Feeds:
Posts
Comments

Posts Tagged ‘net neutrality’

Net neutrality is the founding principle of the internet. It guarantees that all data packets are treated equally. This principle guarantees that the internet will remain diverse, innovative, and free. Telecoms companies want to change that. They want to establish new business models based on discrimination and restrictions. We cannot give up the economic and social value of the internet just to help a handful of companies to make more money.

Act now to tell your representatives to protect our rights and freedoms. The best way to do this is by calling a Member of the European Parliament (MEP). But you can also send them a Fax, a letter or an E-Mail – we provide you with all the information and calling them is free of charge.

– Statement from ‘SaveTheInternet.EU’

EU-save-the-internet১৪.

আমাদের মতো দেশে ‘সংযোগ বিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করবেন সবাই। এই আমাকে। কথা ঠিক আপনার। বিনি পয়সায় দিলে ক্ষতি কি শুনি? নাই মামার থেকে কানা মামা তো ভালো, তাই না? সত্যি তাই। তবে, আসলে কি তাই? ‘জিরো ইন্টারনেট’ ব্যাপারটা বিভ্রান্তিকর। আমাদের বিশাল একটা শতাংশের মানুষ ভাবে, ফেসবুকই ইন্টারনেট। অথচ, ফেসবুকে সত্যের পাশাপাশি চলছে হাজারো গল্প। সত্যি কি সবই? হতাশ হই, বিশাল একটা জনগোষ্ঠী পড়ে আছে এই এক সাইটে। আমরা বড় হচ্ছি ফেসবূককে ‘ইন্টারনেট’ ভেবে। পুরো জনগোষ্ঠীর কতোটা সময় নষ্ট হচ্ছে একটা ফুলপ্রুফ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের অভাবে।

১৫.

কুপের মতো ব্যাপারটা। যা হয়তোবা আসল ইন্টারনেটের ‘শূন্য দশমিক’ কিছু শতাংশ হতে পারে। অথবা নামমাত্র আরো ২৮টা সাইট। বের হতে পারছে না ওই গন্ডি থেকে। সবার কথা একটাই, কয়েকটা সাইটকে এই ‘এক্সক্লুসিভ’ সুযোগ না দিয়ে সবাইকে দিন অ্যাক্সেস। আগের মতো। বরং চার্জ করুন একটা সহনীয় মাত্রায়। আমাদের মধ্যম আয়ের মানুষদের কথা মাথায় রেখে। আজ যা ইন্টারনেট গ্রাহক, তা তৈরি হয়েছে এই ‘অসহনীয়’ চার্জের ভেতরে থেকেই। কমিয়ে দিলে সুবিধা হয় সবার। ‘চ্যারিটি’ করতে বলছে না কেউ।

১৬.

এই ফাঁকে ছোট্ট একটা গল্প পাড়ি, কি বলেন? ‘আসল ইন্টারনেট’ কিন্তু ভয়াবহ রকমের বড়। আমরা যা দেখি, মানে ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন যেগুলোকে খুঁজে পেতে নিয়ে আসে সেটাও কিন্তু আসল ইন্টারনেটের একটা ছোট্ট ছোট্ট ভগ্নাংশ। ওর একটা নাম আছে। ডীপ ওয়েব। ‘ডীপনেট’ বলেন অনেকে। আমরা বলি ‘অদৃশ্য’ অথবা ‘লুকানো’ ইন্টারনেট। সার্চ ইঞ্জিনকে মাছ ধরার জাল হিসেবে তুলনা করে পৃথিবীর সব সমুদ্রকে যেভাবে ছেঁকে আনা সম্ভব নয়, সেভাবে হাজারো জিনিস থেকে যায় আমাদের দৃষ্টির বাইরে। সিকিউরিটি স্পেশ্যালিস্টের মাথা ব্যাথা শুরু ওখানেই।

১৭.

এডওয়ার্ড স্নোডেনের কাগজ ঘাটলে পরিষ্কার হবে আরো। সার্চ ইঞ্জিনের মাতবরী ওই ‘সারফেস’ ওয়েব পর্যন্ত। আইসবার্গের চূড়াটাই হাতের নাগালে তাদের। আচ্ছা, ডীপ ওয়েব মানে ডার্ক ওয়েব – যা তৈরি হাজারো বেনামী নেটওয়ার্ক নিয়ে (ধরুন টর নেটওয়ার্ক, টেইলস, আইটুপি – যেটা নেটওয়ার্কের ভেতরের নেটওয়ার্ক … বেহুস হয়ে যাবার যোগাড়) – কতো বড় হতে পারে আমাদের ‘সারফেস’ ইন্টারনেট থেকে? অনেক আগের একটা এষ্টিমেশন থেকে জানা যায় ‘ডীপ ওয়েব’ নিদেনপক্ষে ৪০০ থেকে ৫৫০ গুণ বড়। তাও সেটা অনেক বছর আগের হিসেব। এখন যোগ হয়েছে আরো অনেক কিছু। ভয় ধরানো পেশা নয় আমার। ফিরে আসি – সাধারণ ইন্টারনেটের ‘অস্তিত্বে’র গল্প নিয়ে।

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

“Net neutrality” has been built into the fabric of the Internet since its creation — but it is also a principle that we cannot take for granted. We cannot allow Internet service providers (ISPs) to restrict the best access or to pick winners and losers in the online marketplace for services and ideas. That is why today, I am asking the Federal Communications Commission (FCC) to answer the call of almost 4 million public comments, and implement the strongest possible rules to protect net neutrality.

Statement by the President Barack Obama on Net Neutrality

save1০৫.

ইন্টারনেট কিন্তু তৈরি হয়নি এজন্য। এতোদিন আপনি অপারেটর ‘ক’ তে থাকলেই কল করতে পারতেন ‘হেলথকেয়ার’ কলসেন্টারে। অপারেটর ‘খ’য়ের গ্রাহকদের কি দোষ? ‘কৃষি জিজ্ঞাসা’তে কল করতে পাল্টাতে হবে সিম আবার। ওই সিমের পয়সাটা দেবে কে শুনি? এই তো দেখে আসছি টেলকো’দের ‘ওয়ালড গার্ডেন’ মানে তৈরি করা ‘ইচ্ছে কুপে’। ইন্টারনেট এসে উড়িয়ে দিয়েছে সব কিছু। ফেসবুকে যেতে আলাদা করে সংযোগ নিতে হয় না আপনাদের। ইন্টারনেট নামের মহাসড়কে সংযোগ থাকলেই হলো। এই ইন্টারনেটই তৈরি হয়েছে হাজারো মতের ওপর দিয়ে। সহিষ্ণুতা এর বড় চাবিকাঠি। সব ধরনের মত নিয়ে তৈরি হয়েছে এই বিশাল সীমানাহীন দেশ। সব মত যে ভালো লাগবে সবার – সেটাও নয়। আপনার ভালো না লাগলে সেখানে না গেলেই হলো। আপনাকে তো বন্দুকের মুখে নিয়ে পড়তে বলেনি তার ব্লগ পোস্ট। এটা এমন যে আমার ধর্ম পালন করছি আমার পরিমণ্ডলে। অন্যকে না খোচালেই তো হলো। আপনার খোঁচা লাগলে উত্তর তৈরি করুন যুতসই। নয় গালাগালি।

০৬.

প্রথম প্রথম সার্চ ইঞ্জিন বের হলে হুমড়ি খেয়ে পড়লো মানুষ। নব্বইয়ের শুরুর ঘটনা। ‘সেক্স’ শব্দটা ছিলো এক নম্বরে। কই সার্চ ইঞ্জিন ‘ব্যান’ করেনি জিনিসটাকে। নিষিদ্ধ করলেই বরং বাড়ে ব্যাপারটা। সৃষ্টিকর্তা আমাদের তার অনেক গুণের মধ্যে বিচার বুদ্ধিটা দিয়েছেন আগে। সৃষ্টিকর্তার প্রতিনিধি বলে হয়তোবা। কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ সেটাকে বেছে নিতে পাঠানো হয়েছে আমাদের এই নশ্বর পৃথিবীতে। নিজের দেখভাল নিজের। আর সেকারণে আমরা প্রাপ্তবয়স্ক। বাচ্চাদের দেখভাল করার দ্বায়িত্ব আমাদের। তাই কম্পিউটারটা এনে রাখা ওপেন স্পেসে। আর সবকিছুর খারাপ ভালো দিক আছে বলেই হাজারো ‘নিষিদ্ধ’ জিনিস পাওয়া যায় এখানে সেখানে। পৃথিবী তো আর স্বর্গ নয়, এটা পরীক্ষার যায়গা। ভালো কাজের পুরস্কার আছে সব ধর্মে। যারা সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করেন না সেটাও একটা ধর্ম। সেটাও একটা ‘অ্যাট্রিবিউট’। পদার্থের ধর্মের মতো।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

I care about a lot of issues. I care about libraries, I care about healthcare, I care about homelessness and unemployment. I care about net neutrality and the steady erosion of our liberties both online and off. I care about the rich/poor divide and the rise of corporate business.

― Sara Sheridan

save3০৩.

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কম্যুনিকেশন কমিশনকে (আমাদের বিটিআরসি’র মতো) কম ধকল পোহাতে হয়নি এটাকে নিয়ে। এটা নিয়ে অনেকবার আলাপও হয়েছিল বেশ কিছু রেগুলেটরদের সাথে। ‘এফসিসি’সহ। বিলিয়ন ডলারের অপারেটরদের কথা একটাই। ডাটা পাইপ দিচ্ছি আমরা। আমরা জানি কাকে আটকাবো আর কাকে নয়। ভাবখানা এমন, পয়সা না দিলে ফেলে দেবো ‘স্লো’ জোনে। ভয়ংকর কথা। অথচ পাইপের টাকা নিচ্ছে কিন্তু গ্রাহকদের কাছ থেকে। দরকার আরো টাকার। এখন টাকার খেলা। ক্যারিয়াররা ভালো করেই জানেন মোবাইল ডাটার ৮৫% রেভিনিউ হারাবেন ওয়াইফাই প্রোভাইডারদের কাছে। ২০১৮ সালের পরে। তবে টাকা রয়েছে এমুহুর্তে। তাদের কাছে। অনেক দেশের রেগুলেটর হার মেনেছে তাদের কাছে। বিনি পয়সায় দিচ্ছি ইন্টারনেট। কার কি বলার আছে?

০৪.

কিন্তু সেটাই ‘বিভক্তি’ তৈরি করছে ইন্টারনেটে। আজ সচলায়তন, কাল সামহোয়ারইনব্লগ। অ্যাক্সেস পাবে কি না সেটা নির্ভর করবে টেলকো’র ওপর। এই ‘জিরো ইন্টারনেট’ ক্যাম্পেইন হচ্ছে তার ‘নিষ্পাপ’ মুখ। আজ সুবিধা দেয়া হচ্ছে ফেসবুককে। কাল দেয়া হবে ‘উইকি’। পরশুদিন আপনার তৈরি অ্যাপকে ব্রাউজ করতে হবে গাটের পয়সা খরচ করে। রেগুলেটর কি পারে ফেসবূককে সুবিধা দিতে? আলাদাভাবে? আপনার অ্যাপ অথবা সাইটের ওপর? ফেসবুকের পয়সা আছে বলে ও পাবে ‘জিরো ইন্টারনেট’, আর আপনি? আপনার দোষ কোথায়? আপনি দেশী কোম্পানী তাই? আবার আপনার মামা চাচা মানে ‘পয়সা’ আছে বলে অ্যাক্সেস পাবেন আর ভিন্ন মতাবলম্বী হলে সাইট পড়ে থাকবে ‘স্লো’ জোনে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

%d bloggers like this: