regulate telecommunication? I believe the emergence of telecommunication regulation has to do with promoting better competition. That was the basic but fundamental idea behind telecommunication regulation. If you revisit, the telecommunication has been an important development for public governance and beyond, over the past thirty years. This regulation has been embraced by the governments of the world as a tool of economic growth, but all that investment is a lot to ask in these austere times. And with few networks up and running, their benefits are still largely theoretical, and won’t materialize without a government in place that knows what to cultivate and when, including the investment, market competition and user demand. What contribution can be made effective for a regulatory governance to make the public policy challenges which now face governments, such as unemployment, ageing populations and climate change? How can regulatory policy help economies and societies find the path of sustainable growth?

4. As the government has started opening up the telecommunications market to competition, that has acted as a catalyst on a sector previously reserved for oligopolies. To keep up with demographic changes as seen in the telecommunication sector, the enlightened policy makers have adopted legislation which varies over time with technological progress and market requirements. These changes and developments have actually pushed the adoption of a new regulatory framework on telecommunications. The main aim of which is to promote and strengthen competition. That have been made possible by making market entry easier. This has also been done by stimulating investment in the sector.

5. Now, here comes another fundamental question. Introduction of competition in the telecommunication market doesn’t end here. Actually, the introduction of the same in the marketplace does not mean regulation is unnecessary. It seems difficult but the role of the regulator actually increases once governments authorize competition among the public and private sector’s new entrants. It is true particularly during the early stages of transition from the former model of monopoly provision as state provided initially to one of effective competition. In order to transition to an effective competitive environment into the market, the governments which was regulator too must establish a regulatory framework that can resolve disputes, address anti-competitive abuses, protect consumers. This doesn’t limit there. The same regulatory body needs to attain national goals such as universal access, meaning everyone have access to any form of communications, industrial competitiveness or economic productivity and growth.

Impact of Telecommunication Regulation

6. Telecommunication by itself have changed the whole paradigm shift. There are numerous studies where access to mobile telephone and broadband have direct impact to national GDP. Thereby, the effective telecommunication regulation has already made a significant contribution to economic development and societal well-being. Sustainable economic growth and development have been promoted through regulation’s contribution to structural reforms, liberalization of product markets, international market openness, and a less constricted business environment for innovation and entrepreneurship. But, once again – a clear, concise and effective legal, regulatory and institutional framework is critical for the attraction of private investment into the telecommunications sector of transition economies.

7. Regulatory policy has supported the rule of law through initiatives to simplify the law and improve access to it, as well as improvements to appeal systems. Such a framework is also critical to ensure that the transition economies maximize the benefits that flow from a competitive sector and from the introduction of, and widespread access to, the information communication technologies (ICT) that support today’s “information society”. Increasingly, it supports quality of life and social cohesion, through enhanced transparency which seeks out the views of the regulated, and programs to reduce red tape for citizens. On the contrary, the need for such a framework is particularly acute where there are increasing demands on limited capital investment for infrastructure upgrade and expansion, whereby potential investors have a wide range of opportunities to choose from globally, both in transition economies and otherwise.

8. The most forgotten aspect of the objective of telecommunication regulation is to ensure that regulations are in the public interest. The effective regulation has to work for the interest of the public sometimes not being looked after well. It actually addresses the permanent need to ensure that regulations and regulatory frameworks are justified for the people, of good quality and exactly “fit for purpose” or “as it deems fit”. An integral part of effective public governance, regulatory policy helps to shape the relationship between the state, citizens and businesses. An effective regulation supports economic development and the rule of law, helping policy makers to reach informed decisions about what to regulate, whom to regulate, and how to regulate. A clear, concise and effective legal, regulatory and institutional framework can be achieved through government and regulatory authorities ensuring that fundamental core principles for telecommunication regulation, such as those promoted by the World Trade Organization (WTO) and other regional bodies, are fully reflected in national telecommunication policy, legislation, regulatory implementation and administration. Evaluation of regulatory outcomes informs policy makers of successes, failures and the need for change or adjustment to regulation so that it continues to offer effective support for public policy goals.

9. The rapid changes in the field of telecommunications have prompted both regulators around the world and the entities they regulate to examine the effectiveness of regulatory structures, practices, and procedures governing today’s telecommunications marketplace. In a fully competitive environment, there is a more limited need for regulation. There is a school of thought, prevalent in certain parts of developing nations, and elsewhere, that says the only good regulation is no regulation. That may be true for some highly developed nations in certain advanced markets with reasonably self-regulating players. But under many circumstances, and especially for developing nations, unregulated markets simply won’t work. Indeed, poor regulation or no regulation can be downright detrimental, both to the growth of the particular market and to the country’s overall economic growth.

10. However, regulatory authorities still have a critical role to play, particularly given the dynamic role of the sector and the unsettled issues that new technologies may introduce into the regulatory environment. Moreover, in certain areas, regulators need to maintain a prominent role because market forces often fall short of creating the conditions necessary to satisfy public interest objectives such as universal access and service.

Why Regulating Spectrum?

11. Since the telecommunication regulation, the management of the electromagnetic spectrum has become a contentious activity which required focused analytic studies in order to ensure coexistence of users without conflict. Radio spectrum is a limited resource and congestion in some frequency bands has increased dramatically as a result of the rapid evolution of telecommunications technologies, the fast expansion of services and the increasing market competition. Today, spectrum is without any doubt one of the most tightly regulated resources of all times. The fierce competition for access to radio frequency bands is a direct consequence of its decisive importance in today’s economic, social and even private life.

12. Now, the spectrum itself does have its impact towards economic growth. Its important role in the development of the economy and even political visibility led the states to classify the spectrum as a resource under strict national sovereign control. But, the control of spectrum is still difficult when it comes to international boundaries. As radio waves do not respect national borders and services are of a global nature, all nations recognize that the exercise of international co-ordination. Now, the harmonization on spectrum use and allocation has become fundamental to ensure an interference-free environment even within the country itself. That demands the management of spectrum in every state level.

Conclusion

13. When considering the impact of telecommunication regulation and spectrum management for sustainable growth, the outcomes are enormous. If we consider regulations and management of some scarce resources are important because they help maintain order, they reduce conflicts and facilitate optimized management. Regulations also stipulate the cost of non-compliance for each offence, therefore ensuring equity. Regulations serve to maintain the public trust, and management offers optimized use of some scarce resources. Society, which depends greatly upon the consensus based regulation to increase its quality of life and its understanding of level playing field, has begun to demand accountability. And, we mitigate that accountability part by ensuring proper management.

Read Full Post »

Knowledge is power.

Sir Francis Bacon rightly predicted the future.

Let’s talk about economies dependent mostly on knowledge.

Knowledge based economy usually carries a definition that depends instead of old fashioned assembly/manufacturing of goods and products, to one that is based on research, knowledge, skill and wisdom.

Look at Singapore.

Once I read a book “As The Future Catches You” where the author asserts that nations wishing to prosper should depart from traditional resource-based economies and focus on developing “value-added” service industries. We have seen developing countries entering into higher value added downstream service activities and they are just growing. Why reinventing the wheel? We need to look around and understand why they have done it and customize that down to our need(s).

Perhaps, it was in 2006 where Fareed Zakaria wrote in one of the special editions of Newsweek on “Knowledge Evolution” and I still carry the copy;

If the rise of science marks the first great trend in this story, the second is its diffusion. What was happening in Britain during the Industrial Revolution was not an isolated phenomenon. A succession of visitors to Britain would go back to report to their countries on the technological and commercial innovations they saw there. Sometimes societies were able to learn extremely fast, as in the United States. Others, like Germany, benefited from starting late, leapfrogging the long-drawn-out process that Britain went through.

This diffusion of knowledge accelerated dramatically in recent decades. Over the last 30 years we have watched countries like Japan, Singapore, Taiwan, South Korea and now China grow at a pace that is three times that of Britain or the United States at the peak of the Industrial Revolution. They have been able to do this because of their energies and exertions, of course, but also because they cleverly and perhaps luckily adopted certain ideas about development that had worked in the West—reasonably free markets, open trade, a focus on science and technology, among them.

We should not be taken by surprise that countries like Japan, Singapore, Taiwan, South Korea and China not only outpaced US and UK, but cleverly adopted ideas that had worked there. They all saved R&D cost, leapfrogged to catch-up.

Back to basics. Some might argue that we need to change our model from a low cost assembly/manufacturing where most of our industries and businesses depend on cheap labour, to one that is based on knowledge and innovation. Changing model requires a great deal of learning and the learning curve depends upon proper knowledge transfer. And, yes! Are we ready for it? Little learning can be dangerous too.

Look at emerging economies where information or the so called knowledge economy is working as the guiding principle for poorer countries having a chance to get out of their present condition. Countries those are trying, they all have some sort of action plan. And, now we have one.

I personally had a blast when I have undergone a policy framework training under IDA, the merged Information and Communication regulator+policy maker of Singapore.

I believe it all started with the merger of ICT and Telecom in to one entity back in 1999 and a eGovernment Action Plan (eGAP) to fulfill the vision of making Singapore to one of the leading knowledge based economies in the world.

Please be advised, sticking to blue time line would give you better assimilation.

[The time line is linked here as a facebook album for enlarged view]

Read Full Post »

Older Posts »

%d bloggers like this: