Feeds:
Posts
Comments

Archive for October, 2015

If you have something that you don’t want anyone to know, maybe you shouldn’t be doing it in the first place.

– Eric Schmidt, Google

০৭.

পাগলেও করে চিন্তা, বিশেষ করে ভবিষ্যত নিয়ে। ‘দিন আনি দিন খাই’ মোডে থাকলেও কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন ‘ডাটা’ চিন্তা এনে দেয় এমনিতেই। অনলাইন বিশ্বে একটা অ্যাপ বিক্রি হয় দেশের পুরো রিজার্ভের টাকা দিয়ে। টাকাটা কোথায় আসলে? আমার ধারনা ‘অ্যানালিটিক্সে’। সবাই জানে, ডাটার ভিজ্যুয়ালাইজেশন আসে এই টূল থেকে। সত্যিকারের ভবিষ্যত দেখতে পারে এই জিনিস। মানুষ ‘কি করে’ আর ‘কি না করে’ তার সবকিছু দেখতে পায় বর্তমান যুগের একেকটা অ্যাপ। মানুষের তথ্য নিয়ে কায়-কারবার হলেও তথ্য থেকে আপনি কি দেখতে চান – কি কি ‘ইন্টারপ্রেট’ করবেন – আর কি ‘প্রজ্ঞা’ নেবেন সেটাই হচ্ছে আর্ট। বিলিয়ন ডাটার ওপর বসে আছি প্রতিনিয়ত। দেখতে না চাইলে অন্য কথা। তবে দেখছে অনেকেই। ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা ওখানেই। আর সেটা না হলে মানুষের ‘অমরত্ব’ নিয়ে কাজ করছে কেন গুগল? পয়সা পাচ্ছে কোথায়?

ধারনা পোক্ত হবার জন্য ‘পার্সন অফ ইন্টারেস্ট’ দেখতে হয় না। চার নম্বর সীজনটা খারাপ নয় একেবারে। নিয়ে আসছি নতুন নতুন গল্প। ভেগে যাচ্ছেন নাকি?

০৮.

ওরেগনের একটা কম্যুনিটি কলেজের ‘মাস শুটিং’য়ের নিউজ দেখেছেন নিশ্চয়ই। টিভিতে। শুটিংয়ের পর এটা নিয়ে একটু রিসার্চ করতেই পাওয়া গেল বেশ কয়েকটা লীড। শুটিংয়ের আগের রাতে শুটারের বেশ কয়েকটা পোস্ট দেখলে ভাবিয়ে তুলবে আপনাকেও। শুটার কি করতে চাচ্ছে সেটার একটা স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যায় ওই পোস্টগুলো থেকে। কিছুটা ‘গ্লিবারিশ’ মনে হবে প্রথমে, কিন্তু মিনিট দুইয়ের মধ্যে ধারনা পেয়ে যাবে যে কেউ। ওখানেই বেশ কয়েকজনকে পাওয়া গেল বুদ্ধিদাতা হিসেবে। মানে, কিভাবে ঘটাতে হবে ওই জঘন্য হত্যাকান্ড। শুটারের মায়ের বেশ কয়েকটা অনলাইন অ্যাক্টিভিটি পাওয়া গেল ছেলের মানসিক সমস্যা নিয়ে। আগের শুটিংগুলোও ব্যতিক্রম নয় এই ঘটনা থেকে। একই ধরনের প্যাটার্ন। আর এই প্যাটার্ন ‘প্রেডিক্ট’ করতে পারলে বেশিরভাগ ঘটনা আটকানো সম্ভব আগে থেকে। হিসেবে বলে – যারা মারা যান তাদের বড় একটা সংখ্যা শুটারদের চেনেন আগে থেকে। অনেকে আঁচ করতে পারেন কি হতে পারে সামনে। ফ্ল্যাগটা তোলেন হয়তোবা। তবে সেটা বেশ দেরিতে। ঘটনাগুলো ঘটছে কিভাবে তাহলে? টাইমলাইনে প্লট করলে বোঝার কথা।

০৯.

‘পার্সন অফ ইন্টারেস্ট’ সিরিজটা মাথার ওপর দিয়ে যায় বলে ‘না পছন্দ’ অনেকের। এদিকে, ফালতু তথ্যের মধ্যে থেকে ‘ইণ্টেল’ বের করার অ্যালগরিদম নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দিনে দিনে ঝোঁক বেড়েছে বরং। শুধু ফিউচারিস্টিক নয় বলে, ব্যাপারগুলো দুই দুই মিলে চার হয় বলে দেখি মন লাগিয়ে। আর আমার প্রিয় ‘ইনফর্মেশন ওভারলোড’ ব্যাপারটা তো আছেই। শত্রুকে ‘স্মোকস্ক্রীন’ দেবার মতো করে ফালতু তথ্য দিয়ে করে দাও ওর সিষ্টেম ওভারলোড। নষ্ট করে দাও ওর সময়। বাই দ্য টাইম, ও যখন বুঝবে, ততোক্ষনে পগারপার আমরা। ওই গল্প থেকে অনেক অনেক বড় জিনিস ঘটে যাচ্ছে প্রতিদিন আমাদের আশেপাশে। মোবাইল নিয়ে আলাপ নয় আজ। ফিরে তাকাই পেছনে। ব্রাউজারের দিনে ফিরে যাই বরং। অনলাইন মার্কেটিং তো শুরু হলো দেশে। তবে সেটা অনেকদিন ধরে চলে আসছে পাশ্চাত্যে। বছর কয়েক আগে অডিও-টেকনিকার একটা হেডফোন অর্ডার করেছিলাম অ্যামাজনে। এর আগে কিছুটা রিসার্চ করেছিলাম গূগলে। কোন মডেলটা কিনবো, সেটার নম্বর আমার আগেই বলে দিল সার্চ ইঞ্জিন। আগে কি কি কিনেছি সেটার ইতিহাস ঘেঁটে এখন কি কিনলে ভালো সেটা বলে দিচ্ছে ও। হাই-রেজল্যুশন অডিও কি কি কিনতে পারি সেটার লিস্টিও দেখি দিচ্ছে দিয়ে। আচ্ছা, ও আমাকে চিনলো কিভাবে?

[ক্রমশ:]

Advertisements

Read Full Post »

%d bloggers like this: