Feeds:
Posts
Comments

Archive for the ‘100 Seconds Dot’ Category

The reader does not start by knowing what we mean. If our words are ambiguous, our meaning will escape him. I sometimes think that writing is like driving sheep down a road. If there is any gate opens to the left or the right the readers will most certainly go into it.

– C. S. Lewis

০১.

টেকনোলজি ভিত্তিক লেখালিখির চাহিদা বরাবরই কম। আবার, ব্যাপারটা এমন যে এটাকে ফেলে দিতে পারছে মানুষ একেবারে, সেটাও না। প্রতিদিন এটাকে কাজে লাগিয়ে সময় না বাঁচালে মানুষ সেটা ব্যবহার করবেই বা কেন? এদিকে ম্যানুয়ালের মতো রসকষহীন জিনিসটাকে একদম না পছন্দ মানুষের।

উপায় কী?

০২.

অনেক দেশ জিনিসটাকে ফেলে দিয়েছে মাঝামাঝি একটা জায়গায়। ডামিজের কথাই ধরুন। ‘এটা ফর ডামিজ’, ‘ওটা ফর ডামিজ’ – কোন বিষয়ের ওপর বই নেই ওদের? সেদিন একটা টাইটেল পেলাম, ‘সেলাই ফর ডামিজ’। যাব কোথায়? ওদেরই আছে প্রায় তিন হাজারের মতো টাইটেল। ‘কমপ্লিট ইডিয়ট গাইড’ সিরিজটা হচ্ছে আরেক পাগলের কারখানা। ‘টিচ ইওরসেল্ফ’ সিরিজটাও কিন্তু অনেক নামকরা। বইগুলো আপনাকে ডক্টরাল জিনিসপত্র না শেখালেও প্রাণহীন জিনিসকে কিভাবে উপস্থাপন করতে হয় – সেটা চেয়ে দেখাও একটা আর্ট। ওই মুগ্ধতায় বইয়ের পর বই কিনি ওই আর্ট শিখতে। বিষয় কঠিন, কিন্তু উপস্থাপন দেখে মনে হবে লেখা হয়েছে বারো বছরের বালকের জন্য।

০৩.

বছরখানিক ধরে একটা বড় সুযোগ হয়েছিল ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ নিয়ে পড়ার। জন বিবর্জিত আফ্রিকার সময়টা পড়ার পাশাপাশি ভাবিয়েছে আমাকে বরং। প্রোগ্রামিং শিখলে সমস্যা সমাধানে যে বিশাল ‘আই-ওপেনিং’ হয় সেটা যারা জানেন তারাই বলতে পারবেন কতোটা এগিয়েছেন অন্যদের থেকে। পাওয়া জ্ঞান, মানে যেটা আছে এমুহুর্তে আর লজিক নিয়ে মানুষ কিভাবে ‘রিজনিং সিস্টেম’ থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছায় সেটা জানতে গিয়ে বোকা বনে গেলাম নিজে। আমাদের সরকারী-বেসরকারী হাজারো সংস্থায় অনেক কাজ ঝুলে থাকে সিদ্ধান্তহীনতায়। আবার আমাদের ‘কগনিটিভ বায়াস’ মানে ‘জ্ঞানীয় পক্ষপাত’ অনেক সিদ্ধান্তকে ফেলে দেয় পানিতে। প্রয়োজনীয় সব উপাত্ত থাকা সত্ত্বেও। মানুষের চিন্তার সীমাবদ্ধতা কিছুটা ধরতে পারছি বলে মনে হচ্ছে আমার। বিশেষ করে ইদানিং। একটা ভালো ‘ডিসিশন সাপোর্ট সিষ্টেম’ একটা দেশকে কোথায় নিতে পারে সেটা দেখা যায় ‘রেড ডট’কে দেখলে। অথচ, ওই দেশটা দুর্নীতিতে ছিল সেরা।

০৪.

নিউইয়র্কের একটা রাইটিং ওয়ার্কশপে গল্প শুনেছিলাম একটা। ওই ইনিয়ে বিনিয়ে বলা গল্পটার অর্থ হচ্ছে ‘যদি বেশি শিখতে চাও, তাহলে লেখা শুরু করো ব্যাপারটা নিয়ে।’ তবে এটা ঠিক যে যখনই শুরু করবেন লেখা, আপনার ‘মাইন্ডসেট’ আপনা আপনি ‘অ্যালাইন’ হওয়া শুরু করবে বিষয়টার সাথে। জিনিসটা বোঝার বাড়তি সক্ষমতা তৈরি হবে লিখতে লিখতেই। ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ নিয়ে প্রথমে শুরু হবে ব্লগপোস্ট। পরে সেটা বই হবে কিনা সেটা বলবেন আপনারা।
সমস্যা একটাই।

০৫.

সিরিজটার নাম নিয়ে। যেটার ‘রিফ্লেকশন’ গিয়ে পড়বে বইয়ের নামেও। ডামিজের মতো ‘বেকুবদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ বললে চটানো হবে আমাদের। মানে পাঠকদের। ‘আমজনতার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ বা ‘বোকাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ বললে একটাও বাড়ি পড়বে না মাটিতে সেটা আর না বলি।

এখন বলুন, কী নাম দেব সিরিজটার? একান্ত সহযোগিতা চাইছি আপনাদের।

[ক্রমশ:]

[আপডেট]

অনেকগুলো নাম পেয়েছি ফেসবুক থেকে। বিশেষ কিছু নিয়ে এলাম এখানে। এখনো আঁকুপাকু করছে মন। ধারনা করছি আরো ভালো কিছু নাম দেবেন আপনারা।

Mahbub Farid: আমাদের সময় ছিল, ‘মেইড ইজি’ – বাই এন এক্সপার্ট হেডমাস্টার..

Mahbub Farid: naveed used to do a show ‘ busy der easy’ show. so you can think in that line. instead of straight away insulting the intelligence of the readers, you can blame their ‘busy’ schedules, and then provide a solution they can grasp despite their preoccupation.

Humaid Ashraf: “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহজ/সরল পাঠ” – কেমন হয়?

Ragib Hasan: সিরিজের নাম দেয়াটা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রশ্ন হলো আপনি এই সিরিজে কয়টি বই লিখবেন? আমার নিজের লেখাগুলা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নানা কাজ করার প্রকৌশল বলে আমার বইগুলার নামে “কৌশল” আছে, যেমন বিদ্যাকৌশল, মন প্রকৌশল এরকম। আপনি এই ক্ষেত্রে বিদেশী সিরিজের নামের আক্ষরিক অনুবাদ না করে বরং আপনার উদ্দেশ্য কী তার উপরে ভিত্তি করে নাম ঠিক করতে পারেন। যেমন ধরেন হতে পারে “সহজ সরল অমুক”। আমার পরিচিত ছোটভাই এবং শিক্ষক.কম এর একজন নামকরা শিক্ষক Jhankar Mahbub তার প্রোগ্রামিং এর বইয়ের নাম যেমন রেখেছে “হাবলুদের জন্য প্রোগ্রামিং”। এভাবে ভাবতে পারেন।

Don Michel: আগ্রহীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

Iftekhar Hossain: “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অতিপ্রাকৃত চিন্তা”

Abu Abdulla Sabit: স্মার্টফোন পরবর্তী জীবনঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ট্রিলিয়ন ডলার আইডিয়া সমূহ।

আমার মন বলছে আরো ভালো কিছু নাম অপেক্ষা করছে সামনে। বিস্মিত করুন আমাকে!

Advertisements

Read Full Post »

The two most important days in your life are the day you are born and the day you find out why.

– Mark Twain

০৪.

আমার নিজের একটা তত্ত্ব আছে এই ‘কানেক্টিং দ্য ডটস’ নিয়ে। হয়তোবা এতো বছরের উপলব্ধি থেকে তৈরি হয়েছে জিনিসটা। অনেক কিছু পড়তে গিয়েও আসতে পারে ধারনাটা। ব্যাপারটার নাম দিয়েছি ‘ক্যানভাস’ তত্ত্ব। প্রতিটা মানুষ পৃথিবীতে আসে একটা সময়ের জন্য। ধরে নিন – ওই সময়টাতে সমমাপের একেকটা ‘সাদা ক্যানভাস’ নিয়ে আসি আমরা। জন্মের পর ওই একেকটা জ্ঞান একেকটা বিন্দু হয়ে আঁকা হতে থাকে ওই ক্যানভাসে। সবার ক্যানভাসের জায়গা সমান হলেও যে শিখবে যতো বেশি, তার বিন্দু হবেও বেশি। এক যায়গায় কারো বিন্দু বেশি হলে সেগুলো চলে আসবে কাছাকাছি।

০৫.

হাটতে শেখার জ্ঞানটাকে প্লট করুন একটা বিন্দু দিয়ে। সেভাবে দৌড়ানোটাও আরেকটা বিন্দু হয়ে যোগ হবে আগের হাঁটতে শেখার বিন্দুর কাছাকাছি। সাঁতার শেখাটাও কিন্তু আরেকটা বিন্দু। এগুলো সব কাছাকাছি বিন্দু। তেমন করে ক্লাস ওয়ান পড়াটা একটা বিন্দু, ক্লাস টু আরেকটা। এক ধরনের জ্ঞানগুলোর বিন্দুগুলোই আঁকা হতে থাকে কাছাকাছি।

০৬.

আর এভাবেই তৈরি হতে থাকে একেকটা ‘ফ্লো অফ আইডিয়া’। কয়েকটা বিন্দু মিলে হয় একেকটা ‘ওয়ার্কফ্লো’। যুক্ত হতে থাকে ওই ‘ডটেড’ ইভেন্টগুলো। পাশাপাশি। তৈরি হয় ‘বিগ পিকচার’। মনে আছে ওই প্রথম ভিডিও’র বিন্দু থেকে আঁকা পাখিটার মতো? আর সেসময়ে তৈরি হয় ওই ‘আহা’ মুহূর্তটা!

০৭.

সময় আর অভিজ্ঞতা থেকেই চলে আসে আরো অনেক ‘ডট’। দুটো ‘ডটে’র মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনে নতুন নতুন জ্ঞান মানে ওই ‘ডট’ প্রতিদিন। মানে নতুন নতুন প্রসেস করা তথ্য। একেকটা বিন্দুর ‘ইনফ্লুয়েন্স’ চলে আসে পরের বিন্দুগুলোর ওপর। আর সেকারণে পেছনের ওই গায়ে গায়ে লাগানো ডটগুলো প্রজ্ঞা দেয় তৈরি করতে – আমাদের সামনের ডটগুলো। ভবিষ্যত দেখার প্রজ্ঞা। কিছুটা বুঝতে পারি এখন – কি করতে চাই জীবনে।

০৮.

যে যতো শেখে তার ক্যানভাসে বিন্দুর সংখ্যা বেশি। আবার, বেশি বেশি বিন্দুতে কাছাকাছি বিন্দুগুলো ‘ইনফ্লুয়েন্স’ করে যে জায়গাগুলোতে – যেখানে বিন্দু পড়েনি এখনো। সেকারণে ওই বিশেষ জ্ঞানটা তার না থাকলেও কাছের বিন্দুগুলো থেকে ‘কনটেক্সচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ নিয়ে নেয় ওই মানুষটা। এর সোজা মানে হচ্ছে সেই মানুষটা ‘কানেক্ট করতে পারে ওই ডটগুলোকে। আমার ধারনা, সেটার আউটকাম হচ্ছে ড্যানিয়েল গোল্ডম্যানের ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’। কিছুটা উপলব্ধির ‘বিগ পিকচার’।

কেন দরকার?

নিজেকে চিনতে। আরো ভালো করে বললে, জানতে – কেন এসেছি দুনিয়াতে।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

What we see in the Maker Movement, is that a relatively small amount of people can have a big impact. You don’t necessarily need the world largest company behind you.

– Dale Dougherty

Formal education will make you a living; self-education will make you a fortune.

– Jim Rohn

০১.

এটা ঠিক প্রোগ্রামাররা পৃথিবীকে মুঠোয় পুরেছে বেশ আগেই, কিন্তু সেটার পাশাপাশি আরেকটা “স্কিলসেট” প্রয়োজন দুনিয়া জয়ে। আর সেটা দেখতে দিব্যদৃষ্টির দরকার নেই এখন। আপনার ওই প্রোগ্রামিং দিয়ে চালাতে হবে যন্ত্র একটা। তৈরি করতে হবে মানুষের নিত্যদিনের কাজে লাগবে এমন জিনিসের প্রটোটাইপ। সেটা ঠিক মতো চললে তো কেল্লাফতে। দুনিয়া জুড়ে “মেকার’স মুভমেন্ট” দেখলে বুঝবেন কী বলতে চাচ্ছি এখানে। সামনে ব্যাচেলর’স আর মাস্টার’স করে যে কিছু হবে না সেটা বুঝতে পেরেছে অনেকগুলো দেশ। আর সেকারণে “মেকার’স মেনিফেস্টো” নিয়ে এগোচ্ছে তারা। ইনডাস্ট্রিয়াল রেভোল্যুশনের পর ফিরে যাচ্ছি স্মার্ট যন্ত্রেই। এখনকার সব যন্ত্রই হবে স্মার্ট – যাতে বুঝতে পারে মানুষকে। সেটা বানাবে কে?

০২.

‘চাকরি চাকরি’ করে পাগল হয়ে যাচ্ছে আশপাশের মানুষ। ‘বিগ পিকচার’ দেখাতে পারিনি তাদের। তবে ইন্টারনেটের কল্যাণে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনেকেই ট্রেন্ডটা ধরতে পেরেছেন বলে মনে হলো। অন্তত: আমার রিসার্চ তাই বলে। তবে সেটা অনেক অনেক কম। আমার ফেসবূক ফ্রেন্ডলিস্টের অনেককেই দেখেছি সাহস করে মাথা খাটিয়ে নেমে গেছেন ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসায়। বাসার কম্পিউটারে ডিজাইন করে প্রোডাক্ট বানিয়ে আনছেন কিছু কিছু উদ্যোক্তা। সুদূর চীন থেকে। এটাই হচ্ছে “ডেমোক্রেটাইজেশন অফ টেকনোলজি”। ‘প্রোটোটাইপিং’ এর জন্য ‘থ্রীডি প্রিন্টার’ ধসিয়ে দেবে আগের বিজনেস মডেল। আগের মতো বিশাল প্রোডাকশন লাইন তৈরি করতে হচ্ছে না আপনাকে। নতুন করে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস কোম্পানীও তৈরি করতে হবে না আপনাকে।

০৩.

মাথা খাটিয়ে সুন্দর ডিজাইন করে অ্যাপলকেও টেক্কা দিতে পারেন আপনি। ‘শাওমি’র তো নিজের ডিসট্রিবিউশন চেইন নেই। তাই বলে কী সে ঠেকে গেছে কোথাও? মানুষ কী চায় সেটা নিয়ে রিসার্চ করে আপনিও দিতে পারেন নিজের মোবাইল হ্যান্ডসেট কোম্পানী। অথবা ‘ফিটবিটে’র মতো প্রোডাক্ট। ‘আলিএক্সপ্রেসে’ গিয়ে দেখেন কী অবস্থা! কোটি কোটি প্রোডাক্ট তৈরি করছেন আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষ। মাস লেভেলের প্রোডাকশনে চীনকে টেক্কা দিতে বলেছে কে আপনাকে? ডিজাইন দেবেন – বানিয়ে দেবে গুটিকয়েক মাস প্রোডাকশন কোম্পানী। অ্যাপলও তাদের সবকিছু বানিয়ে আনে ওখান থেকে। ওই ইকোনমি অফ স্কেলের কারণে। এখন কেউ নিজ থেকে সবকিছু বানায় না – বরং সবাই ভাগাভাগি করে নেয় জিনিসগুলো।

০৪.

যে বাচ্চারা নিজে থেকে জিনিস বানায় তারা শেখে তাড়াতাড়ি। কথায় আছে না ‘ইউ ওনলি লার্ন বাই ডুইং ইট’। এখনকার ‘লেগো’সেটে মোটর, ‘ইনফ্রারেড’ ইন্টারফেস তো ডাল ভাত। আর সেকারণে বুদ্ধিমান দেশগুলো তৈরি করে দিচ্ছে অনেক অনেক টূল। নতুন প্রজন্মের জন্য। সেরকম একটা টূল হচ্ছে ‘আরডুইনো’ ওপেন প্ল্যাটফর্ম। বর্তমান প্রসেসরের কাছে এটা নস্যি – পাত্তাও পাবে না একফোটা। তবুও এটাই সেরা। কারণ – এর দাম পানির মতো সস্তা। আর যেকাজ দেবেন সেটা ও জানে কিভাবে করতে হয় পানির মতো করে। পাশের দেশেও তৈরি করছে ওই জিনিস ভেতরে ভেতরে। “মেকার’স লফট” দিয়ে গুগল করতেই চলে এলো কলকাতার অংশটা। অপেক্ষা করছি আমাদেরটা নিয়ে।

০৫.

‘আলিএক্সপ্রেস’ শীপ করছে বাংলাদেশে বেশ কিছুদিন থেকেই। ওদের ইনভেন্টরি দেখে মাথা খারাপ হবার যোগাড় আমার। হেন জিনিস নেই যেটা বিক্রি করছে না ওরা। পুরো পৃথিবী জুড়ে। বেশিরভাগই কাস্টম মেড! সব বাসায় তৈরি। ‘চিপ’, ৯ ডলারের কম্পিউটার তৈরি নিয়ে একটা ডকুমেন্টারী দেখেছিলাম একবার। যন্ত্রটা ডিজাইন করে বাচ্চা কয়েকটা ছেলে চীনে গিয়ে কিভাবে লক্ষ পিস বানিয়ে নিয়ে এলো সেটার গল্প ওটা। সেটা দেখে বোঝা গেলো অনেক কাজ বাকি আছে আমাদের।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

Again, you can’t connect the dots looking forward; you can only connect them looking backwards. So you have to trust that the dots will somehow connect in your future. You have to trust in something, your gut, destiny, life, karma, whatever.

Believing that the dots will connect down the road will give you the confidence to follow your heart. Even when it leads you off the well worn path, and that will make all the difference.

– Steve Jobs

০১.

মনে আছে ছোট্টবেলার প্রিয় পত্রিকাগুলোর কথা?

অনেকগুলোর শেষ পাতায় থাকতো কিছু বিন্দু আঁকা। পেন্সিল দিয়ে টানতে হবে এক থেকে দুই, দুই থেকে তিন – তারপর চার। শেষমেষ নিরানব্বই পর্যন্ত! ধরতেই পারতাম না প্রথমে – কি দাড়াবে জিনিসটা? শেষে – ওমা, কি সুন্দর পাখি! রং করবো নাকি একটু? এই বিন্দু বিন্দুগুলোকে যোগ করলেই জানতে পারতাম আসলে জিনিসটা কী? যতোই বিন্দু যোগ করে লাইন টানতাম ততোই ধারনা বাড়তো কী জিনিস বানাতে যাচ্ছি তখন। বুঝলাম, জীবনে যতো এগোবো ততো খুলতে থাকবে এর ভেতরের জট। আগে নয়।

০২.

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন জিনিসটা কি? মনে আছে? প্রশ্নটা করা হয়েছিল গ্রীক দার্শনিক ‘থেলস’কে। ‘টু নো দাইসেল্ফ।’ মানে, নিজেকে জানা। আর সবচেয়ে সহজ? অন্যকে উপদেশ দেয়া। দুহাজার পাঁচে স্টিভ জবসের কমেন্সমেন্ট স্পীচে ‘কানেক্টিং দ্য ডটস’ ব্যাপারটা শুনলেও মাথায় ঢোকাইনি তখন – গভীরভাবে। পরে বুঝেছি ধীরে ধীরে। ওই ‘ডট’গুলো হচ্ছে আপনার আমার জীবনের অভিজ্ঞতা আর ‘দ্য চয়েসেস উই হ্যাভ মেড’। মানে – আমাদের লেগে থাকার আউটকাম। আমরা যখন পেছনে তাকাবো জীবন নিয়ে, একটা প্যাটার্ন ফুটে উঠবে আমাদের কাজে। কি কি করেছি আমরা। এটা আমাদেরকে জীবনকে দেখতে শেখায় নতুন একটা ‘পার্সপেক্টিভ’ থেকে। আসলে জীবনের হাজারো ‘ইভেন্টে’র পেছনের একটা ট্রেন্ড, আমাদেরকে তৈরি করে দেয় – সামনে দেখতে।

০৩.

জবসের ভাষায় – আমাদের মন যেটাকে টানে সেটাকে সত্যি করে বিশ্বাস করলে “বিন্দুগুলো” কানেক্ট করবে কিন্তু একসময়। আজ না হলেও হবে একদিন না একদিন। এই বিশ্বাসই আমাদের যোগাবে সেই পথে থাকার মনোবল। আর সেই বিশ্বাস আমাদের হাজারো কষ্টকর রাস্তায় নিলেও সেটাই কিন্তু পাল্টে দেবে আমাদের। বিশেষ করে অন্যদের থেকে। ওই ঝামেলার রাস্তাটা পার হতে গিয়ে যা শিখবো সেটাই নিয়ে যাবে আমাদের অন্য মাত্রায়। আমি কিন্তু বিশ্বাস করি ব্যাপারটা। আমার জীবনে ঘটেছেও তাই।

[ক্রমশ:]

Read Full Post »

Everyone should learn how to program a computer, because it teaches you how to think.

– Steve Jobs

I’m 45. And, why should I even learn programming? Come on!

I know what you said, but even if you don’t invent the next Facebook or Google, knowing the basics of programming is life changing. Depending on whatever the challenge and the opportunity is there we really wanna leverage or make sure that we’re ahead in the game of life.

02.

First, learning to programming is not only about learning to that physical coding, it’s about learning how to learn. Mostly, for leading a structured life. Learning to code is about learning to search for the right and appropriate information, can I call it required data set? From the age of information overload.

03.

Second, it literally changes the outlook on a lot of things. At least, for now. Yes, It includes structured methods, smart techniques to deal with the problem. Learning to programming is a great practice for precise, disciplined, and abstract thinking. You know, a program either works, or it doesn’t. Come on, it’s digital landscape! Zero and one!

It could have bugs, maybe some are straightforward or subtle, but that requires a through analysis and concentration. And, believe me that make you learn to think! Who cares? But, you should care. You can even predict, how smart you become!

04.

Third, this is not primarily about getting the next generation to work as software engineers, it is about promoting functional thinking. The thinking is how software engineers solve problems. It does combine mathematics and logic, algorithms, and obviously teaches you a new way to think about the world. Mostly, how to deal with the problems everyday.

This functional thinking forces you how to tackle large problems .. by breaking them down into a sequence of smaller, more manageable problems. It allows you to deal complex problems in efficient ways that operate at huge scale.

05.

It also involves creating models of the real world with a suitable level of abstraction. You have guessed it right! And makes you focus on the most pertinent aspects. The more I learned about this coding, the more I got lit up. True! It helps you to get to the place where you wanted to go. Because, You should always consider what you are bringing to the table versus the procedure you are following up.

Yes, you should check out what that is. Trust me.

06.

The joy, and the pride takes you to a level when suddenly code works. It is, I don’t know – but sure, it feels like heaven.

Finally? Learning a language, whether programming or foreign, does format our brains with a new mindset. Who doesn’t need that? I guess, everybody!

Good bye.

Read Full Post »

War is ninety percent information.

– Napoleon Bonaparte

The famous French General didn’t even live into this information age, but he clearly understood what is it that required to have military success. When you’re battling for a competitive advantage in business, data visualization can be equally critical to your success. In fact, you have to see what is it that you’re doing – in advance.

11.

What that Data visualization is? What can it do? Can you skip this process? sure! There’s a distinct disconnect between what it is we mean to deliver and what actually end up being delivered. If a picture is worth a thousand words, the data visualization is worth at least a million. Does that ring a bell?

12.

What do they say about Data Visualization? Yes, they say it’s your secret weapon in storytelling and persuasion to get the job done. My life started being a communications professional. Getting your message across effectively, storytelling the only way to get the job done. I know, I heard you saying that. No, no, you gotta be kidding me!

13.

What does it take to see the future? This is it! The world is over supplied with data and information, visualizations are the only way to break through what is not needed, tell your story, and persuade people to action. Raw statistics can’t give you insights. If you’re showing in context, whether with a simple chart or more creatively in an interactive form, is the future of sharing information.

14.

Visualizations help people see things that were not obvious to them before. Visualizations are the universal message to share ideas with others. It lets people ask others, “Do you see what I see?” And does provide answers to “What would happen if we made an adjustment to that area?”

15.

Knowledge is power, but to make your knowledge of data actually powerful, you have to be able to display your findings in a coherent, compelling way. That’s where data visualization comes into play. With more data available than ever before, opportunities are getting even bigger.

Did you like it? Good bye.

[Cont.]

Read Full Post »

Visualization is the key to everything, at least for today. Here goes the third Youtube voice-over on ideas changing world. In this part of the ‘100 Seconds Dot’ series, I’ll cover what great organizations are doing today.

01.

Why is it that when your friends, your spouse, and especially your mother tells you, You need to stop working so much! — and then you kind of hesitate on responding? Ha ha, you know they have a point.

Perhaps, the place you are working might have to undergo some sort of redesigning on workload balancing.

02.

Okay, let’s do this! Assume that I’m your boss. Or revert as you desire. You might have to ask me some of these questions to review what’s going wrong.

  1. Does your organizational structure matches your  strategic intention?
  2. does it support delivering your goal?
  3. Does the workload is balanced among your leaders?
  4. Does our people getting the right amount of direction?
  5. What about the synergy across geographical organizational boundaries?
  6. if you answered no to many these questions I urge you to take a look at the organization design.

03.

Okay let’s do this. First, organization design shapes how groups of people get the job done – how they work together to create, produce, and sell goods and services. Organizations are social systems of integrated action among individuals whose interests, information, and knowledge differ.

04.

Organization design provides the framework for the delicate conversion of conflict into collaboration, the mobilization of resources and effort toward common goals, and coordination of action that facilitates the survival and success of an organization and its members.

05.

For example, in running a Special school, some people know how to teach others understand how to run the school administration while a third group of people might be excellent at innovating skill sets. All these people know and are interested in different often conflicting things – but they need to work together seamlessly to make the school successful.

06.

First, organization designed establishes the jobs roles and responsibilities of its members. who would teach the students, who suggests the innovative subjects and who administer the whole process?

Second, organization design needs to motivate its members to act in the collective interest. to define what it means to do the job well and then how to reward good performance. Finally, organization design helps companies to maintain a balance between routine and innovations. These organization design issues coordination cooperation and competence are often easy to resolve for small organizations.

07.

But it soon becomes more complex bigger organization which constantly evolving digital technologies open up the possibility for unconventional solutions that allow for new forms of working together.

Before redesigning, lets talk about what is affecting us?

08.

I believe in today’s world; change is the only constant. Creating competitive advantage is about getting the strategy right. It is also about mobilizing a high performing organization that can adapt to a changing world. As per the research done by Boston Consulting group, eighty percent of companies have reorganized in recent years but more than fifty percent have failed to achieve their strategic goals.

09.

Organizations struggle to know how to successfully execute their strategic intention and final deliverable.

They often don’t know what to do after they’ve successfully designed, tested, and validated their models and value propositions as per strategic intention.

Read Full Post »

%d bloggers like this: